
প্রকাশ: ৮ জুলাই ২০২০, ১৫:২২

আমল করার পূর্বশর্ত হলো ইলম শেখা। কোনো কিছু শেখা ছাড়া সঠিকভাবে আমল করা যায় না। তা করলেও সঠিক ও সুন্দর হয় না। এ কারণেই যে কোনো আমল করার আগেই ইলম শিখতে হয়। কুরবানিও এমনই একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল, যা পালন করার আগে একটি বিষয় সম্পর্কে সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
কুরবানির আমলটি করার আগে সে সম্পর্কে বেশকিছু জিনিস শেখার আছে, যা অনেকেরই জানা নেই। বিশেষ করে কুরবানি কী কারণে করতে হয় তা অনেকেই জানে না। পর্যায়ক্রমে এসব বিষয় তুলে ধরা হবে ইনশাআল্লাহ। তবে প্রথমেই যে বিষয়টি জানা জরুরি, তাহলো-
'এগুলোর গোশত ও রক্ত আল্লাহর কাছে পৌঁছে না, কিন্তু পৌঁছে তাঁর কাছে তোমাদের মনের তাকওয়া। এমনিভাবে তিনি এগুলোকে তোমাদের বশ করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর মহত্ত্ব ঘোষণা কর এ কারণে যে, তিনি তোমাদের পথ প্রদর্শন করেছেন। সুতরাং সৎকর্মশীলদের সুসংবাদ শুনিয়ে দিন।' (সুরা হজ : আয়াত ৩৭) .এ জন্য কুরবানি করার আগে থামা এবং চিন্তা করা উচিত। কী জন্য এ কুরবানি? কেন কুরবানি করে মুমিন মুসলমান? কুরবানি করার সময় মুমিন মুসলমানের অবস্থা কেমন থাকবে? কুরবানির গোশত, রক্ত কি আল্লাহর কাছে পৌছে?
'হে আল্লাহ! তোমার সন্তুষ্টির জন্য কুরবানি করছি। তুমি আমাদের কুরবানি কবুল করে নাও।' কেননা এ কুরবানির পশুর কোনো অংশই তোমার কাছে পৌঁছায় না, পৌঁছে শুধু আমাদের হৃদয়ের খালেছ নিয়ত। কুরবানি করার আগে এভাবে নিজের নিয়তকে পরিশুদ্ধ করা জরুরি।যদি নিয়ত এমন না হয় তবে আদৌ কুরবানি কবুল হবে না। করবানির হক আদায় হবে না। শুধু লোক দেখানো, আর গোস্ত খাওয়া ছাড়া কুরবানির কোনো ফায়েদাই পাবে না মানুষ।

এ রমক নিয়ত থাকলেও কুরবানি হবে না।এক শ্রেণির মানুষ নেতৃত্বের খাতিরে কুরবানি করে থাকে। নিজেকে নেতা হিসেবে প্রতষ্ঠিা করতে কুরবানি করে থাকে। এমন চিন্তা থাকলেও কুরবানি হবে না।নাম যশের জন্য অনেকে কুরবানি করে। একাধিক সংখ্যক বড় পশু কুরবানি করে অন্যদের দৃষ্টি আকষণ করে থাকে। এ নিয়তে কুরবানি করলেও তা আদায় হবে না।