
প্রকাশ: ১১ নভেম্বর ২০২১, ১৯:৪৭

ঢাকা মহানগরীর মোহাম্মদপুর থানা থেকে মাত্র পাঁচ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরনে বুড়িগঙ্গা নদীর উপরে নির্মিত শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু তথা বসিলা ব্রীজ । স্থানীয় ভাবে এটি বসিলা ব্রীজ হিসেবে পরিচিত।
ঢাকার সাথে বসিলা তথা কেরানীগঞ্জ এলাকাকে সংযুক্ত করার লক্ষ্যে ৮৪ কোটি ৯লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই সেতুটি নির্মান করা হয়। প্রথমে বুড়িগঙ্গা ৩য় সেতু নাম করন করা হলেও বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণীয় করে রাখতে এই সেতুটির নাম করন করেন শহীদ বুদ্ধিজীবী সেতু। ২০০৯ সালের২৯শে ডিসেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতু উদ্বোধন করেন।
প্রতি দিন এই সেতু দিয়ে প্রচুর যানবাহন ও মানুষ চলাচল করে মাঝে মধ্যে সেতুর উপর ব্যাপক যানজটেরও সৃষ্টি হয় । পদ্মা সেতু তথা মাওয়ার একটি সংযোগ সড়কও একে বলা হয়। প্রতিদিন বিকেল থেকে রাত অবধি অনেক মানুষ এই সেতুর উপরে এসে দাঁড়ান একটু নির্মল বাতাস উপভোগ করতে ।গত একবছর যাবৎ এই সেতুর সড়ক বাতি জ্বলছে না। ফলে প্রতিদিন ঘটছে ছিনতাইয়ের মতন ঘটনা । সেতুতে অন্ধকার থাকায় মাদক সেবিদের দৌড়াত্য বেড়ে চলেছে দিন কে দিন।
এই সেতুটি ভেঙে পুন: নির্মানের চিন্তা ভাবনা করছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি(একনেক) । গত ২৭শে জুলাই একনেকের বৈঠক শেষে নতুন দায়িত্ব প্রাপ্ত পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম সরকার ভেঙে ফেলার চিন্তা ভাবনার কথা জানান।বুড়িগঙ্গা নদীতে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হওয়ায় এই সেতু ভেঙে পুন:নির্মান করার চিন্তা ভাবনা চলছে। তবে এখনও চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
এলাকার জন সাধারণের দাবী প্রয়োজন মনে হলে সরকার সেতু ভেঙে পুন:নির্মান করবে তাই বলে কি এখন সড়ক বাতি থাকবে না।দ্রুত এই সেতুতে সড়ক বাতি প্রতি স্থাপনের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবী জানাচ্ছেন এলাকার ভুক্ত ভোগী মানুষ ।