
প্রকাশ: ২৪ জুন ২০২১, ২৩:১৩

বরিশাল বিভাগে বিগত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে ১২২ জন করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে বিভাগে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৬ হাজার ৬৭৩ জন। এই সময়ে উপসর্গ ও করেনায় আক্রান্ত হয়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। যারমধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল ও রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে উপসর্গ নিয়ে আরো ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এ নিয়ে করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯৯ জন বলে জানিয়েছে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকের দপ্তর। বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডাঃ বাসুদেব কুমার দাস জানান, মোট আক্রান্ত ১৬ হাজার ৬৭৩ জনের মধ্যে এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৪ হাজার ৬৯৮ জন।
বরিশাল জেলায় নতুন শনাক্ত ৩৬ জন নিয়ে মোট ৭ হাজার ৪৬২ জন, পটুয়াখালী জেলায় নতুন ৪ জন নিয়ে মোট ২৪০৪ জন, ভোলা জেলায় নতুন ৬ জন সহ মোট ২০১৪ জন, পিরোজপুর জেলায় নতুন ৫২ জন নিয়ে মোট ১৯৪৭ জন, বরগুনা জেলায় নতুন শনাক্ত না থাকায় মোট আ্ক্রান্ত ১৩৪৬ জন এবং ঝালকাঠি জেলায় নতুন ২৪ জন শনাক্ত হওয়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১৫০০ জন।
এদিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পরিচালকের তথ্য সংরক্ষক জে. খান স্বপন জানিয়েছেন, বিগত ২৪ ঘন্টায় (বৃহষ্পতিবার) সকাল পর্যন্ত শেবাচিমের করোনার আইসোলেশন ওয়ার্ডে মোট ১৫ জন এবং করোনা ওয়ার্ডে ৪ জন ভর্তি হয়েছেন। উপসর্গ নিয়ে আইসোলেশনে ভর্তি দুইজন এবং করোনা ওয়ার্ডে একচন মৃত্যুবরণ করেন।
করোনা ও আইসোলেশন ওয়ার্ডে এখন ৬৭ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। যাদের মধ্যে ২৫ জনের করোনা পজেটিভ এবং ৪২ জন আইসোলেশনে রয়েছে। আরটি পিসিআর ল্যাবে মোট ১৮৯ জন করোনা পরীক্ষা করান। যার মধ্যে পজেটিভ শনাক্তের হার ৪৪.৪৪ শতাংশ।

উল্লেখ্য বরিশাল বিভাগে সর্বপ্রথম ২০২০ সালের ৯ মার্চ পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলায় করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়।
এদিকে মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধে স্বাস্থবিধি মেনে মাস্ক পরিধানে উদ্ধুদ্ধ করতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক মোঃ জাকির হোসেন মজুমদারের নেতৃত্বে গনসচেতনতামূলক প্রচারনা চালানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) বেলা ১২ টায় নগরীর ব্যাস্ততম এলাকা আমতলার মোড়ে বিভিন্ন যানবাহনের চালক, শ্রমিক, যাত্রি, পথচারী ও সাধারন মানুষের মাঝে এ প্রচারনা চালানো হয়।
এ সময় উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক মোঃ জাকির হোসেন মজুমদার বলেন, মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমন প্রতিরোধে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরার বিকল্প নেই। সবাই সচেতন হয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে নিজে বাচুন, পরিবারকে বাচান।
তিনি বলেন, বিএমপি ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে পথচারী, শ্রমিক, বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও যাত্রীদের মাঝে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, লিফলেট বিতরণ করা হয়। এ সময় তিনি আরও বলেন, গন পরিবহনে অতিরিক্ত যাত্রী বহনে বিধি নিষেধ আরোপ করা হয়েছে।