সোমবার, ১১ মে, ২০২৬২৮ বৈশাখ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

চাঁদে জমি বেচা-কেনা কি জায়েজ?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৮ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৩৯

শেয়ার করুনঃ
চাঁদে জমি বেচা-কেনা কি জায়েজ?

চাঁদে পৃথিবীর মানুষ অবতরণ করার দাবি— ওঠেছে বহু আগে। সম্প্রতি খুলনার এক ব্যক্তি বিবাহ বার্ষিকীতে স্ত্রীকে উপহার হিসেবে চাঁদে জমি কিনে দেওয়ার দাবি করেছেন। এমন  বিচিত্র এক খবরে হইচই পড়ে গিয়েছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। সংবাদমাধ্যও কোনো অংশে পিছিয়ে ছিল না। খবরটি রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। ওই ক্রেতার দেখাদেখি অনেকেই নিজের নামে কিংবা স্ত্রীর জন্য চাঁদে জমি কিনতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এতো আলোচনার ভিড়ে একটি প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই আসে— আর তা হলো- চাঁদে কি আসলেই জমি কেনা যায়, নাকি সবটাই মিথ্যা? আর কেনা গেলেও কি চাঁদে জমি কেনা জায়েজ?

বলার অপেক্ষা রাখে না যে, চাঁদ ও সূর্য মহান আল্লাহর নিদর্শন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আর তাঁর নিদর্শনাবলির মধ্যে আছে রাত ও দিন, সূর্য ও চাঁদ। তোমরা সূর্যকে সিজদা কোরো না, চাঁদকেও নয়—সিজদা করো আল্লাহকে, যিনি এগুলো সৃষ্টি করেছেন, যদি তোমরা শুধু তাঁর ইবাদত করে থাকো।’ (সুরা : হা-মিম সাজদা, আয়াত : ৩৭)

আরও

ধৈর্য ও আল্লাহর ভরসায় জীবনের সফলতা

ধৈর্য ও আল্লাহর ভরসায় জীবনের সফলতা

আদৌ চাঁদে জমি কেনা কি সম্ভব?

চাদের জমি কেনা যদি সম্ভব হয়, ইসলামের দৃষ্টিতে তা কি জায়েজ? এ প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে অনেকের মনেই। এ জন্য প্রথমে জানতে হবে, যারা চাঁদে জমি বিক্রি করছে, তারা কিসের ভিত্তিতে জমি বিক্রি করছে?

আরও

আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব

আবাসিক মহিলা মাদ্রাসায় পুরুষ শিক্ষক বিষয়ে মতামত ও প্রস্তাব

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01KQAG1VP3BB73V7HDE2DKRZ1X.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

স্নায়ুযুদ্ধের সময় মহাকাশ অভিযান শুরুর পর পরই মহাকাশের নানা বস্তুর মালিকানার বিষয়টি একটি ইস্যু হয়ে ওঠে। যখন নাসা তাদের প্রথম মনুষ্যবাহী মহাকাশযান চাঁদে পাঠানোর পরিকল্পনা গ্রহণ করে, তখন জাতিসংঘে ‘বহির্জগতের মহাকাশ চুক্তি’ বা ‘দ্য আউটার স্পেস ট্রিটি’ নামের একটি চুক্তিপত্র গ্রহণ করা হয়। ১৯৬৭ সালের সেই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাজ্য। সেখানে বলা হয়, পৃথিবীর বাইরের মহাশূন্যে, চাঁদ ও অন্য যেসব বস্তু আছে, সেখানে কোনো দেশ দখল বা অন্য কোনোভাবে নিজেদের সম্পত্তি বলে দাবি করতে পারবে না।

চাঁদের মালিকানা দাবি করতে পারা ও না পারা

কিন্তু এই চুক্তিতে একটা বড় ফাঁক থেকে যায়। সেখানে লেখা ছিল, কোনো রাষ্ট্র চাঁদের মালিকানা দাবি করতে পারবে না; কিন্তু কোথাও এটা বলা নেই যে কোনো সাধারণ মানুষ মালিকানা দাবি করতে পারবে কি না! এই অজুহাত কাজে লাগিয়ে ডেনিস হোপ নামক এক আমেরিকান চাঁদের জমির মালিকানা দাবি করে বসেন।

আমেরিকান আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি মালিকবিহীন সম্পদের মালিকানা দাবি করে, অন্য কোনো ব্যক্তি সে সম্পদে দাবি না রাখে এবং কোনো সরকারি কর্মকর্তার স্বাক্ষর করাতে পারে, তাহলে সে ওই সম্পদের মালিক হয়ে যাবে। হোপ অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে একটি ডকুমেন্ট তৈরি করেন এবং স্থানীয় মেয়রের অফিস থেকে তা স্বাক্ষর করিয়ে নেন। সেই স্বাক্ষরিত কাগজের দুটি কপি তিনি যথাক্রমে রাশিয়া ও জাতিসংঘে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু এই চিঠি কেউ না পড়ার ফলে আমেরিকার নিয়ম অনুযায়ী ডেনিস হোপ হয়ে যান চাঁদের মালিক। তাঁর ওয়েবসাইটে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এখন পর্যন্ত তাঁর কাছ থেকে সর্বমোট ৬১১ মিলিয়ন একর জমি মানুষ কিনেছে। কিন্তু বিষয়টি আসলে কী!

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

পুরোটাই সাজানো ও আলোচনায় আসার ফাঁদ

অনেকের দাবি, আসলে পুরোটাই তাঁর সাজানো। সাংবাদিকরা তাঁর কাছে চাঁদের দলিল দেখতে চাইলে তিনি নিজের বানানো একটি দলিল দেখান, যেখানে অনেক বানান ও ব্যাকরণগত ভুল আছে। আসল দলিল তিনি সুরক্ষিত রেখেছেন বলে দাবি করেন। তাঁর অঞ্চলের মেয়রের অফিসে জানতে চাওয়া হলে তারা এ সম্পর্কে কিছু জানে না বলে দাবি করেছেন। (সূত্র : shorturl.at/enBF7 ও shorturl.at/bqJX6)

বোঝা গেল, চাঁদের জমি ক্রয়-বিক্রয়ে প্রতারণার আশঙ্কা আছে। ইসলামের দৃষ্টিতে এ ধরনের প্রতারণামূলক ক্রয়-বিক্রয় জায়েজ নেই। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘প্রতারণামূলক ক্রয়-বিক্রয় করতে এবং কাঁকর নিক্ষেপে ক্রয়-বিক্রয় করতে রাসুল (সা.) নিষেধ করেছেন।’ (তিরমিজি, হাদিস : ১২৩০)

ইমাম শাফেয়ি (রহ.) বলেছেন, ‘প্রতারণামূলক ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে আছে পানির মধ্যের মাছ, পলাতক গোলাম, শূন্যে উড়ন্ত পাখি বা অনুরূপ পর্যায়ের কোনো কিছুর ক্রয়-বিক্রয়।’

প্রতারণামূলক ক্রয়-বিক্রয় ইসলামে জায়েজ নেই

ইসলামের দৃষ্টিতে এ ধরনের বেচাকেনাকে ‘বাই-বাতিল’ বলা হয়। যে ক্রয়-বিক্রয় মূলগত ও গুণগত উভয় দিক থেকে শুদ্ধ নয়, তাকে ‘বাই-বাতিল’ বলা হয়। ‘বাই-বাতিল’-এর মোট ছয়টি প্রকার আছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো—

এক. হস্তান্তর অযোগ্য বস্তু ক্রয়-বিক্রয় : যে পণ্য হস্তান্তর করা যায় না তার বিক্রি বাতিল বলে গণ্য হবে। যেমন—উড়ন্ত পাখি, পানির মাছ, ছিনতাইকৃত সম্পদ ও দখলহীন সম্পত্তি বিক্রি করা জায়েজ নয়। দুই. প্রতারণামূলক ক্রয়-বিক্রয় : বস্তুর গুণাগুণ গোপন করে প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কোনো বস্তু বিক্রয় করা বৈধ নয়।

বর্তমানে চাঁদে জমি বিক্রয়ের যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয় তাতে উপরোক্ত শর্তগুলো মেনে চাঁদের জমি হস্তান্তর করা সম্ভব নয়। ডেনিস হোপ কর্তৃক চাঁদের মালিকানা দাবি ও বিক্রয়ের ব্যাপারে প্রতারণার অভিযোগ আছে এবং প্রতারণার আশঙ্কা আছে। মানুষের জন্য চাঁদে যাতায়াত সহজ হয়নি যে— তারা চাঁদে গিয়ে তাদের ক্রয়কৃত জমি হস্তগত করে নেবে। অতএব এখনো ইসলামী আইন মেনে চাঁদে জমি কেনার পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। যদি কখনো ইসলামে ক্রয়-বিক্রয়ের সব শর্ত মেনে চাঁদের জমি হস্তান্তর করা ও হস্তগত করা সম্ভব হয়, মানুষের যাতায়াত সহজ হয়, সেখানে মানুষের অবস্থান করা সম্ভব হয়, তখন চাঁদের জমি ক্রয়-বিক্রয়ের জায়েজ কোনো পদ্ধতি বের করা সম্ভব হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা অপরিহার্য- এমপি আনোয়ারুল ইসলাম

শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলা অপরিহার্য- এমপি আনোয়ারুল ইসলাম

ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ববিতে বিক্ষোভ

ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে ববিতে বিক্ষোভ

শ্রীমঙ্গলে নারীর গলায় দা ঠেকিয়ে স্বর্ণালংকার ছিনতাই!

শ্রীমঙ্গলে নারীর গলায় দা ঠেকিয়ে স্বর্ণালংকার ছিনতাই!

ভবন নির্মাণে খালের নাব‍্যতা হারাতে বসেছে শত বছরের পুরনো খাল

ভবন নির্মাণে খালের নাব‍্যতা হারাতে বসেছে শত বছরের পুরনো খাল

সর্বশেষ সংবাদ

হামের ভয়াবহ থাবা, আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

হামের ভয়াবহ থাবা, আরও ১১ শিশুর মৃত্যু

যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিক যে জবাব দিল ইরান

যুক্তরাষ্ট্রের শান্তি প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিক যে জবাব দিল ইরান

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে আসছে নতুন পে-স্কেল

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটাতে আসছে নতুন পে-স্কেল

১৫১ কোটি ডলার পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারে

১৫১ কোটি ডলার পরিশোধের পরও রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলারে

মব সহিংসতা ঠেকাতে নতুন আইন হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মব সহিংসতা ঠেকাতে নতুন আইন হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পাপমুক্ত জীবনের জন্য ইসলামের বাস্তব নির্দেশনা

পাপমুক্ত জীবনের জন্য ইসলামের বাস্তব নির্দেশনা

মানুষ ভুল ও পাপের ঊর্ধ্বে নয়—এ কথাই স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে ইসলামে। তবে গুনাহ থেকে দূরে থাকা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইসলাম দিয়েছে সুস্পষ্ট জীবনব্যবস্থা। আলেমরা বলছেন, আত্মশুদ্ধি, তাকওয়া ও আল্লাহভীতি অর্জনের মাধ্যমেই একজন মুসলমান গুনাহ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারে। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, গুনাহ থেকে বাঁচার প্রথম শর্ত হলো আল্লাহর উপস্থিতির অনুভূতি হৃদয়ে জাগ্রত রাখা। পবিত্র কুরআনে বারবার তাকওয়া

নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব

নৈতিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শিক্ষার গুরুত্ব

মানবজীবন গঠনে ইসলামের নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পরিপূর্ণ জীবনব্যবস্থা হিসেবে ইসলাম মানুষকে নৈতিকতা, মানবতা ও শান্তির পথে পরিচালিত করে বলে মন্তব্য করেছেন বক্তারা। সম্প্রতি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় আলেম ও ইসলামী চিন্তাবিদরা বলেন, ইসলাম শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সুষম ও ন্যায়ভিত্তিক দিকনির্দেশনা প্রদান করে। বক্তারা জানান, পবিত্র কোরআন ও মহানবী হযরত

জুমার ফজিলত জানুন, বাড়ান ইবাদতের প্রতি আগ্রহ

জুমার ফজিলত জানুন, বাড়ান ইবাদতের প্রতি আগ্রহ

মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে বিবেচিত পবিত্র জুমার দিন। ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে এই দিনটি ইবাদত, দোয়া, ক্ষমা প্রার্থনা ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য সুযোগ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে জুমার দিনের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, সূর্য উদিত হওয়া দিনের মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। এই দিনে আদম (আ.) সৃষ্টি হয়েছেন, জান্নাতে প্রবেশ করেছেন

হতাশ নয়, বিপদে ধৈর্যের শিক্ষা দেয় ইসলাম

হতাশ নয়, বিপদে ধৈর্যের শিক্ষা দেয় ইসলাম

মানুষের জীবনে বিপদ-আপদ, দুঃখ-কষ্ট ও সংকট আসা স্বাভাবিক ঘটনা। ইসলাম ধর্মে এসব পরিস্থিতিতে হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ, আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখা এবং বেশি বেশি দোয়া করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, বিপদ মানুষের ঈমান, ধৈর্য ও আত্মবিশ্বাসের পরীক্ষা নেয় এবং এর মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর আরও নিকটবর্তী হওয়ার সুযোগ পায়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “নিশ্চয়ই কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে

ধৈর্য্যশীলদের জন্য ইসলামের বিশেষ সুসংবাদ ও নির্দেশনা

ধৈর্য্যশীলদের জন্য ইসলামের বিশেষ সুসংবাদ ও নির্দেশনা

মানবজীবনে সুখ-দুঃখ, পরীক্ষা ও সংকট অবিচ্ছেদ্য বাস্তবতা। ইসলাম ধর্মে এসব পরিস্থিতিতে ধৈর্য্য বা ‘সবর’ ধারণ করাকে একজন মুমিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গুণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। আলেমরা বলছেন, ধৈর্য্য শুধু কষ্ট সহ্য করার নাম নয়; বরং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে সঠিক পথে অটল থাকার নামই প্রকৃত ধৈর্য্য। ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে, পবিত্র কুরআনে বহু স্থানে ধৈর্য্যশীলদের জন্য সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে,