
প্রকাশ: ৫ এপ্রিল ২০২২, ১৯:৩৮

সব ধরনের শাক-সবজি উৎপাদনে সক্ষম মেহেরপুর জেলায় শাক-সবজির বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হওয়ায় বিপাকে ক্রেতারা। পবিত্র রমজান মাসের প্রথম দিন থেকেই বৃদ্ধি পেয়েছে শাক-সবজি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম। মেহেরপুরের বাজারগুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ শাকসবজি থাকলেও উচ্চমূল্যের কারণে হতাশার চিত্র ক্রেতাদের মধ্যে। স্বাভাবিকের বাইরে মূল্য থাকায় অনেকে ক্রয় করতে পারছেনা শাক-সবজি।
রমজান মাসের প্রথম দিন থেকেই মেহেরপুরের বাজারগুলোতে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, রসুন, আদা, ফুলকপি, বাঁধা কপি, আলু, পটল, টমেটো, গাজর, মূলা, শসা, সিম, লাউ, বেগুন এর মূল্য প্রায় দ্বিগুন থেকে তিনগুণ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে পাইকারির তুলনায় খুচরা বাজারে শাক-সবজির দাম তুলনামূলকভাবে আরো বেশি।
মেহেরপুর জেলা শহরসহ বিভিন্ন সবজি বাজারে বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে, যা গতকাল ছিল ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা দর। এছাড়াও শসা কেজি প্রতি ৭০-৮০ টাকা, গতকাল যা ছিল ৬০ টাকা। পটল কেজি প্রতি ৮০ টাকা ,কাঁচা মরিচ ৫২ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও অন্যান্য সবজির দাম কেজি প্রতি ১০ টাকা থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে কিছু কিছু সবজির দাম। এছাড়াও মুরগী, গরু ও খাসির মাংসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে, স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে মাছের দাম।

সবজিসহ খাদ্যদ্রব্য আমদানি কম হওয়ায় দাম বৃদ্ধি হয়েছে বলে খুচরা ব্যবসায়ীরা জানান। তবে, খুচরা বাজারে উচ্চ মূল্য থাকলেও পাইকারি বিক্রির সময় সঠিক দাম না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে কৃষকদের। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বাজার মনিটরিং করলেই সবজিসহ অন্যান্য সামগ্রীর দাম নিয়ন্ত্রণ আসবে বলে ক্রেতা-সাধারণরা জানান। তবে, মেহেরপুর সদর, মুজিবনগর উপজেলা, গাংনী উপজেলা এবং বামন্দী সবজি বাজারসহ কোন জায়গায় বাজার মনিটরিং ব্যাবস্হা চোখে পড়েনি।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি