
প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২১, ৫:৩২

অনলাইন পরীক্ষায় ধোঁকা দেওয়ার পদ্ধতি জানিয়ে ভিডিও তৈরি করে ভাইরাল করেছেন এক শিক্ষার্থী। ভারতের নাগপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই শিক্ষার্থীর এই ধরণের একাধিক ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ার পর তার বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (২৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা বিভাগ একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই অভিযোগের কথা জানায়।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও করোনা পরিস্থিতিতে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ। এই আবহে অনলাইনেই পড়াশোনা বা পরীক্ষা চলছে। অধুনা রাষ্ট্রসন্ত তুকাদোজি মহারাজ নাগপুর ইউনিভার্সিটি (আরটিএমএনইউ) নামে পরিচিত ওই বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রথম বার অনলাইনে পরীক্ষা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা ব্যবস্থা সংক্রান্ত সার্ভার হ্যাক করেছেন ওই শিক্ষার্থী।
অভিযুক্তের দাবি, এপ্রিলের গ্রীষ্মকালীন অনলাইন পরীক্ষায় নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে একটি স্ক্রিন রেকর্ডারের মাধ্যমে কাজ করেছে তাঁর কম্পিউটার, ভিডিওগুলিতে সেই পদ্ধতি দেখিয়েছেন তিনি।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

ইউটিউবার ওই শিক্ষার্থী জানান, কীভাবে একই প্রশ্ন একাধিক বার তাঁর কাছে এসেছে। যার জেরে তিনি কোনো উপায়ে অতিরিক্ত ৪ নম্বর পেয়েছেন। সেই সংগে পরীক্ষার সময় শেষ হয়ে আসার সময়ও কীভাবে টাইম ল্যাপস পদ্ধতিতে অতিরিক্ত ৫০ মিনিট নিয়েছেন তিনি। এসব কারিকুরি ভিডিওগুলিতে দেখিয়েছেন তিনি।
যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, এপ্রিলে যে অনলাইন পরীক্ষায় হ্যাকিংয়ের দাবি করেছেন ওই শিক্ষার্থী, তা 'মক টেস্ট' ছিলো।
নাগপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গত বছরের অক্টোবর-নভেম্বরের অনলাইন পরীক্ষাতেও একাধিক প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিয়েছিলো বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি, অনলাইন পরীক্ষার সময় একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার স্ক্রিন লক করে দেওয়া হয়। যাতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তাঁদের পরীক্ষা শেষ করতে হয়। তা ছাড়া, একটি অ্যাপের মাধ্যমেও নজরদারি চলে। তবে সে অ্যাপের নজরদারি এড়িয়ে কীভাবে সার্চ ইঞ্জিনে প্রশ্নপত্রের উত্তর পাওয়া যায়, ভাইরাল ভিডিওগুলিতে বহু পরীক্ষার্থীই তা জানতে চেয়েছেন।