শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫১৫ ভাদ্র, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

রমজানে ইফতার ও সাহরিতে খেজুরের উপকারিতা

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৫ এপ্রিল ২০২১, ১০:০

শেয়ার করুনঃ
রমজানে ইফতার ও সাহরিতে খেজুরের উপকারিতা
ইসলাম
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

খেজুর শুধু সর্বোত্তম পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ফলই নয় বরং শারীরিক জটিল ও কঠিন রোগের প্রতিরোধক এবং প্রতিষেধকও বটে। আবার খেজুর দিয়ে সাহরি ও ইফতার করা বরকত ও কল্যাণের। খেজুর বিহীন বাড়ির পরিবার যেন ক্ষুধার্ত পরিবার। সব সময় খেজুর খাওয়ায় রয়েছে অনেক উপকারিতা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একাধিক বর্ণনায় খেজুরের অনেক গুণাগুণ ওঠে এসেছে।

কয়েকদিন পরেই শুরু হবে রহমত বরকত মাগফেরাত ও নাজাতের মাস রমজান। এ মাসের নির্ধারিত দুইটি সময়ে ইফতার ও সাহরি গ্রহণ করতে হয়। আর তাতে খাদ্য হিসেবে খেজুর বরকত ও কল্যাণের। এতে প্রত্যেক মুমিন মুসলমানের জন্য দ্বিগুণ বরকত ও কল্যাণ অর্জিত হয়। একটি সাহরি ও ইফতার গ্রহণ করা আর দ্বিতীয়টি হলো খেজুর দিয়ে সাহরি ও ইফতার গ্রহণ করা।

আরও

সংকটময় সময়ে ধৈর্য ও আল্লাহর উপর ভরসায় রয়েছে স্বস্তি

সংকটময় সময়ে ধৈর্য ও আল্লাহর উপর ভরসায় রয়েছে স্বস্তি

সাহরিতে খেজুর

সাহরি খাওয়া বরকতের। কিন্তু সাহরির নামে খাওয়া-দাওয়ার বিশাল আয়োজন কোনোভাবেই উচিত নয়। কেননা অতিরিক্ত খাবার গ্রহণে অলসতা তৈরি হয়। সাহরি রাতের শেষ প্রহরে খেতে হয়। হাদিসে এসেছে-

আরও

মাহে রবিউল আউয়াল: নবীর আগমন ও বরকতের মাস

মাহে রবিউল আউয়াল: নবীর আগমন ও বরকতের মাস

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মুমিনের শ্রেষ্ঠ সাহরি হলো খেজুর।’

হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘সাহরি খাওয়ায় বরকত আসে। সুতরাং তোমরা তা (সাহরি) খেতে ছেড়ো না; যদিও তোমরা তাতে এক ঢোক পানিও খাও। কেননা যারা সাহরি খায়, তাদের জন্য আল্লাহ রহমত বর্ষন করেন এবং ফেরেশতারা দোয়া করতে থাকেন।’ (মুসনাদে আহমাদ)

ইফতারে খেজুর

সূর্য ডোবার সঙ্গে সঙ্গে তাড়াতাড়ি ইফতার করা উত্তম। সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইফতার করার ফজিলতও বেশি। আর তা খেজুর দ্বারা করা সুন্নাত। খেজুর না পেলে সাদা পানি দ্বারা ইফতার শুরু করা। খেজুর দিয়ে ইফতার ও দ্রুত ইফতার করা প্রসঙ্গে হাদিসে এসেছে-

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কেউ ইফতার করে, সে যেন খেজুর দ্বারা ইফতার করে। কেননা তাতে বরকত (কল্যাণ) রয়েছে। আর যদি খেজুর পাওয়া না যায় তবে সে যেন পানি দ্বারা ইফতার করে। কেননা তা পবিত্রকারী। (তিরমিজি, আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ, দারেমি, মিশকাত)

সে কারণে সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতার করা উত্তম। খেজুর ও পানি দিয়ে ইফতারের রয়েছে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা। খেজুর এবং পানি দিয়ে ইফতার করার ফলে মানুষের শরীরে সুক্রোজ তৈরি হয়। আর তাতে অল্প সময়ের মধ্যেই তৃষ্ণা এবং শরীরের ক্লান্তি দূর হয়ে যায়।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খেজুর পানি দিয়ে ইফতার করেই যে দোয়া পড়তেন; তাতেও ইফতারের উপকারিতার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে ওঠে এসেছে-হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইফতার করতেন তখন বলতেন-

https://enews71.com/storage/ads/01JQ184AJV9F0T856X9BBSG85X.gif

ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَتِ الْعُرُوْقُ وَ ثَبَتَ الْأَجْرُ اِنْ شَاءَ اللهُ

উচ্চারণ : ‘জাহাবাজ জামাউ; ওয়াবতালাতিল উরুকু; ওয়া ছাবাতাল আঝরূ ইনশাআল্লাহ।’

অর্থ : ‘ (ইফতারের মাধ্যমে) পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপসিরা সিক্ত হলো এবং যদি আল্লাহ চান সাওয়াবও স্থির হলো ‘ (আবু দাউদ, মিশকাত)

হজরত সাহল ইবনে সাদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, মানুষ যতদিন পর্যন্ত তাড়াতাড়ি ইফতার করবে ততদিন কল্যাণের মধ্যে থাকবে। (বুখারি, মুসলিম)

হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যতদিন মানুষ তাড়াতাড়ি ইফতার করবে ততদিন দ্বীন ইসলাম বিজয়ী থাকবে। কেননা, ইয়াহুদি ও নাসারাদের অভ্যাস হলো ইফতার দেরিতে করা। (আবু দাউদ)

এ ছাড়াও খেজুরে রয়েছে অনেক উপকারিতা। বিশেষ করে আজওয়া খেজুরের রয়েছে আশ্চর্যজনক গুণাগুণ। নিয়মিত এ খেজুর খেলে জাদু ও বিষক্রিয়া থেকে মুক্ত থাকে মানুষ। হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ ঘোষণা দিয়েছেন-

হজরত সাদ ইবনে আবি ওক্কাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, বিষ ও জাদু তার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। (বুখারি ও মুসলিম)

এ কারণেই মানুষের জন্য খেজুর একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। নিয়মিত খেজুর খাওয়ার মাধ্যমে যেমন সুন্নাত আদায় হয় তেমনি শারীরিক বিভিন্ন চাহিদা পরিপূর্ণ হয়। মারাত্মক রোগ-ব্যধি, জাদু ও বিষক্রিয়া থেকেও মুক্ত থাকা যায়।

রমজানের ৩০ দিন ধারাবাহিক রোজা পালনের পরও খেজুর দ্বারা সাহরি ও ইফতার গ্রহণের ফলে মানুষ পায় শারীরিক শক্তি ও পুষ্টি। আত্ম-সংযম ও ইবাদত-বন্দেগিতে যোগ হয় নতুন মাত্রা। নতুন উদ্দম ও স্পৃহা। মনে হয় যেন, খেজুর খাওয়াও একটি ইবাদত।

মুমিন মুসলমানের উচিত, সামর্থ্য অনুযায়ী নিয়মিত খাদ্য তালিকায় খেজুর রাখা। বিশেষ করে রমজানের সাহরি ও ইফতারে খেজুর রাখা। খেজুর দিয়ে সাহরি ও ইফতার গ্রহণের ফলে রোজাদার পাবে সুস্থ দেহ ও সবল মন। অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন ঝরঝরে ও ফুরফুরে মেজাজে থাকবে মুমিন।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সামর্থ্য অনুযায়ী সাহরি ও ইফতারসহ সব সময় খাদ্য তালিকায় খেজুর রাখার তাওফিক দান করুন। সাহরি ও ইফতারের পরিপূর্ণ বরকত পাওয়ার তাওফিক দান করুন। শারীরিকভাবে সুস্থ ও সবল থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সর্বশেষ সংবাদ

সচিবালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি নুরের

সচিবালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি নুরের

হিলি স্থলবন্দরের ফোরলেন সড়ক নির্মাণে চার বছরের স্থবিরতা, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

হিলি স্থলবন্দরের ফোরলেন সড়ক নির্মাণে চার বছরের স্থবিরতা, বাড়ছে জনদুর্ভোগ

চা শ্রমিকদের ভাতা আত্মসাত, ইউপি সদস্য অভিযুক্ত

চা শ্রমিকদের ভাতা আত্মসাত, ইউপি সদস্য অভিযুক্ত

শাহরুখ-দীপিকার পণ্য প্রচারণা আইনি বিতর্কের কেন্দ্র

শাহরুখ-দীপিকার পণ্য প্রচারণা আইনি বিতর্কের কেন্দ্র

চট্টগ্রাম বন্দরে এক দিনে সর্বোচ্চ কনটেইনার হ্যান্ডলিং রেকর্ড

চট্টগ্রাম বন্দরে এক দিনে সর্বোচ্চ কনটেইনার হ্যান্ডলিং রেকর্ড

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী, দেশের রাজনীতিতে অম্লান পদচারণা

গৃহবধূ থেকে আপসহীন নেত্রী, দেশের রাজনীতিতে অম্লান পদচারণা

টেকনাফে লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মাছ ব্যবসায়ী উদ্ধার

টেকনাফে লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে মাছ ব্যবসায়ী উদ্ধার

৫৩ জেলা ও দায়রা জজের বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

৫৩ জেলা ও দায়রা জজের বদলি, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন

বলিউডে ফিরছে প্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি, সানি লিওনের জায়গায় তামান্না

বলিউডে ফিরছে প্রিয় হরর ফ্র্যাঞ্চাইজি, সানি লিওনের জায়গায় তামান্না

বরিশালে লিটু হত্যার মূল আসামি জাকির গাজী ঢাকায় গ্রেফতার

বরিশালে লিটু হত্যার মূল আসামি জাকির গাজী ঢাকায় গ্রেফতার

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

অর্থনৈতিক সঙ্কট ও ইসলামী সমাধান

অর্থনৈতিক সঙ্কট ও ইসলামী সমাধান

বর্তমান সময়ে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সঙ্কট গভীর আকার ধারণ করেছে। মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব এবং আর্থিক বৈষম্য মানুষের জীবনে নানা রকম চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। ইসলাম এই ধরনের সঙ্কট মোকাবিলায় একটি পূর্ণাঙ্গ দিকনির্দেশনা প্রদান করেছে, যা ব্যক্তি ও সমাজের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে। কুরআন ও হাদিসে অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার, সুদের নিষেধাজ্ঞা এবং সম্পদের সুষম বণ্টনের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইসলামে অর্থনৈতিক সঙ্কটের অন্যতম কারণ

কোরআন-হাদিসের আলোকে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের ফজিলত

কোরআন-হাদিসের আলোকে ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপনের ফজিলত

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া-সাল্লামকে কেন্দ্র করে মুসলিম উম্মাহর মধ্যে বহুদিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনা হয়ে আসছে। ইতিহাস ঘেঁটে দেখা যায়, প্রাচীন যুগের ইমাম, মুজতাহিদ এবং আলেমরা কোরআন, হাদিস, ইজমা ও কিয়াসের মাধ্যমে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন। তাঁদের মতে, প্রিয় নবীর জন্মদিনে আনন্দ উদযাপন করা শুধু বৈধই নয়, বরং এটি এক উত্তম আমল। কোরআনের সূরা ইউনুসের ৫৭-৫৮ নং আয়াতে আল্লাহ

দয়া ও মানবিকতা: রাসূলের (সা.) জীবন থেকে শিক্ষা

দয়া ও মানবিকতা: রাসূলের (সা.) জীবন থেকে শিক্ষা

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ছিল মানবিকতা, দয়া এবং ক্ষমাশীলতার সর্বোচ্চ উদাহরণ। তিনি এমন এক সমাজে জন্মেছিলেন যেখানে কঠোরতা, প্রতিশোধ এবং অমানবিক আচরণ ছিল নিত্যনৈমিত্তিক। তবু তিনি মানুষের প্রতি দয়া, অসহায়দের প্রতি সহানুভূতি এবং শত্রুর প্রতিও ক্ষমার মাধ্যমে পৃথিবীকে দেখিয়েছেন প্রকৃত মানবিকতার পথ। আল্লাহর কিতাব কুরআনে বারবার মানবিকতার শিক্ষা এসেছে, যেমন সূরা আনবিয়ায় বলা হয়েছে, “আমি আপনাকে পাঠিয়েছি বিশ্ববাসীর জন্য রহমতস্বরূপ।” রাসূলুল্লাহ (সা.)

কোরআন-হাদিসে মুমিনদের জন্য সুসংবাদ

কোরআন-হাদিসে মুমিনদের জন্য সুসংবাদ

আজকের দিনে বিশ্বজুড়ে নানা প্রতিযোগিতা, জয়-পরাজয়ের খবর শোনা যায়। তবে ইসলামের দৃষ্টিতে প্রকৃত বিজয় হলো আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করা এবং জান্নাতের অধিকারী হওয়া। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তা’আলা ঘোষণা করেছেন যে, যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে, তাদের জন্য জান্নাত সুসংবাদস্বরূপ নির্ধারিত। সূরা আহকাফে আল্লাহ বলেন, “যারা বলে, আমাদের পালনকর্তা আল্লাহ এবং এরপর সরল পথে অটল থাকে, তাদের কোন ভয় নেই এবং

মাহে রবিউল আউয়াল: নবীর আগমন ও বরকতের মাস

মাহে রবিউল আউয়াল: নবীর আগমন ও বরকতের মাস

মাহে রবিউল আউয়াল ইসলামী মাসগুলোর মধ্যে বিশেষ গুরুত্ব ও মহত্ত্বসম্পন্ন। এই মাসে সমগ্র জগতের জন্য রহমত হিসেবে শেষ নবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর আগমন আলোকিত মক্কার মরুপ্রান্তর ও চিরবাস্বর মদিনাতুল মুনাওয়ারাহের জন্য বিশেষ বরকত বয়ে এনেছে। কোরআনে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেছেন, রসূল (সা.) গোটা সৃষ্টি জগতের জন্য রহমত, যা তাঁর নবুয়তের মহত্ত্বকে প্রমাণ করে। রবিউল আউয়াল