
প্রকাশ: ২৬ মে ২০২২, ১৬:৫৫

সারা বিশ্বে দ্রব্যমুল্য ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও সরকার তা নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি দেশে খাদ্যপণ্য ব্যাপকহারে উৎপাদনের জন্য নানান পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।
বুধবার (২৫ মে) রাজধানীর মিরপুর ক্যান্টমেন্টে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেসনাল (বিইউপি)’র উদ্যোগে আয়োজিত অ্যানভায়রনমেন্টাল ফেস্ট ২০২২’র ‘লিভ্যাবিলিটি অ্যান্ড দ্য রোল অব লোকাল গভর্নমেন্ট. বাংলাদেশ পারসপেকটিভ’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তাজুল ইসলাম বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বৃদ্ধি এবং দেশীয় খাদ্য পণ্য উৎপাদনে সরকার আগে থেকেই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ায় আমরা করোনা সংকট মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি।
পর্যায়ক্রমে সকল সিটি করপোরেশন এবং শহরাঞ্চলে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, গৃহস্থালি ও শিল্প বর্জ্যের পাশাপাশি নির্মাণ বর্জ্যও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মধ্যে আনতে সরকার কাজ করছে। ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনসহ গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম শেষ পর্যায়ে রয়েছে। পৌরসভাগুলোতেও ছোট প্লান্টের মাধ্যমে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ চলমান রয়েছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের বর্জ্য যেমন একটি সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মধ্যে আসবে, একইভাবে পরিবেশ দূষণের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।

তাজুল ইসলাম বলেন, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভোগের পরিমাণ বেড়ে গেছে।ফলে অতীতের তুলনায় বর্তমানে প্রচুর পরিমাণ বর্জ্য উৎপাদন হচ্ছে। আগে যেকোনো পণ্য কেনার সময় একটি ব্যাগের মধ্যেই সবকিছু নেওয়া হতো। কিন্তু এখন প্রত্যেকটি জিনিসের জন্য আলাদা আলাদা ব্যাগ দেওয়া হয়। এতে গৃহস্থালিসহ অন্যান্য বর্জ্য উৎপাদন বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ পরিবেশ দূষণ। আর এই পরিবেশ দূষণে উন্নত দেশের তুলনায় বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রভাব অনেক কম। এসব দেশের তুলনায় উন্নত দেশগুলো পরিবেশ দূষণের জন্য বেশি দায়ী। পৃথিবীকে বাঁচাতে হলে পরিবেশ দূষণ বন্ধ করতে হবে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি