
প্রকাশ: ২২ মে ২০২২, ১৭:৩১

বরিশালের হিজলা উপজেলার কোল ঘেঁষে বয়ে যাওয়া রাক্ষসী মেঘনা নদীর তীব্র ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে একের পর এক স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার। এতে যেমন সরকারের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে পাশাপাশি ব্যহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। নদী ভাঙন হিজলার দীর্ঘ বছরের প্রাকৃতিক সমস্যা হলেও ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের কোনো ব্যবস্থা হয়নি আজও। একটা সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো নদীর পাড় থেকে অনেক অনেক মাইল দূরে ছিলো।
কিন্তু মেঘনার তীব্র ভাঙনের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো নদীর তীরবর্তী হয়ে গেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কথা মাথায় রেখে সরকার বহু টাকা ব্যয় করে স্কুল কাম সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করেছেন। ভাঙনের কারণে সেই ভবন গুলো নামে মাত্র টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি হয়। উপজেলা শিক্ষা অফিসার আঃ গাফফার জানান, গত এক বছরে বাতুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনটিই নদীগর্ভে চলে যায়। এছাড়া হোগলটুলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চর আবুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পুরাতন হিজলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মধ্য বাউশিয়া সরকারি প্রাথমিক গুলোর সাইক্লোন শেল্টার ভবনের টেন্ডারের প্রক্রিয়ার সম্পন্ন হয়েছিলো।

এবছর উপজেলা লাগোয়া দক্ষিণ বাউশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যায়টিও নদীগর্ভে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। বিদ্যালয় এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার বকুল চন্দ্র কবিরাজ। ভবনটির টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। বাউশিয়া থেকে হরিনাথপুর পর্যন্ত স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ না হলে এই বিদ্যালয়টি নদীগর্ভে যাওয়ার পরেই হুমকির মুখে পড়বে উপজেলা সদর টি,টি এন্ড ডিসি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বিসিডি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সহ উপজেলা পরিষদ।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
এছাড়াও হুমকির সম্মুখীন হবে দক্ষিণ-পশ্চিম বাউশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সাথে বাহেরচর মাদ্রাসা, চর বাউশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,পাড়েক হাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাইচমা বি এল মাধ্যমিক বিদ্যালয়, মহিষখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বদরটুনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ধূলখোলা ইউনিয়নের পি এন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আশিঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলিগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয়দের দাবি স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ হলে রক্ষা হবে এলাকা আর তাতে রক্ষা পাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো।