
প্রকাশ: ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১:৫২
জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মজিবুর রহমান হাওলাদার বলেছেন, কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতসহ দক্ষিণা লের নদী-খাল ও জলাধার দখল দূষণ থেকে রক্ষা করতে হবে। কাউকে দখল করতে দেয়া হবে না। এ উপজেলায় সরকারের পায়রা বন্দরসহ কয়েকটি মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকান্ড চলছে। নদীর দুই পাড়ে কোন স্থাপনা থাকতে পারবে না। নদী পাড়ের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রক্ষা করতে হবে। কুয়াকাটা সৈকত, খাপড়াভাঙ্গা, সোনাতলা ও আন্ধারমানিক নদী পাড় পরিদর্শন শেষে সোমবার দুপুরে কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ দরবার হলে নদী রক্ষা কমিটির এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, নাদীপাড়ে কোথাও দখল করা ইটভাঁটা থাকতে পারবে না। নদীর পানির প্রবাহমান রাখতে প্রয়োজনে নদী খনন করতে হবে। নদীর পাশের প্লাবনভ‚মি আরও বাড়াতে হবে। এক শ’ বছর আগে নদীর অবস্থান কোথায় ছিল তা চিহ্নিত করতে হবে। সিএস পর্চা অনুসারে নদী, খাল, জলাধার রক্ষা করতে হবে। প্রয়োজনে আজ, এই মুহুর্ত থেকে নদী-খাল দখল থেকে উদ্ধার করতে হবে। এসময় তিনি বিআইডব্লিউটিএর জমিতে তোলা স্থাপনা অপসারনের নির্দেশসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সকল জমি উদ্ধারের নির্দেশ প্রদান করেন।
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রাকিবুল আহসান’র সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান, সহকারী কমিশনার (ভ‚মি) অনুপ দাশ, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন এর সার্বক্ষনিক সদস্য (ভূতপূর্ব অতিরিক্ত সচিব) আলাউদ্দিন, প্রেসক্লাব সভাপতি হুমায়ুন কবির, সাবেক সভাপতি মেজবাহ মাননু প্রমুখ। এসময় বক্তারা কলাপাড়া পৌরশহরের চিঙ্গুরিয়া খাল উদ্ধারে নদী কমিশনের চেয়ারম্যান’র আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব
