স্থানীয়রা জানান, অভিযুক্ত শরিফুল ইসলাম ও ভিকটিম তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী একই এলাকার বাসীন্দা। তৃতীয় শ্রেণীর শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগে স্থানীয়ভাবে গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিদের নিয়ে ২বার শালিস হয় এবং শিশু শিক্ষার্থীকে আর কোনো ধরনের বিরক্ত করবেনা ও এলাকায় থাকবেনা বলে মুচলেকায় স্বাক্ষর দেয় শরিফুল। কিন্তু আবার আজকে প্রাইভেট যাওয়ার সময় শিশু শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানি ও কুপ্রস্তাব দিলে শিক্ষার্থী বাসায় গিয়ে তার পরিবারের লোকজনকে বললে তার পরিবারের লোকজন সহ আমরা শরিফুলকে আটক করে পুলিশের হাতে সোপর্দ করি।
শিক্ষার্থীর বাবা হুমায়ুন বলেন, আমার মেয়ে আজকে প্রাইভেটে যাচ্ছিল। তখন শরিফুল তাকে আটকিয়ে তার শ্লীলতাহানি করে, কুপ্রস্তাব দেয় এবং সে কাউকে বললে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। আমার মেয়ে তখন ভয়ে প্রাইভেটে না গিয়ে বাড়িতে আসে কাঁদতে কাঁদতে আমাকে বললে আমিসহ এলাকাবাসীর লোকজনকে নিয়ে তাকে আটক করে ৯৯৯ কল দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করি। আমি শরিফুল কুলাঙ্গারের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবী করছি।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার বলেন, আটককৃত শরিফুল ইসলাম (৫৫) বর্তমানে বালিয়াডাঙ্গী থানা হেফাজতে রয়েছেন এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।