বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬১ শ্রাবণ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

জুমার নামাজ ঘরে পড়ার ব্যাপারে কোরআনে কিছু বলা হয়েছে কী?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল ২০২০, ১৬:৬

শেয়ার করুনঃ
জুমার নামাজ ঘরে পড়ার ব্যাপারে কোরআনে কিছু বলা হয়েছে কী?
পবিত্র কোরআনে জুমার নামাজ বিষয়ে একটি সূরা নাজিল করা হয়েছে। সূরা জুমআ। সূরার নাম দোয়া সূরা জুমআ হলেও এ সূরার শেষ দু’তিন আয়াতেই কেবল জুমা বিষয়ক বিধান দেয়া হয়েছে। আরও নির্দিষ্ট করে বললে কেবল ৯ নং আয়াতে জুমার নামাজ সংক্রান্ত নির্দেশনা এসেছে।

আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা ইরশাদ করেন, হে মুমিনগণ, জুমআর দিনে যখন জুমার নামাজের জন্য আহ্বান করা হয় তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ কর, এটাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা উপলব্ধি কর। [সূরা জুমআ, আয়াত: ৯]

কোভিড-১৯ তথা নভেল করোনা ছড়িয়ে পড়ার পর পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই জারি করা হয়েছে লকডাউনের আইন। লকডাউনের ভেতর সব ধরনের জনসমাগম নিষিদ্ধ। মসজিদে জুমার নামাজেও সে নিষেধাজ্ঞা থাকছে। মক্কা-মদীনার মসজিদগুলোও বন্ধ করা হয়েছে লকডাউনের কারণে। বাইতুল্লাহ এখনও উন্মুক্ত করা হয়নি তাওয়াফকারীদের জন্য।

আরও

জুমার নামাজ মুসলিম উম্মাহর সাপ্তাহিক ইবাদত ও ঐক্যের অন্যতম ভিত্তি

জুমার নামাজ মুসলিম উম্মাহর সাপ্তাহিক ইবাদত ও ঐক্যের অন্যতম ভিত্তি

উপমহাদেশে মসজিদ বন্ধ না হলেও সীমিত করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে মুসল্লি সংখ্যা। অতি সম্প্রতি আমাদের দেশে ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জুমায় দশের অধিক মুসল্লি জমায়েত করতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কাছাকাছি বিধান ভারত ও পাকিস্তানেও আমরা জানতে পারছি।

এ পরিস্থিতিতে সাধারণ ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা জুমার দিন জুমা না পড়ার যন্ত্রণা ভোগ করছেন। এক জীবনে যারা কখনও জুমা ত্যাগ করেননি তাদের জন্য জুমা ত্যাগ করা বড়ই কষ্টের। এ সময় কথা উঠেছে ঘরে জুমা আদায়ের কোনো সুরত আছে কী না? কোরআন-হাদীস এ বিষয়ে কী বলে? হানাফি মাজহাবের ফিকহের কিতাবাদিতেও কোনো নির্দেশনা আছে কী না? ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মুফতিদের মাঝে এ নিয়ে দেখা দিয়েছে চরম মতানৈক্য।

আলেমদের মতানৈক্যে অধিক মনোযোগ না দিয়ে আমরা সরাসরি কোরআনুল কারীমে প্রবেশ করতে পারি। পাঠক আবারও সূরা জুমআর আয়াতটি মনোযোগ দিয়ে দেখুন। মূলত জুমা সংক্রান্ত সমস্ত হাদীস এ আয়াতেরই ব্যাখ্যা। জুমআর বিষয়ে ফিকহের সব মাসআলাও এ আয়াত থেকেই গবেষণা করে বের করা হয়েছে। আমরাও হোম কোয়ারেন্টিনের সময়ে কিছু কিছু আয়াত নিয়ে গবেষণা করতে পারি। নিজেদের উপলব্ধিকে আরও সমৃদ্ধ করতে পারি পবিত্র কুরআনের সংস্পর্শে থেকে।

ধর্ম
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg
আয়াতের সরল অর্থ আরেকবার বলছি, ‘জুমার দিন যখন তোমাদের জুমার জন্য ডাকা হয় তখন তোমরা সবাই জুমার নামাজের জন্য ধাবিত হও।’ আয়াতের এ অংশ থেকে আমরা বুঝতে পারি জুমার নামাজ গোপনে পড়া চলবে না। জুমার জন্য ডাকার কথা বলা হয়েছে। জুমার জন্য সম্মিলিতভাবে ক্রয়-বিক্রয় পরিত্যাগ করে যেতে বলা হয়েছে।

আরও

ইয়াতিমের হক আদায়ে ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইয়াতিমের হক আদায়ে ইসলামের কঠোর নির্দেশনা
এখান থেকেই হানাফি ফিকহে সাধারণ অনুমতির শর্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ এমন স্থানে জুমা হতে হবে যেখানে সর্বসাধারণের প্রবেশের অনুমতি রয়েছে। হাকডাক করে জুমা পড়তে হবে এভাবেও বলার চেষ্টা করছেন অনেকে।

অন্য ইমামরা বলছেন, কুরআনে যে শর্ত নেই এমন কোনো শর্ত করা ঠিক হবে না। তবু জুমা শব্দের অর্থই হচ্ছে জমায়েত। এ জমায়েতের অর্থ নির্ধারণে ফিকহবিদদের মাঝে মতানৈক্য। হানাফি ফিকহের কোথাও কোথাও ইজনে সুলতান বা রাষ্ট্রপ্রধানের অনুমতির কথাও রয়েছে। বিশেষত ইমাম মুহাম্মাদের কিতাবুল আসল-এ রয়েছে এ ধরনের বিধান।

পঞ্চম শতকের বিখ্যাত ফকীহ শামসুল আইম্মা হুলওয়ানি রহ. অবশ্য বলছেন, ইমাম মুহাম্মাদের সময়ে জুমার খতীব নিয়োগ দেয়া হতো রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ জন্য তখন শাসকের অনুমতির শর্ত করা হয়; তা না হলে জুমার নামাজের জন্য শাসকের অনুমতির কোনো শর্ত হানাফি মাজহাবেও নেই। [মুহিতে বুরহানি ২/১৮৯] ইমাম মালিক তো স্পষ্টই বলছেন জুমার নামাজ পবিত্র কোরআন নির্দেশিত, কাজেই কোনো শাসক থাক বা না থাক জুমা পড়তে হবে। [আহকামুল কুরআন ইবন আরাবি]

মালেকি মাজহাবে ছাদ বিশিষ্ট মসজিদ হওয়া শর্ত জুমা বৈধ হওয়ার জন্য। ইবন আরাবি ও ইবন রুশদ বলছেন, এ শর্তের স্বপক্ষে কোনোই দলিল প্রমাণ পাওয়া যাবে না। বিশেষত রাসূল সা. ইরশাদ করেছেন আমার জন্য পুরো পৃথিবীকেই মসজিদ বানিয়ে দেয়া হয়েছে। [বুখারী] কাজেই প্রতিটি ঘর রাসূল সা.এর ভাষ্যানুসারে প্রয়োজনে মসজিদ হতে পারে।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
জুমার জামাতে ক’জন অংশগ্রহণ করতে হবে? ইমাম আবু হানীফা রহ. সূরা জুমার এ আয়াত থেকে চারজন হওয়ার শর্ত বের করেছেন। কারণ কোরআনে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা বহুবচন শব্দ ব্যবহার করেছেন। ফাসআউ। তোমরা ধাবিত হও। আরবি বহু বচনের সর্বনিম্ন সংখ্যা তিন। সে হিসেবে তিনজন হওয়ার কথা। কিন্তু জুমার আজান দেয়ার কথা রয়েছে। তাহলে বোঝা গেল একজন আজান দিবে আর অন্তত তিনজন আজান শুনে জুমার নামাজ আদায় করতে আসবে। এভাবে চারজন হল। [জাসসাস প্রণীত আহকামুল কুরআন ৩/৩৭০]

একটা প্রশ্ন আমাদের থেকে যায়। রাসূল সা.-এর যুগে মদীনা মুনাওয়ারায় আরও বেশকিছু মসজিদ ছিল কিন্তু মসজিদে নববী ছাড়া আর কোথাও তখন জুমা কেন হতো না? জুমা যদি যে কোনো স্থানেই হতে পারে তাহলে কেবল মসজিদে নববীতেই কেন হতো? এর উত্তর খুবই সোজা। রাসূল সা.-এর যুগে সবাই চাইতেন নবীজীর সংস্পর্শে এসে ধন্য হতে। জুমার সময় সরাসরি নবীজীর মুখ থেকে খুতবা শুনতে চাইতেন তারা। রাসূল সা.-এর তিরোধানের পর এ জন্যই ধীরে ধীরে মদীনার অন্যান্য মসজিদে জুমা চালু হয়।

অবশ্য জুমার নামাজ ঈদের মতো একটি সাপ্তাহিক উৎসব। এর জন্য অধিক লোক সমাগম হওয়া এতে কাম্য। সে জন্যই ফিকহের কিতাবাদিতে এ মাসআলা লেখা হয়েছে যে, এক এলাকায় বিনা প্রয়োজনে একাধিক জুমা হতে পারবে না। তবে প্রয়োজন হলে একাধিক জুমা অবৈধ থাকে না। এ কথা প্রায় সব ফতোয়ার কিতাবেই রয়েছে।

করোনার দিনগুলোতে মসজিদসহ যে কোনো স্থানে লোক সমাগম নিষিদ্ধ। সে হিসেবে ছোট ছোট জুমার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য। এ প্রয়োজনের ভিত্তিতে মুফতীরা পারেন ঘরে ঘরে জুমার বৈধতার ফতোয়া দিতে। এটি নিঃসন্দেহে বিশেষ অবস্থার ফতোয়া হবে। সাধারণ অবস্থায় বিনা প্রয়োজনে ছোট ছোট জুমা হওয়া কাম্য নয়। সমাজের সব মানুষ সপ্তাহের একদিন একত্র হবে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতির পরিবেশ তৈরিতে সহায়ক হওয়ার পক্ষে জুমার নামাজ বড় ভূমিকা রাখে।

কিন্তু এখন ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার শঙ্কায় আমাদের সাবধান থাকতে হচ্ছে বড় জমায়েত থেকে। এ অবস্থায় জুমা কী একেবারে পরিত্যাজ্য থাকবে? অন্য শর্ত পাওয়া গেলে ছোট ছোট জামাতে জুমা আদায়ের মন্দ কোনো দিক নেই। একটি বিষয় ভেবে দেখুন, ইমাম আবু হানীফা রহ. তিন-চারজনে মিলে জুমার নামাজের মাসআলাটি কেন বললেন? এমন বিশেষ অবস্থার কথা চিন্তা করেই বলেছেন। হানাফি ফিকহের এটি এক সৌন্দর্য। ভবিষ্যতে কী ধরনের পরিস্থিতি আসতে পারে সেটি কল্পনা করে হানাফি ফিকহের ইমামরা কোরআন-হাদীস ঘেঁটে আগে থেকেই বহু মাসআলা আবিষ্কার করে গেছেন।

করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে সবখানে। সতর্কতার খাতিরে আমরা বাড়িতেই নামাজ পড়ব। মসজিদে যাব না পরবর্তী নির্দেশনা আসার আগ পর্যন্ত। জুমার নামাজেও ঘরেই থাকব। যারা পারি ঘরেই জুমা আদায়ের ব্যবস্থা করব।

জুমার জন্য যে সব শর্ত আছে তা কোনো ভালো আলেমের কাছ থেকে জেনে নিব। আর যারা জুমা পড়বেন না তাদের অবশ্যই চার রাকাত জোহর আদায় করতে হবে। তবে জুমা শেষ হওয়ার পর তারা যোহর আদায় করবেন। এলাকার মসজিদে জুমা শেষ হওয়ার পর ঘরে জোহর আদায়ের নিয়ম।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, ঘরের জোহর অবশ্যই একাকী পড়তে হবে। এ বিষয়ে হজরত আলি রা. থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা বর্ণিত হয়েছে। [যাইলাই, তাবইনুল হাকাইক] জুমার দিন ঘরে যারা জোহর পড়বেন তারা জামাত ছাড়া একাকী জোহর আদায় করা-ই উত্তম। [ খোলাসাতুল ফতোয়া ১/২১১] আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা আমাদের সবাইকে করোনার দিনগুলোয় বেশি বেশি ইবাদত করার তাওফিক দিন। পুরো সময় ঘরের ভেতর অবস্থানের তাওফিক দিন এবং সতর্ক ও সচেতনভাবে থাকার সুমতি দিন। আমীন

জনপ্রিয় সংবাদ

শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে সমাহিত হচ্ছেন ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা

শোকযাত্রা শেষে মাশহাদে সমাহিত হচ্ছেন ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক ঘাটতি নেই, বললেন প্রতিমন্ত্রী

শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক ঘাটতি নেই, বললেন প্রতিমন্ত্রী

রেফারিং বিতর্কে থানায় অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ চাইলেন নোয়াখালীর তরুণ

রেফারিং বিতর্কে থানায় অভিযোগ, ক্ষতিপূরণ চাইলেন নোয়াখালীর তরুণ

শিশু ইরা হত্যা মামলায় বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

শিশু ইরা হত্যা মামলায় বাবু শেখের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাড়ে ৯ লাখ মানুষ

চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যা ও পাহাড়ধসে প্রাণহানি বেড়ে ৩৯, ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় সাড়ে ৯ লাখ মানুষ

সর্বশেষ সংবাদ

মেসির সেরা ম্যাচের ভবিষ্যদ্বাণী, জয় নিয়ে নীরব জ্যোতিষী

মেসির সেরা ম্যাচের ভবিষ্যদ্বাণী, জয় নিয়ে নীরব জ্যোতিষী

পরীক্ষা শেষে সড়কে শিক্ষার্থীরা, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি

পরীক্ষা শেষে সড়কে শিক্ষার্থীরা, শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি

কুঞ্জবনের কাঁচা রাস্তা পাকাকরণে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও আল্টিমেটাম

কুঞ্জবনের কাঁচা রাস্তা পাকাকরণে গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও আল্টিমেটাম

ইরানে পুনরায় নৌ অবরোধ জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরানে পুনরায় নৌ অবরোধ জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

ধলাই নদীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর ভেসে উঠল মাসুক মিয়ার মরদেহ

ধলাই নদীতে নিখোঁজের ৪ দিন পর ভেসে উঠল মাসুক মিয়ার মরদেহ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ আমল, ইসলামের আলোকে করণীয় জানুন

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ আমল, ইসলামের আলোকে করণীয় জানুন

ইসলামে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদা রয়েছে। পবিত্র এই দিনটি মুসলমানদের জন্য রহমত, বরকত ও ক্ষমা লাভের অন্যতম সুযোগ। কোরআন ও হাদিসে জুমার দিনের বিভিন্ন আমলের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। বিশেষ করে জুমার নামাজ আদায়, বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ, দোয়া, তওবা, কোরআন তিলাওয়াত এবং সূরা কাহফ পাঠের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, জুমার দিনের

সংকটে মুমিনের শক্তি ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল

সংকটে মুমিনের শক্তি ধৈর্য ও তাওয়াক্কুল

জীবনের পথে মানুষকে নানা ধরনের পরীক্ষা ও সংকটের মুখোমুখি হতে হয়। কখনো অর্থনৈতিক কষ্ট, কখনো পারিবারিক সমস্যা, আবার কখনো অসুস্থতা বা মানসিক অস্থিরতা মানুষকে দুর্বল করে তোলে। ইসলাম শিক্ষা দেয়, এসব পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখাই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় শক্তি। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।" (সূরা আল-বাকারা: ১৫৩)

আশুরা ত্যাগ, সত্য ও তাকওয়ার শিক্ষা

আশুরা ত্যাগ, সত্য ও তাকওয়ার শিক্ষা

ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ, পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনটি শুধু ঐতিহাসিক নানা ঘটনার স্মৃতিবাহী নয়, বরং সত্য, ন্যায় ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের এক অনন্য শিক্ষা বহন করে। জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী এক বক্তব্যে বলেন, আশুরার রোজা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নফল ইবাদতের অন্যতম। রমজানের রোজা ফরজ

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়

এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায়

নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায় নিয়ে, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ঈমান শব্দের আভিধানিক অর্থ স্বীকার করা, স্বীকৃতি দেওয়া, অনুগত হওয়া মতান্তরে দৃঢ় বিশ্বাস করা। এটি কুফর বা

ইয়াতিমের হক আদায়ে ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইয়াতিমের হক আদায়ে ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইসলামে ইয়াতিমদের অধিকার সংরক্ষণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে ইয়াতিমদের প্রতি সদাচরণ, তাদের সম্পদের সুরক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ইয়াতিমদের হক আদায় অপরিহার্য। ধর্মীয় সূত্র মতে, ইয়াতিম হলো সেই শিশু, যার পিতা মৃত্যুবরণ করেছেন এবং সে এখনো প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি। ইসলাম ইয়াতিমদের