
প্রকাশ: ৫ নভেম্বর ২০২২, ১:৩৮

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার একটি বুধহাটা ইউনিয়ন।শুধুই ইউনিয়ন নয় একটি মোকাম।খুচরা ও পাইকারি ব্যবসা কেন্দ্র। এক কথায় সাতক্ষীরার অর্থনৈতিক রাজধানি। সড়ক ও নৌপথের সাঙ্গে যোগাযোগ অনেক সহজতর হওয়ায় অনেকে বুধহাটাকে পল্লী বন্দর উপাধি দিয়েছে।
বেত্রবতী নদীর তীরে এই প¬ল্লীবন্দর বুধহাটা অবস্থিত।সীমান্তবর্ত্তী জেলা শহর সাতক্ষীরা থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। এর দক্ষিনে ধুলিহর ইউনিয়ন,উত্তরে আশাশুনি সদর, পূর্বে কুল্যা,পশ্চিমে ফিংড়ী ইউনিয়ন। ৮.২৮৫ একর আয়তনে ২২ টি গ্রামকাটি, হাজীডাঙ্গা, পাইথলী, গুড়গুড়ি, মার্দ্রা, চাপড়া, বাউশুলি, বৈউলা, শ্বেতপুর, নওয়াপাড়া, মহেশ্বরকাটি বুধহাটা, চুমুরিয়া, কুন্দুড়িয়া, চিলেডাঙ্গা, নারায়নপুর, ঝাটিকাটা, লম্বাডাঙ্গা, রামদেবকাঠি, পদ্মবেউলা জুড়ে হিন্দু ও মুসলমানের বসবাস।
মসজিদ ও মন্দির প্রায় পাশাপাশি অবস্থিত॥ মসজিদে আযান আর মন্দিরে ঘন্টা এ’দুটো খুব কাছাকাছি। কোন বিরোধ নেই,সংঘাত নেই এই দুটি সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে।নিশ্চিন্তে নির্বিঘেœ দিন কাটাচ্ছে এখানকার নারী পুরষ।চলতি বছরের লোষহর্ষক ঘটনার খবর পায়নি থানা পুলিশ।ডাকাতি হয়নি কিন্তু ছোট খাট চুরি হয়।
ব্যবসার প্রানকেদ্্র বুধহাটার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক পরিস্থিতি নিয়ে এ প্রতিনিধির সাথে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাহাবুল হক ডাবলুর এর সাথে কথা হয়।তিনি বলেন রাজনৈতিক ভাবে আওয়ামীলীগ রাজনিতীর সাথে জড়িত।রাজনৈতিক সম্পর্কে তিনি জানান,রাজনৈতিক ভাবে আওয়ামিলীগ সাংগাঠনিক ভাবে শক্তিশালী।বিএনপি,জাতীয়পার্টি সাংগাঠনিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেণ ।নেতাদের মধ্যে কাদা ছুড়াছুড়ি নেই।কৃষির উপর শতকরা ৮০ ভাগ মানুষ নির্ভর করে।আমন ও ইরি মৌসুমে দিন মজুর ধান চাষ এবং বাকি সময় টুকু ঠেলাগাড়ি, ভ্যান, মটর সাইকেল চালিয়ে জীবন জীবিকা নির্বাহ করে॥
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

ঘরের চাউনি, টালি, মাটিরহাঁড়ি, রসেরটিলে তেরী করে চলে কুমার পরিবারের জীবন। জেলে সমম্প্রদায়ের মানুষ নদী ও গভীর অরন্যে মাছ শিকার করে।কিছু শিক্ষিত মানুষ চাকরি করে।কিছু মানুষ বুধহাটা ও মহেশ্বরকাটি মোকামে পাইকারি ও খুচরা ব্যাবসার সাথে জড়িত।বাকী মানুষ প্রত্যক্ষ ভাবে অন্য কর্মের উপরে নির্ভর শীল।তিনি বলেন, বুধহাটা বাজার সিসি ক্যামেরার আওতায়,পয়নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন ব্যবস্থা চালু করবো,অচিরেই বাজারটিতে সৌর বিদ্যুতের ব্যবস্থা করবো।বাজারটি কে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছি।জলবদ্ধতা দূরিকরনের জন্য রাস্তার পাশ দিয়ে ড্রেনের ব্যবস্থা করবো।
এলাকার কযেক জন বিদ্যুৎসাহী জানান,শিক্ষিতের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।বর্তমানে এখানে শিক্ষা প্রতিষ্টানের মধ্যে দুইটি মাধ্যমিক বিদ্যলয়,একটি নিম্নমাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়,একটি মহিলা উচ্চমাধ্যমিক কলেজ ও একটি উচ্চমাধ্যমিক কলেজিয়েট স্কুল ,তিন টি মাদ্রসা,১৮টি প্রথামিক বিদ্যলয়,গোটাদশেক মক্তব রযেছে ।
এলাকায় আর্সেনিক যুক্ত পানির সমস্যা,বিশুদ্ধ খাবার পানির সমাস্য রয়েছে। গ্রামের মানুষ যাতে করে বিশুদ্ধ পানি পায় তার জন্য সরকারি ভাবে ওয়াটার প্যাল্ট নির্মানের পরিকল্পনা রয়েছে।এলাকার মানুষের মধ্যে সচেতনাতা বৃদ্ধি পাওযায় স্বাস্থ্য সম্মত পায়খানা ব্যবহার করছে॥ আর এ সাফল্যের দাবিদার সরকারি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কর্মী ও এ.জি.ও কর্মৗদের। ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাহাবুল হক ডাবলুর দাবি, সরকার, সাংবাদিক, এনজিও, রাজনেতিক দলের নেতাকর্মী, স্থানীয় উন্নয়ন কর্মীসহ সর্বস্তরের নারী পুরুষের সহোযোগিতা পেলে বুধহাটা কে একটি আর্দশ ইউনিয়ন হিসাবে উপহার দিতে পারবেন।