বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২৬ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

নামায পরিত্যাগের ভয়াবহ পরিণতি

ধর্ম ডেস্ক
ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ: ২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৩৫

শেয়ার করুনঃ
নামায পরিত্যাগের ভয়াবহ পরিণতি

"নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা'দ" প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই নামায আদায় না করার কি শাস্তি হবে! সেই সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা সংকিপ্ত আকারে তুলে ধরছি, "ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ"

-ঈমান আনয়নের পর মুমিন বান্দাদের জন্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবশ্যপালনীয় ইবাদাত হচ্ছে পাঁচ ওয়াক্ত নামায। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর থেকে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবার ওপর নির্ধারিত সময়ে এই নামায আদায় করা ফরয। কালামুল্লাহ শরিফে আল্লাহ তা’আলা জানিয়ে দিচ্ছেন, “নিশ্চয়ই নির্ধারিত সময়ে নামায আদায় করা বিশ্বাসীদের জন্য ফরয করা হয়েছে।” (সুরা নিসা, আয়াত ১০৩)

নামাযের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে বান্দার নিবিড়তম সম্পর্ক তৈরি হয়। আবার যে সকল বান্দা নামায ছেড়ে দেয়, আল্লাহ তা’আলাও তার থেকে নিজের দায়িত্ব উঠিয়ে নেন।

আরও

ইসলামে মুমিন বান্দার পরিচয়

ইসলামে মুমিন বান্দার পরিচয়
রাসূলুল্লাহ (সা) ইরশাদ করেন, ‘যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ছেড়ে দেয় আল্লাহ তা’আলা তার থেকে নিজের জিম্মাদারী উঠিয়ে নেন’। (বুখারি-১৮, ইবনে মাজাহ-৪০৩৪, মুসনাদে আহমদ-২৭৩৬৪)

অর্থাৎ যে ইচ্ছাকৃত নামায ছেড়ে দিলো সে যেন আল্লাহ থেকে নিজের সম্পর্ককে গুটিয়ে নিল।

হাদীস শরিফে এসেছে, ইচ্ছাকৃতভাবে নামায ছেড়ে দেওয়া শিরকের পর সবচেয়ে বড় গুনাহ। এমনকি এটি হত্যা, লুণ্ঠন, ব্যভিচার, চুরি ও মদ্যপানের চেয়েও মারাত্মক গুনাহ। যার শাস্তি দুনিয়া ও আখেরাত উভয় স্থানেই ভোগ করতে হবে। (কিতাবুস সালাত লি-ইবনিল কায়য়ুম, পৃ. ১৬)

কেউ যদি অস্বীকারপূর্বক নামায ছেড়ে দেয় তার ঈমান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ইসলামের সমস্ত ফকিহ ঐকমত্য। তবে যে অস্বীকার করে না অথচ যে কোনো কারণেই গুরুত্বহীনভাবে নামায ছেড়ে দেয়, এ শ্রেণীর লোকেরা স্বীকৃত মতানুযায়ী যদিও কাফের হবে না তবে ফাসেক বলে গণ্য হবে। তাকে বহুকাল যাবৎ জাহান্নামের আযাব ভোগ করতে হবে।

আরও

ইসলামে মুমিন বান্দার পরিচয়

নামায
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
ইসলামে মুমিন বান্দার পরিচয়
যারা নামায ছেড়ে দেওয়াকে ছোটখাটো বিষয় বলে মনে করেন, তারা নামায ত্যাগের ভয়াবহ পরিনামগুলো একটু লক্ষ করুন-

আল্লাহ তা’আলা বলেছেন, “অতএব দূর্ভোগ ঐ সমস্ত নামাযীদের জন্যে, যারা নিজেদের নামাযের ব্যাপারে উদাসীন।” (সুরা মাউন, আয়াত ৪-৫)

এখানে আল্লাহ তা’আলা উদাসীন বলতে বুঝিয়েছেন, যারা নামায পড়ে, কিন্তু দেরী করে এবং যারা নামাযে অমনোযোগী, তাদেরকে বুঝানো হয়েছে। লক্ষণীয় যে, তারা নামায পড়ে তবে শুধু অমনোযোগীত বা অবহেলাবশত দেরী করে পড়ে, তাকেই যদি ওয়াইল নামক জাহান্নামে যেতে হয়, তাহলে যে ব্যক্তি নামায ছেড়েই দেয় তাকে জাহান্নামের কত কঠিন ও ভয়াবহ আযাব ভোগ করতে হবে!?

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
একবার রাসুলুল্লাহ (সা) কে স্বপ্নযোগে কয়েকটি কবীরাহ গুনাহের শাস্তি দেখানো হয়। পরদিন সকালে রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন, “আজ রাতে আমার কাছে দুইজন আগন্তুক এসেছিলেন। তারা আমাকে বললেন, আমাদের সাথে চলুন। আমি তাদের সাথে চললাম। আমরা এমন এক লোকের কাছে পৌঁছুলাম, যে চিত হয়ে শুয়ে ছিলো। আরেক ব্যক্তি পাথর নিয়ে তার সামনে দাঁড়িয়ে আছে। সে পাথর দিয়ে শুয়ে থাকা লোকটির মাথায় আঘাত করে থেঁতলে দিচ্ছে। যখন সে পাথর নিক্ষেপ করছে তা গড়িয়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। লোকটি গিয়ে পাথরটি পুনরায় তুলে নিচ্ছে। এবং ফিরে আসার সাথে সাথেই লোকটির মাথা আগের মতো ভালো হয়ে যাচ্ছে। সে আবার লোকটির কাছে ফিরে আসছে এবং তাকে পূর্বের মতো শাস্তি দিচ্ছে।

রাসুলুল্লাহ (সা) বলেন, আমি আমার সঙ্গীদ্বয়ের কাছে জানতে চাইলাম, সুবহানাল্লাহ, এরা কারা!? সঙ্গীদ্বয় পরবর্তীতে উত্তর দেন, সে (আযাব ভোগকারী) হচ্ছে এমন ব্যক্তি, যে কুরান মুখস্থ করে তা পরিত্যাগ করে এবং (অবহেলা বশতঃ) ফরয নামায না পড়েই ঘুমিয়ে পড়ে”। (সহীহ বুখারী, রিয়াদুস সালেহীনঃ ১৫৪৬)

এমনিভাবে হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাদ্বি. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি শরীয়ত সম্মত ওজর ব্যতীত দুই ওয়াক্ত নামায একসঙ্গে পড়ল, সে কবীরা গোনাহের মধ্য থেকে একটিতে প্রবেশ করল।(মুসতাদরাকে হাকেম-১০২০, সুনানুল কুবরা লিল বাইহাক্বী-৫৭৭১)

হযরত জাবের ইবনে আব্দুল্লাহ রাদ্বি. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ইসলাম ও কুফরের মাঝে পার্থক্য হল নামায ছেড়ে দেয়া। অর্থাৎ নামায ছেড়ে দেয়া একজন মুসলিমকে কুফর ও শিরক পর্যন্ত পৌছে দেয়। (সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ৮২)

হযরত নাওফাল ইবনে মুয়াবিয়া রাদ্বি. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যার এক ওয়াক্ত নামায ছুটে গেল তার যেন ঘরবাড়ি পরিবার ও ধনসম্পদ সবই কেড়ে নেয়া হল।(সহীহ ইবনে হিব্বান-২৪৬৮, নাসাঈ-৭৪৮)

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদ্বি. হতে বর্ণিত, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাযের বিষয় উল্লেখ করে বললেন, যে ব্যক্তি নামাজের ইহতেমাম করে, তার জন্য নামায কিয়ামতের দিন নূর হবে ও হিসাবের সময় দলীল হবে ওবং নাজাতের উপায় হবে। আর যে ব্যক্তি নামাজের ইহতিমাম করে না, কিয়ামতের দিন নামায তার জন্য নূর হবে না, আর তার নিকট কোন দলীলও থাকবে না এবং নাজাতের জন্য কোন উপায়ও হবে না।এমন ব্যক্তির হাশর হবে ফেরআউন, হামান ও উবাই ইবনে খলফের সাথে।(মুসনাদে আহমদ-৬৫৭৬, সহীহ ইবনে হিব্বান-১৪৬৭)

তাই আমরা যেন যথা সময়ে নামায আদায়ে দায়িত্বশীল হই। আল্লাহপাক আমাদের তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখক: বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ লেখক ও কলামিস্ট সাংবাদিক হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি  জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেট। সাবেক: ইমাম ও খতীব হযরত দরিয়া শাহ্ রহ. মাজার জামে মসজিদ কদমতলী সিলেট।

সর্বশেষ সংবাদ

ফ্যাসিবাদের আমলে নারী-শিশুরাই বেশি নির্যাতিত হয়েছেন: রিজভী

ফ্যাসিবাদের আমলে নারী-শিশুরাই বেশি নির্যাতিত হয়েছেন: রিজভী

ট্রাকেই সিগারেট তৈরির কারখানা, পূর্ণাঙ্গ সরঞ্জাম জব্দ

ট্রাকেই সিগারেট তৈরির কারখানা, পূর্ণাঙ্গ সরঞ্জাম জব্দ

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, হেলপার নিহত

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, হেলপার নিহত

হাকিমপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

হাকিমপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

পটুয়াখালীতে নলকূপ বসাতেই বের হচ্ছে গ্যাস, আগুন দেখতে ভিড়

পটুয়াখালীতে নলকূপ বসাতেই বের হচ্ছে গ্যাস, আগুন দেখতে ভিড়

জনপ্রিয় সংবাদ

জানুয়ারিতে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা

জানুয়ারিতে দুই পর্বে বিশ্ব ইজতেমার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা

তিন দফা কমার পর ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

তিন দফা কমার পর ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

সায়েদাবাদে থাকবে শুধু সিটি বাস, আন্তঃজেলা যাবে কাঁচপুরে

সায়েদাবাদে থাকবে শুধু সিটি বাস, আন্তঃজেলা যাবে কাঁচপুরে

পুনর্বাসনের দাবিতে টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ বস্তিবাসীদের

পুনর্বাসনের দাবিতে টঙ্গীতে মহাসড়ক অবরোধ বস্তিবাসীদের

রাশিয়ার কড়া বার্তা, ইরান ছাড়বে না মস্কো

রাশিয়ার কড়া বার্তা, ইরান ছাড়বে না মস্কো

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

শুক্রবারের আমলে মুমিনের জীবনে আসে প্রশান্তি ও বরকত

ইসলাম ধর্মে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। মুসলমানদের কাছে সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত অনেক বেশি। এদিন নামাজ, দোয়া, জিকির ও বিভিন্ন নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুযোগ রয়েছে। তাই ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা শুক্রবারকে ইবাদত-বন্দেগিতে বিশেষভাবে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেন। শুক্রবারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো জুমার নামাজ আদায় করা। প্রাপ্তবয়স্ক ও সামর্থ্যবান পুরুষ মুসলমানদের জন্য জুমার নামাজ

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

মহানবীর জন্ম ও ওফাত স্মরণে আজ পবিত্র মিলাদুন্নবী

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের পুণ্য স্মৃতিবিজড়িত দিনটি ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালন করবেন বিশ্বের মুসলমানরা। প্রায় ১,৪০০ বছর আগে এই দিনে মানবজাতির হেদায়েতের আলো নিয়ে আখেরি নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মক্কায় জন্মগ্রহণ করেন। ৬৩২ খ্রিস্টাব্দের একই দিনে তিনি ওফাত লাভ করেন। মহানবী (সা.) ইসলামের সর্বশেষ নবী ও রাসুল। ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে মক্কার অভিজাত কুরাইশ গোত্রে

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

মানুষের জীবনে ভুল, মতবিরোধ ও মনোমালিন্য স্বাভাবিক বিষয়। তবে ইসলাম মানুষকে প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষমা, ধৈর্য ও উদারতার শিক্ষা দিয়েছে। কোরআন ও হাদিসে অন্যকে ক্ষমা করার মর্যাদা এবং এর মাধ্যমে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘যারা রাগ সংবরণ করে এবং মানুষকে ক্ষমা করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন।’ এই আয়াত একজন মুমিনকে রাগের মুহূর্তেও নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করার

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

ব্যক্তি, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়, জাতি ও ধর্মের সীমারেখা পেরিয়ে গোটা মানবজাতির জন্য কল্যাণ, শান্তি ও উত্তম আদর্শ নিয়ে আগমন করেছেন মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)। তিনি ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’—সমগ্র বিশ্বজগতের জন্য রহমত। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য আল্লাহর রাসুলের মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ; তার জন্য, যে আল্লাহ ও পরকাল প্রত্যাশা করে এবং আল্লাহকে অধিক স্মরণ করে।’ (সূরা আল-আহযাব: ২১) মহানবী