
প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২১, ১:৩৫

কুষ্টিয়ার অনেকে খামারি বাড়ি থেকেই গরু বিক্রির প্রতি আগ্রহী হয়েছেন। কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে ক্ষুদ্র খামারিদের অনেকেই ইতোমধ্যেই তাদের গরু বিক্রি করে দিয়েছেন। এতে তারা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানায়, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া জেলার ৬টি উপজেলায় প্রায় ১৭ হাজারের বেশি খামারে এক লাখ পঞ্চাশ হাজারের বেশি গরু মোটাতাজাকরণ করা হয়।
এছাড়া জেলা জুড়ে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে রয়েছে আরও দেড় লাখের বেশি গরু। পাশাপাশি রয়েছে প্রায় দেড় লাখ ছাগল।

কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, এবার আগেই বাড়ি ও হাট মিলিয়ে ৩০ ভাগ পশু বিক্রি হয়ে গেছে। ঈদের আগেও আরো অনেক পশু এভাবে বিক্রি হবে। এ ব্যাপারে খামারিদের সহযোগিতা করা হচ্ছে। হাট খুলেছে। সবাইকে সতর্ক হয়ে হাটে যাওয়ার ব্যাপারে প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
কুষ্টিয়ার এক খামারি জানান, এবার অনেকেই বিধিনিষেধের কারণে পশু বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় ছিলেন। এ জন্য তারা বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই বাড়িতে বসে পশু বিক্রির ওপর জোর দেন। সরকার হাট বসানোর সিদ্ধান্ত দেওয়ায় খামারিরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, হাটে অবশ্যই সরকারি নির্দেশনা মানতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারি নির্দেশনা না মানলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এবং জেলার খামারিদের নানাভাবে সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।