সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

সম্পাদকীয়

সাবেক উপদেষ্টার দুর্নীতির ১১ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ: আসল প্রশ্ন, টাকা দিল কে?

Ziko hayder
মোঃ শওকত হায়দার (জিকো) , সম্পাদক-ইনিউজ৭১

প্রকাশ: ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:২৮

শেয়ার করুনঃ
সাবেক উপদেষ্টার দুর্নীতির ১১ হাজার কোটি টাকার অভিযোগ: আসল প্রশ্ন, টাকা দিল কে?

সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতি ও অর্থপাচারের অভিযোগ নিয়ে গতকাল থেকে দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে। অভিযোগে নিয়োগ-বাণিজ্য, পদায়ন এবং বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচারের মতো বিষয় উঠে এসেছে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে আলোচনা হচ্ছে। তবে অভিযোগের সত্যতা এখনো তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। তাই তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা সমীচীন নয়।

তবে এই অভিযোগ সামনে আসার পর দুর্নীতির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। বিশেষ করে, যদি কোটি কোটি টাকা দিয়ে সরকারি পদায়ন বা নিয়োগ নেওয়ার ঘটনা সত্য হয়ে থাকে, তাহলে শুধু টাকা গ্রহণকারীর বিরুদ্ধে তদন্ত করলেই কি পুরো দুর্নীতির চিত্র বেরিয়ে আসবে?

ধরা যাক, কোনো একজন কর্মকর্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ পদায়নের জন্য ১০ কোটি, ১২ কোটি কিংবা ১৬ কোটি টাকা দিয়েছেন তাহলে প্রথম প্রশ্ন হওয়া উচিত, ওই কর্মকর্তা এত টাকা পেলেন কোথায়? তাঁর বৈধ আয় কত, সম্পদের পরিমাণ কত এবং সেই সম্পদের সঙ্গে তাঁর আয়ের সামঞ্জস্য রয়েছে কি না এসব বিষয়ও তদন্তের আওতায় আসা প্রয়োজন।

আরও

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

একজন সরকারি কর্মকর্তার পদায়ন যদি অর্থের বিনিময়ে হয়ে থাকে বলে অভিযোগ ওঠে, তাহলে যিনি অর্থ গ্রহণ করেছেন তাঁর পাশাপাশি যিনি অর্থ দিয়েছেন, তাঁর ভূমিকাও তদন্ত করা জরুরি। কারণ ঘুষের লেনদেনে অর্থ গ্রহণকারী যেমন গুরুত্বপূর্ণ, অর্থ প্রদানকারীর ভূমিকাও তেমনি গুরুত্বপূর্ণ।

এখানেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের প্রচলিত তদন্ত ব্যবস্থার একটি বড় প্রশ্ন সামনে আসে। কোনো দুর্নীতির ঘটনায় সাধারণত আলোচনার কেন্দ্রে থাকে টাকা গ্রহণকারী ব্যক্তি। কিন্তু সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে, কে দিয়েছে, কেন দিয়েছে এবং এর বিনিময়ে কী সুবিধা নেওয়া হয়েছে এসব প্রশ্নের উত্তরও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে বিষয়টি দ্রুত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। মামলা, গ্রেপ্তার, সম্পদ অনুসন্ধানসহ বিভিন্ন পদক্ষেপও দেখা যায়। কিন্তু কোনো দুর্নীতির সঙ্গে প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা বা আমলার সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকলে তাঁদের ভূমিকা কতটা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হয়, সেটিও জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।

বিশেষ করে পদায়ন-বাণিজ্যের অভিযোগ সত্য হলে বিষয়টি শুধু রাজনৈতিক ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার কথা নয়। যাঁরা পদায়নের জন্য অর্থ দিয়েছেন, তাঁদের সম্পদের উৎস এবং আর্থিক লেনদেনও অনুসন্ধান করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, মধ্যস্থতাকারী এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা দরকার।

আসিফ মাহমুদ১১ হাজার কোটি টাকাপদায়ন বাণিজ্য
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

আরও

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

এখানে দুর্নীতি দমন কমিশনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে বেরিয়ে আসতে হবে। একই সঙ্গে তদন্তে যদি অন্য কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তাঁদের বিরুদ্ধেও একইভাবে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

দুদকের তদন্তের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হওয়া উচিত নিরপেক্ষতা। রাজনৈতিক পরিচয়, প্রশাসনিক পদ, ব্যবসায়িক প্রভাব কিংবা অন্য কোনো ধরনের ক্ষমতা যেন তদন্তের পথে বাধা না হয়। একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি যেমন আইনের ঊর্ধ্বে নন, তেমনি একজন সরকারি কর্মকর্তাও আইনের ঊর্ধ্বে নন।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

আমরা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে সত্য বলে ধরে নিচ্ছি না। আবার অভিযোগটি মিথ্যা এমন দাবিও করছি না। আমাদের বক্তব্য হলো, অভিযোগের সত্যতা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রমাণিত হওয়া উচিত। যদি অভিযোগ সত্য হয়, তাহলে এর সঙ্গে জড়িত প্রত্যেক ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

কারণ ১১ হাজার কোটি টাকার মতো বিপুল অর্থের অভিযোগ সত্য হলে সেটি কোনো এক ব্যক্তির একক কর্মকাণ্ডে সীমাবদ্ধ থাকার কথা নয়। এর সঙ্গে অর্থের উৎস, অর্থ প্রদানকারী, অর্থ গ্রহণকারী, মধ্যস্থতাকারী, সুবিধাভোগী এবং অর্থের গন্তব্য—সবকিছুই তদন্তের আওতায় আসা প্রয়োজন।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হলে শুধু ‘কে টাকা নিয়েছে’ এই প্রশ্নে তদন্ত সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। একই সঙ্গে জানতে হবে, কে টাকা দিয়েছে, সেই টাকা কোথা থেকে এসেছে এবং এর বিনিময়ে কী সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

একই আইনের প্রয়োগ সবার জন্য নিশ্চিত করা না গেলে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান নিয়ে মানুষের আস্থা তৈরি হবে না। রাজনৈতিক ব্যক্তি, আমলা, ব্যবসায়ী কিংবা অন্য যে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি অভিযোগের ভিত্তি ও প্রমাণ থাকলে প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই একই ধরনের তদন্ত ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

১১ হাজার কোটি টাকার অভিযোগের সত্যতা তদন্তেই বেরিয়ে আসুক। তবে তদন্ত যেন শুধু একজনকে ঘিরে না থাকে; অভিযোগের পেছনে যদি কোনো বৃহত্তর দুর্নীতির নেটওয়ার্ক থেকে থাকে, সেটিও যেন তদন্তের মাধ্যমে প্রকাশ পায়।

এটাই হওয়া উচিত একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর দুর্নীতিবিরোধী ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য।

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌরশক্তির মহাযাত্রা, বড় লক্ষ্যে সরকার এগোচ্ছে

জ্বালানি নিরাপত্তায় সৌরশক্তির মহাযাত্রা, বড় লক্ষ্যে সরকার এগোচ্ছে

ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে বুশরার এসএসসিতে অবিশ্বাস্য জিপিএ-৫ অর্জন

ক্যানসারের সঙ্গে লড়ে বুশরার এসএসসিতে অবিশ্বাস্য জিপিএ-৫ অর্জন

নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে নারীর অংশগ্রহণ চান সিইসি

নির্বাচনের প্রতিটি ধাপে নারীর অংশগ্রহণ চান সিইসি

টুম্পা থেকে ইধিকা, নাম বদলেই বদলে গেল ক্যারিয়ার

টুম্পা থেকে ইধিকা, নাম বদলেই বদলে গেল ক্যারিয়ার

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ ইলন মাস্কের

বাংলাদেশে স্টারলিংক চালু, উচ্ছ্বাস প্রকাশ ইলন মাস্কের

সর্বশেষ সংবাদ

জ্বালানিনিরাপত্তায় সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

জ্বালানিনিরাপত্তায় সৌদি আরবের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের জবাব অপর্যাপ্ত, সাত শর্তে অনড় অবস্থানে ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের জবাব অপর্যাপ্ত, সাত শর্তে অনড় অবস্থানে ইরান

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য

পাহাড়ের ভবিষ্যৎ তরুণদের হাতে, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বারোপ

পাহাড়ের ভবিষ্যৎ তরুণদের হাতে, দক্ষতা ও কর্মসংস্থানে গুরুত্বারোপ

রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে ফের হামলা, নিহত ১

রিয়াদ ও দাম্মাম বিমানবন্দরে ফের হামলা, নিহত ১

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

শ্রমিক সংকটে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র শিল্প: টেসলা কি বদলে দিচ্ছে আমাদের শ্রমবাজার?

শ্রমিক সংকটে বাংলাদেশের ক্ষুদ্র শিল্প: টেসলা কি বদলে দিচ্ছে আমাদের শ্রমবাজার?

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্প নিয়ে যারা বাস্তবে কাজ করেন, তারাই বর্তমান শ্রমিক সংকটের ভয়াবহতা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পারছেন। বাইরে থেকে বিষয়টি যতটা সহজ মনে হয়, বাস্তবে পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল। আমি নিয়মিত প্রতি মাসে তিন-চারটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করাই। সেই অভিজ্ঞতা থেকে গত কয়েক বছরে একটি বিষয় খুব স্পষ্টভাবে চোখে পড়ছে ছোট ও মাঝারি গার্মেন্টস কারখানাগুলোতে

    চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

চীন-করিডোর: সুযোগ নাকি কৌশলগত পরীক্ষা?

বিশ্ব রাজনীতিতে বন্ধু কিংবা প্রতিপক্ষ এই পরিচয়গুলো সময়ের সঙ্গে বদলে যায়। কিন্তু একটি বিষয় কখনো বদলায় না, সেটি হলো অর্থনৈতিক স্বার্থ। আধুনিক বিশ্বে যে রাষ্ট্র অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তার প্রভাবও তত বেশি। ফলে আদর্শিক মতভেদ থাকলেও বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দেশগুলোকে একে অপরের সঙ্গে কাজ করতেই হয়। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও চীনকে ঘিরে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক করিডোর

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বিদায় দুই নেত্রীর যুগ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত সময়কে এক অনন্য অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময়জুড়ে দেশের রাষ্ট্রক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন দুই নারী নেত্রী , শেখ হাসিনা ও বেগম খালেদা জিয়া। একদিকে আওয়ামী লীগ, অন্যদিকে বিএনপি,  এই দুই দল এবং তাদের দুই নেত্রীর নেতৃত্বই মূলত বাংলাদেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। ফলে এই সময়কে অনেকেই যথার্থভাবেই ‘দুই নেত্রীর

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তপ্ত যুদ্ধের সম্ভাবনা: ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে জড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনা ক্রমেই এক সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ইসরায়েলের ওপর ইরানের নজিরবিহীন পাল্টা হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চাওয়ায় আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডলে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সরাসরি হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন এবং ইরানকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ করতে বলেছেন, যা অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধের শঙ্কা আরও ঘনীভূত করেছে। ইরান এই হুমকি প্রত্যাখ্যান করে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সরাসরি যুদ্ধে নামে,

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

নতুন যুদ্ধ সমীকরণ: ইরানের পাল্টাঘাতে চূর্ণ ইসরায়েলের আধিপত্যের স্বপ্ন

গাজার নিরস্ত্র মুসলমানদের উপর নির্মম হামলা চালিয়ে বিশ্বজুড়ে নিন্দার মুখে পড়া ইসরায়েল এবার নিজেই এক ভয়াবহ প্রতিপক্ষের মুখোমুখি। ফিলিস্তিনে গণহত্যার নেপথ্যে থাকা দখলদার রাষ্ট্র এবার পড়েছে ইরানের প্রতিশোধের মুখে। ভুলে গিয়েছিল তারা ইরানের সামরিক সক্ষমতা আর আধুনিক যুদ্ধ প্রযুক্তির বাস্তবতা। সম্প্রতি ইসরায়েল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় আগ বাড়িয়ে হামলা চালায়। কিন্তু ফলাফল হয় উল্টো। পাল্টা প্রতিরোধে নেমে ইরান একের