সভায় জানানো হয়, প্রবাসী কার্ড চালুর মূল লক্ষ্য হলো প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, ক্ষমতায়ন, আর্থিক প্রণোদনা প্রদান এবং ডুয়াল কারেন্সি কার্ডের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ও আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করা। এর আগে সরকারের উদ্যোগে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড ও ক্রীড়া কার্ড বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রবাসী কার্ডও সেই ধারাবাহিকতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
প্রবাসী কার্ডের মাধ্যমে অন্তত ১০টি বিশেষ সুবিধা পাবেন প্রবাসীরা। এর মধ্যে দেশে ও বিদেশে কমপ্লিমেন্টারি বিমানবন্দর লাউঞ্জ ব্যবহার, বিশেষ অভিবাসন বুথে দ্রুত সেবা, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কমপ্লিমেন্টারি মিট অ্যান্ড গ্রিট সুবিধা, বিমান টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে ছাড়, গাড়ি বুকিং এবং সিগনেচার কার্ডধারীদের জন্য বিমানবন্দর থেকে আনা-নেওয়ার সুবিধা থাকবে। এছাড়া সরকারি হাসপাতালে প্রবাসী সেবা বুথ, বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় ছাড়, মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিনা খরচে মরদেহ দেশে আনা, পুনর্বাসন ও বীমা সুবিধা, জমি নিবন্ধন, নামজারি, ইউটিলিটি সংযোগ, লাইসেন্স ও বৈদেশিক বিনিয়োগে অগ্রাধিকার, রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড পয়েন্ট, ঋণ সুবিধা এবং জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, কনস্যুলার ও ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা হবে।