
প্রকাশ: ১১ জানুয়ারি ২০২২, ১৭:২৫

মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেন নামের এক ব্যাবসায়ী হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে লিটন নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার রাতে হরিরামপুর গ্রাম থেকে তোফাজ্জেলের ব্যবসায়ীক পার্টনার লিটনকে আটক করা হয়েছে।লিটন তেরোঘরিয়া গ্রামের আসাদ আলী ছেলে। এবং হরিরামপুর গ্রামের হাসমত আলীর জামাই।
জানা গেছে, কয়েকমাস পূর্বে লিটন তার শ্বশুরবাড়িতে ঘর জামাই হিসেবে বসবাস শুরু করেন। সেই সাথে নিহত তোফাজ্জলের সঙ্গে ছাগলের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। লিটন নিহত তোফাজ্জেলের প্রতিবেশী জামাই। সন্দেহভাজন আসামি লিটন তোফাজ্জলের লাশের কাছে সব সময় উপস্থিত ছিলেন বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
নিহত তোফাজ্জলের ভাই মোফাজ্জেল বলেন, আমার ভাইয়ের কাছে সব সময় মোটা অংকের অর্থ গচ্ছিত থাকতো। ওই টাকা নেওয়ার জন্য আগের দিন রাতে চায়ের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে কৌশলে তাকে মাঠের মধ্যে নিয়ে যায়। তোফাজ্জল যখন ঘুমের ঘরে অচেতন হয়ে পড়ে তখনই তাকে দেশীয় বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে তার মৃত্যু নিশ্চিত করে লাশ ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। তিনি আরো বলেন, মোফাজ্জলের স্ত্রীর সব সময় ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

এ ঘটনার পর থেকে মেহেরপুর সদর থানার পুলিশ হত্যাকারী কে ধরার জন্য মোবাইলে টেকিং শুরু করে। সোমবার রাতে লিটন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।সদর থানার ওসি শাহ দারা খান জানান, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মেহেরপুর পুলিশ দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে একজনকে প্রাথমিক ভাবে আটক করা হয়েছে। এই ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত আটক করা হবে।