
প্রকাশ: ৪ নভেম্বর ২০২২, ২১:৪৮

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে সেদ্ধ ও আতপ চাল আমদানি হলেও বাজারে কমছে না চালের দাম। চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ৪ থেকে ৫ টাকা। আর এতে চরম বিপাকে পড়েছে মধ্যোবিত্ত ও নিন্ম আয়ের মানুষ। আর বন্দরের আমদানিকারকরা জানান, ডলার সঙ্কটের কারণে আমদানিকারকেরা চাল আমদানি কম করছেন । তাই বাজারে কমছে না চালের দাম।
বৃহস্পতিবার দুপুরে চালের আড়ৎগুলো ঘুরে এবং আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। হিলি বন্দরের চাল আমদানিকারক অভিষেক এন্টার প্রাইজের মালিক অভিষেক আগারওয়ালা জানান, ব্যাংকগুলো এলসি সীমিত করায় চাল আমদানি কমিয়ে দিয়েছেনে আমদানিকারকরা। বুধবার স্বর্ণা- ৫ জাতের সেদ্ধ চাল ৪৮ থেকে ৪৯ টাকা বিক্রি করেছি। আর বৃহস্পতিবার বিক্রি করছি ৫০ থেকে ৫২ টাকা কেজি দরে। সঙ্গে বেড়েছে পরিবহন খরচও । আর এর প্রভাব পড়ছে চালের বাজারে।
বন্দরের চাল আমদানিকারক মেসার্স জয়নাল আবেদীনের প্রতিনিধি গোলাম রব্বানী জানান, তারা সেদ্ধ চালের পাশাপাশি আতপ চালও আমদানি করেন। ব্যাংকগুলো ভারত থেকে চাল আমদানিতে নিরুৎসাহিত করায় চাল আমদানি কমে দিয়েছি। আর চাল আমদানি কমে যাওয়ায় বাজারে চালের দাম বেড়েছে বলে মনে করছি। তবে বন্দর দিয়ে আগের তুলনায় চাল আমদানি কিছুটা কমে গেছে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও আতপ চাল মুলত চলে চট্রগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে। সেই আতপ চালের দামও বেড়েছে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা । গতকাল বুধবার প্রতিকেজি আতপ চাল ৩৮ থেকে ৩৯ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। আর আজ বৃহস্পতিবার বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪১ টাকা কেজি দরে। হিলি বাজারের খুচরা চাল বিক্রেতা অনুপ কুমার বসাক বলেন , হিলি বন্দর দিয়ে চাল কম আমদানি হচ্ছে। তাই প্রতিটি চালের দাম কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। আমরা বন্দর থেকে চাল কিনে ১ থেকে ২ টাকা লাভ রেখে বিক্রি করে থাকি।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
এদিকে হিলি কাস্টমস সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের বন্দর বিষয়ক সম্পাদক ও আমদানিকারক রবিউল ইসলাম জানান, ভারত থেকে চাল আমদানি কমে যাওয়ায় চালের দামের কিছুটা বেড়েছে। বুধবার স্বম্পা কাটারি চাল প্রতিকেজি ৬৪ টাকা দরে বিক্রি হলেও আজ বৃহস্পতিবার বিক্রি হচ্ছে ৬৭ টাকা কেজি দরে। হিলি কাস্টমস সুত্রে জানা যায়, বুধবার হিলি বন্দর দিয়ে ৭ টি ভারতীয় ট্রাকে ৩১৭ মেট্রিক টন আতপ চাল ও ৬ টি ভারতীয় ট্রাকে ২৯০ মেট্রিক টন সেদ্ধ চাল আমদানি হয়েছে।