রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বাসন্তী আগমনে আম গাছে ঝাঁকে ঝাঁকে ফুটেছে আমের মুকুল। গ্রাম বাংলার প্রকৃতি সেজেছে নবরূপে। গ্রামের পর গ্রামে আম বাগানে হলুদ মুকুলে এক মনোরম দৃশ্যের সৃষ্টি হয়েছে।
উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি আমগাছে এসেছে মুকুল। বাতাসে আমের মুকুলের হালকা ঘ্রাণে ভরে উঠেছে এলাকার চারপাশ। চারপাশে তাকালেই সকালের রোদ আর সন্ধ্যার পূর্ব মুহূর্তের মৃদু বাতাসে দুলছে আমের মুকুল। এদিকে আমের মুকুলের ঘ্রাণে মৌমাছির আনাগোনায় প্রকৃতি যেনো নতুন করে প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
আম গাছের মালিকরা জানান, এবছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে গাছে মুকুল ভালো এসেছে। মুকুলে আমের গুটি না আসা পর্যন্ত আবহাওয়া যদি অনুকূলে থাকে এবং অতিরিক্ত ঝড়-বৃষ্টি বা শিলাবৃষ্টি না হয় তাহলে ফলন ভালো হওয়ার আশা করছেন তারা।
ইতি মধ্যে অনেক বাগান মালিক গাছের পরিচর্যা ও রোগবালাই দমনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন।
আম চাষিরা বলছেন, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবার মুকুলের পরিমাণ বেশি। সঠিক যত্ন নিতে পারলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবছর আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।
আমের মুকুলে ছেয়ে যাওয়া গোয়ালন্দের গ্রামাঞ্চল এখন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে পরিনিত হয়েছে। এতে করে আম চাষীদের মুখে যেমন হাসি ফুটেছে, তেমনি সাধারণ মানুষের মনেও বইছে বসন্তের সুবাতাস।
গোয়ালন্দ কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবছর এ উপজেলায় লক্ষ মাত্রার চেয়ে বেশি গাছে আমের মুকুল এসেছে। উপজেলায় ৮ হেক্টর জমিতে আমের বাগান করা হয়েছে। তারা আরো বলেন, কোনো রকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে পর্যাপ্ত পরিমাণে আম পাওয়া যাবে বলে আশা করছি।