প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:৮
অমর একুশে বইমেলা ২০২০ কৃষিবিদ ড.নুরুল হুদা মামুন কৃষকদের নানা সমস্যা এবং কৃষির উপর নানা আলোচনা নিয়ে এবারের বইটি উপস্থাপন করেছেন।নুরুল হুদা মামুনের লেখা বইটি ৫ম তম। এই বইটি সাধারণ কৃষদের জন্য একট চমৎকার গ্রহন্থকার। এই বইটি সাধারণ কৃষকদের নানা সমস্যার সমাধানে কাজ করবে বলে লেখক আশাবাদী নিম্নে লেখকের লেখক পরিচিতি তুলে ধরা হলো।
লেখক পরিচিতি
কৃষিবিদ ড. মোঃ নূরুল হুদা আল মামুন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রডাকশন ম্যানেজার হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। এরপর ২০০১ সালের এপ্রিল মাস থেকে অদ্যাবধি বাংলাদেশ সরকারের কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধীন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনষ্টিটিউটে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।
লেখালেখি স্কুল জীবন থেকেই। ছড়া কবিতা দিয়ে সাহিত্য জগতে প্রবেশ করলেও পরে পপুলার আর্টিকেল, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, ফিচার, সম্পাদকীয় সব অংগনে তাঁর রয়েছে দাপুটে বিচরণ।বাংলাদেশের বেশিরভাগ জাতীয় দৈনিক, সাপ্তাহিক, মাসিক ম্যাগাজিনে তাঁর প্রবন্ধ, নিবন্ধ ছাপা হয়।তাঁর প্রকাশিত গবেষণাপত্রসহ সায়েন্টিফিক প্রবন্ধের সংখ্যা ২০ এর অধিক।তিনি দেশের অন্যতম মাসিক পত্রিকা কৃষিবার্তার প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে ২০০১ সালে কৃষি সাংবাদিকতা শুরু করেন। পরে তিনি উক্ত পত্রিকার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
একটু দেরীতে হলেও তাঁর প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ “বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় কৃষি” প্রকাশ পায় ২০১৩ সালের একুশে বইমেলায়। এর পর তাঁর দ্বিতীয় প্রবন্ধগ্রন্থ “ভেষজ উদ্ভিদের চাষ” প্রকাশ পায় ২০১৪ সালের একুশে বই মেলাতেই। কবিতা নিয়ে আজন্ম লালিত ভালবাসা প্রকাশ পায় তার কাব্য চর্চায়। দাপ্তরিক কাজের ব্যস্ততার মাঝেও তিনি খুঁজে ফেরেন ছন্দময় অনবদ্য এক জগত। আর তা ব্যঙময় ও মূর্ত করে তোলে “সুখপাখি” কাব্যগ্রন্থে। কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ পায় ২০১৫ সালের মহান একুশের বই মেলায়। ’ভোরের পাখি’ নামে একটি শিশুতোষ ছড়াগ্রন্থ প্রকাশিত হয় ২০১৬ সালে।
সাহিত্যের স্বীকৃতি স্বরুপ অর্জন করেছেন-
ইনিউজ ৭১/এম.আর