রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া পাটুরিয়া নৌরুটে সাপ্তাহিক ছুটির দিনকে কেন্দ্র করে যাত্রী চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদ শেষে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চালের মানুষ ঈদের পরদিন হতেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্নস্থানে কর্মস্থলে ফিরছে।
এতে দৌলতদিয়া ঘাটে উভয়মুখী যাত্রী চাপ পরেছে। যাত্রীর চাপের সাথে ছোট ছোট গাড়ির ভিড় দেখা গেছে। কিন্তুু দৌলতদিয়া ঘাটে কোন প্রকার যানজট দেখা যাইনি।
করোনার কারণে সরকার ঘোষিত লকডাউনে দূরপাল্লার পরিবহন চলাচল না করায় ভেঙ্গে ভেঙ্গে বাড়তি ভাড়া দিয়ে ভোগান্তি নিয় গন্তব্যে পৌচাচ্ছে সাধারণ মানুষ। তাছাড়া লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় সকাল থেকে যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে ফেরিতে উঠছেন। যাত্রীর পাশাপাশি মোটরসাইকেল, প্রাইভেট কার সহ মাইক্রোবাস ছিলো চোখে পড়ার মত।
যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে এ রুটে বর্তমানে ১৬টি ফেরি চলছে বলে জানিয়েছে বিআইডাব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ।
করোনায় লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দৌলতদিয়া ঘাটে এসে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে মোটরসাইকেল, মাইক্রোবাস সহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র যানবাহনে। ভেঙ্গে ভেঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেতে যাত্রীদের বাড়তি ভাড়া গুনতে হচ্ছে।
মাগুরা থেকে মোটরসাইকেলে যোগে গাজীপুরের উদ্যেশে রওনা করা খাইরুল ইসলাম বলেন, ঈদের ছুটি শেষে এখন কর্মস্থালে যাচ্ছি। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় বিকল্প যানবাহনের কথা চিন্তা না করে নিজের মোটরসাইকেল নিয়েই গন্তব্যে যাচ্ছি। তাতে আমার বাড়তি খরচ, ভোগান্তিও কম হয়েছে।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. ফিরোজ শেখ বলেন, বর্তামানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ছোট-বড় মিলে ১৬টি ফেরি চালু রয়েছে। ঈদের ছুটি শেষে মানুষ শুক্রবার শেষবারের মতো ছুটছে। এরপর থেকে পরিস্থিতি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে যাবে। তখন হয়তো প্রয়োজন অনুসারে ফেরি চলবে।