
প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২২, ০:৩৬

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় কসাইদের বিরুদ্ধে মাংসে ভেজাল, রোগাক্রান্ত কিংবা মরা গরুর মাংস বিক্রির অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে ক্রেতাদের। সম্প্রতি উপজেলার নওদাপাড়ার বকুল হোসেন নামক এক কসাইকে পশু জবাই ও মাংসের মান নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১১ এর ২৫ এর (১) ধারা অনুযায়ী জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুনভাবে আলোচনায় আসে এসব বিষয়।
উপজেলা সভাকক্ষে গাংনী উপজেলা প্রশাসনের নভেম্বর মাসের মাসিক সমন্বয় সভায় কসাইদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, মাংস ভেজাল, রোগাক্রান্ত ও মরা গরুর মাংস বিক্রির বিষয়ে গুরুত্বের সাথে আলোচনা করা হয়েছে বলে জানান গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মৌসুমি খানম।

তিনি বলেন, 'গাংনী উপজেলায় বেশ কিছু নতুন নীতিমালা নিয়ে আসা হচ্ছে। নতুন নীতিমালায় প্রত্যেকটি ইউনিয়নে যে কয়জন কসাই থাকবে তাদের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছে থেকে অনুমোদন (ট্রেড লাইসেন্স) নিতে। চেয়ারম্যানের দেওয়া অনুমোদনের বাইরে যারা থাকবে তাদের কসাই হিসেবে গ্রহণ করা হবে না। এবং প্রত্যেক ইউপি চেয়ারম্যানকে বলে দেয়া হয়েছে উনারা মাইকিং (প্রচার) করবে যাতে রাতের বেলায় কোন গরু জবাই না হয়।'
গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরো বলেন, 'যে কসাইরা পশু জবাই করবে তাদেরকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বিষয়টি অবগত করে জনপ্রতিনিধিদের সামনে পশু জবাই করতে হবে। গভীর রাতে নিজের মতো করে পশু জবাই করা যাবে না। দিনে দেখাবে বিশাল গরু আর রাতে মরা গরু জবাই করে খাওয়াবে, এটা আমরা হতে দেবোনা। কসাইদের রাতের কারসাজি বন্ধ করতে হবে। যেখানে যেখানে অনিয়ম রয়েছে সেখানে সেখানে অনিয়ম গুলো জনগণের জন্য বন্ধ করতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করব।'