
প্রকাশ: ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩, ১:৩২

কুমিল্লা -৩ (মুরাদনগর) আসনে নিজ নিজ এলাকায় ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, পথসভা ও লিফলেট বিতরণসহ নানা প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রধান দুই প্রার্থী ‘নৌকা’ প্রতীকের ইউছুফ আব্দুল্লাহ হারুন এমপি এবং ‘ঈগল’ প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব জাহাঙ্গীর আলম সরকার।
তবে আচরণবিধির তোয়াক্কা করে স্থানীয় কিছু জনপ্রতিনিধি নিয়ে নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের অনুষ্ঠানে নগদ অর্থ প্রদানসহ দান অনুদান নিয়ে নৌকার প্রার্থী ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন এমপি অভিযোগের বোঝা মাথায় নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন। তাছাড়া নৌকার সমর্থকরা স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের ওপর হামলা ও হুমকির অভিযোগও রয়েছে অব্যাহত। ফলে অনেক উত্তাপ নিয়ে জমে উঠেছে এলাকার ভোটের মাঠ।
এদিকে গতকাল রোববার সকাল থেকে কুমিল্লা-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম সরকার উপজেলার বাখরনগর, রহিমপুর, যাত্রাপুর, মোচাগাড়া, থোল্লা, পৈয়াপাথর ও গুঞ্জর এলাকায় গণসংযোগ চালান। এ সময় তিনি তার সমর্থকদের ওপর হামলা ও ভোটারদের মাঝে নগদ টাকা বিতরন করে নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগ করেন। নৌকার প্রার্থী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে।

এ আসনে ইউসুফ আবদুল্লাহ হারুন ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০১৮ সালে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি ২০১৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে একবার এবং ২০১৮ সালে আওয়ামীলীগের হয়ে আরো একবার বিজয়ী হন।

অপরদিকে জাহাঙ্গীর আলম সরকার ১৯৯১ সালে (মুরাদনগর) এ আসনে এবং ১৯৯৬, ২০০১ হোমনা-তিতাস আসনে এবং (২০০৭ সালের ২২ জানুয়ারীর ঘোষিত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলেও ওয়ান ইলিভেন আসায় ওই নির্বাচনটি আর হয়নি)। পরে ২০০৮ ও ২০১৪ সালে আবারো মুরাদনগর থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পান। তবে ২০১৪ সালে মুরাদনগর আসনটি জাতীয় পার্টিকে ছেড়ে দেয়ার কারনে দলের হাইকমান্ডের নির্দেশে জাহাঙ্গীর আলম সরকার সে সময় প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেয়।
কুমিল্লা-৩ মুরাদনগরে এবার মোট ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। উপজেলার ২২ টি ইউনিয়নের ১৯৮টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার রয়েছে ৪ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৯ জন। পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৫০ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২৩ হাজার ৪৩৬ জন। তন্মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের (হিজড়া) ভোটার রয়েছে ৩ জন।