
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২১, ২২:২৪

শীতের উষ্ণতায় লেপের আর কম্বল যেন মানুষের মানুষের শীতের চাহিদার এক নাম। এই এলাকা প্রবাসী অধ্যুষিত তাই শীতের আগমনে লেপের দোকানে ভীড় যেমন কম্বল পরিষ্কার করতে উৎসাহ দেখা যায়। এ ছাড়া শীতকালে মেয়ে-জামাইয়ের বাড়িতে বালিশ, লেপ, তোষক উপহার পাঠানোর ঐতিহ্য রয়েছে এ অঞ্চলের মানুষের সাথে রয়েছে কম্বল দেওয়ার ও প্রতা।।গত এক সপ্তাহ ধরে এ জেলায় শীত অনুভূত হচ্ছে। ভোরবেলায় কুয়াশায় ঢেকে যায় সবুজ মাঠ। সামনে পৌষ ও মাঘ মাস শীতকাল।
তাই মেঘনাও তিতাস চরাঞ্চল এবং গ্রামাঞ্চলের মানুষ আগে ভাগেই লেপ-তোষক বানাতে শুরু করেছে।তাই শীতকে সামনে রেখে লেপ, তোষক কারিগরদের এখন দম ফেলার সময় নেই। বিরামহীনভাবে কাজ করছেন তারা।কেউ কেউ পুরনো লেপ ভেঙে নতুন করে বানিয়ে নিচ্ছেন। আবার কেউ নতুন তুলা দিয়ে তৈরি করে নিচ্ছে লেপ, তোষক ও বালিশ।সরাইল উপজেলা বিভিন্ন বাজারে লেপ তোষকের কারিগরা জানান, তারা বছরে প্রায় ৬ মাস অন্য কাজ করেন। শীত আসার সঙ্গে সঙ্গে তাদের কদর বেড়ে যায়।

ওই এলাকার কাদের ও মহসীন জানান, এ সময়টায় তারা বিভিন্ন লেপ-তোষকের দোকানে গিয়ে তারা প্রতিদিন ৬’শ থেকে ৭’শ টাকায় লেপ-তোষক তৈরি করে থাকেন। অনেক কারিগর লেপ প্রতি ২’শ থেকে ৩’শ টাকাও নেয়।উপজেলার সকাল বাজারের লেপ-তোষকের দোকান ফারুক মিয়া বলেন,শীত জেঁকে না বসলেও অনেকে আগেভাগেই লেপ-তোষক বানাতে শুরু করে দিয়েছেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর ক্রেতার সংখ্যা অনেকটাই বেশি।”সারা বছরের চেয়ে শীতের এ তিন মাস বেচাকেনা একটু বেশিই হয়। তাই ক্রেতাদের কথা ভেবে কাজের গুণগতমান বজায় রেখে অর্ডারি কাজের পাশাপাশি রেডিমেড জিনিসও তৈরি করে বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি