
প্রকাশ: ২২ এপ্রিল ২০২০, ১৪:৪৯

ইবাদত ও আমলের ক্ষেত্রে সংখ্যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দুই, তিন ও চার রাকাত করে পড়তে হয়। প্রতিদিন দুই ও চার রাকাত করে মোট ১২ রাকাত সুন্নাতে মুয়াক্কাদা নামাজ পড়তে হয়।আবার রমজানের ২৯ বা ৩০ দিন রোজা রাখতে হয়। কিন্তু এসব সংখ্যা নির্ধারণের বিষয়টি মোটেও কাকতালীয় নয়। এর পেছনে আছে বিশেষ হেকমত।
শাহ ওয়ালি উল্লাহ মুহাদ্দেসে দেহলভি (রহ.) লিখেছেন, ইবাদতের জন্য সময় ও পরিমাপ নির্ধারণ করা হয় বিশেষ মূলনীতির আলোকে। এসব মূলনীতির একটি হলো বিজোড় সংখ্যা। ইসলামের দৃষ্টিতে বিজোড় একটি সম্মানিত সংখ্যা। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বাণী হলো, ‘আল্লাহ তাআলা বিজোড়; তিনি বিজোড় পছন্দ করেন, অতএব হে পবিত্র কোরআনের ধারক ও বাহকরা, তোমরা বিতরের নামাজ আদায় করো।’ (মিশকাত, হাদিস ১২৬৬)
এই এক বা বিজোড় হচ্ছে মূল এককের ভিত্তি। মূল একক হলেন মহান আল্লাহ। আর এ এককটি মূল এককের উত্তরাধিকারী। আর বিজোড় সংখ্যার মধ্যে একক বিদ্যমান রয়েছে। আর সে একক হচ্ছে এ সংখ্যাটিকে সঠিকভাবে সমান দুটি এককে ভাগ তথা বিভাজন করতে না পারা। আর জোড়ের তুলনায় এককটি বিজোড়ের কাছাকাছি। প্রতিটি বস্তুর স্বীয় মূলের দিকে প্রত্যাবর্তনই আল্লাহ তাআলার দিকে প্রত্যাবর্তনের নামান্তর। কারণ আল্লাহ তাআলা সব ভিত্তির উৎপত্তি, সূচনা ও উৎস। আল্লাহর সত্তাই একমাত্র পরিপূর্ণ একক। আবার কখনো কখনো এই এককের কোনো উচ্চতর, ঊর্ধ্বতন ও উত্কৃষ্ট সংখ্যা গ্রহণ করা হয়। যেমন—একের উন্নতি হয় ১ থেকে ১০ এবং ১০ থেকে ১০০-এর দিকে। (হুজ্জাতুল্লাহিল বালিগা)। তাই আল্লাহর ওপর পূর্ণ ঈমান এবং আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা দিতে প্রতিদিন ১০০ বার কিছু আমল করতে বলা হয়েছে। এমন আমল পাঁচটি। যেমন—
