
প্রকাশ: ২ নভেম্বর ২০২১, ২১:৫২

কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় বাউল সম্রাট লালন শাহের মূল মাজারের পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। ১৯৬৩ সালে কুষ্টিয়া জেলা পরিষদের অর্থায়নে এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় নির্মিত হয় বাউল সম্রাট লালন শাহের মূল মাজার। ৫৮ বছর পর মূল মাজারের পিলারসহ বিভিন্ন স্থানে ফাটল ধরেছে। দীর্ঘদিন সংস্কার না হওয়ায় খসে পড়ছে পলেস্তারাও।
এতে করে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় কোনো দুর্ঘটনাসরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ছেঁউড়িয়ার বাউল সম্রাট লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়ির মূল মাজারের উত্তর ও পূর্বপাশের অংশের পিলারে ফাটল রয়েছে। কোথাও কোথাও খসে পড়ছে পলেস্তারা। এদিকে ফাটলের এ চিত্র দেখা দেওয়ায় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটার আগেই তা দ্রুত মেরামতের দাবি জানিয়েছেন লালন ভক্ত ও অনুসারীরা।
লালন ভক্ত ও অনুসারীরা বলছেন, দেশে করোনা পরিস্থিতি থাকায় লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়িতে প্রায় দুইবছর কোনো অনুষ্ঠান ছিল না। তাই মূল মাজারের ফাটল ও পলেস্তারা খসে পড়ার চিত্র সামনে আসেনি। দীর্ঘদিন ধরে হয়নি সংস্কার কাজও। বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগেই তা মেরামতের দাবি জানায় তার। একই সঙ্গে বিষয়টি লালন একাডেমি কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ভক্তরা।

এদিকে, লালন মাজারের খাদেম ফকির মোহাম্মদ আলী শাহ বলেন, আমাদের শঙ্কা মাজারের ভবনটি যে কোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। প্রায় ১৫ দিন আগে কর্মকর্তারা এসে দেখে গেছেন ফাটলের এ চিত্র।এদিকে, লালন একাডেমির সভাপতি, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম জানান, মাজার সংস্কারে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি