
প্রকাশ: ৭ অক্টোবর ২০২১, ২:৫১

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের দৌলতদিয়া ফেরিঘাট প্রান্তে ঢাকা মুখী যানবাহনের দীর্ঘ জট সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছে যাত্রী ও চালকরা। দীর্ঘ সময় পারের অপেক্ষায় মহাসড়কে আটকে থেকে প্রখর রোদ্রে ভ্যাপসা গরমে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে তাদের।
সরেজমিন দেখা যায়, বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) সকাল থেকেই রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের বাংলাদেশ হ্যাচারী পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৩ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ঢাকামুখী যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ডভ্যানের দীর্ঘ জট রয়েছে। এসকল যানবাহনকে পারের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে ৮ থেকে ১০ ঘন্টা পর্যন্ত।
এসময় কথা হয় সেবা গ্রিন লাইন পরিবহনের চালক রফিকুলের সাথে, তিনি জানান প্রায় ৫ থেকে ৬ ঘন্টা হলো মহাসড়কের উপর সিরিয়ালে আটকে আছি, কখন ফেরি পাব তার ঠিক নেই, রোদ্রের প্রচন্ড তাপে যাত্রীরা বিশেষ করে নারী ও শিশুরা চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে।

এ সময় পণ্যবাহী ট্রাকের চালক কামরুল ইসলাম বলেন, বুধবার বেলা ১১ টার দিকে স্কেল করিয়ে ফেরি পারের জন্য ঘাটে এসে ঢুকি। আজ এখন বেলা আড়াইটা বাজে সবেমাত্র লঞ্চঘাট টার্নিং ক্রস করছি। এর ফলে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়ছে পাশাপাশি আমাদের ট্রিপ সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা দায় হয়ে পড়বে।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌ পরিবহন কপোর্রেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের ব্যবস্থাপক (বানিজ্য) মো. শিহাব উদ্দিন বলেন, ঘাটে এখন ২০টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৮টি বড় ফেরি এবং ১২টি ইউটিলিটি ফেরি রয়েছে। কিন্তু পদ্মায় নাব্যতা সংকটে ড্রেজিং চলায় ফেরি পারাপারে বেশী সময় লাগছে। এছাড়াও ঘাট সংকটের কারণে একটি ফেরি ঘাটের পন্টুন থেকে ছেড়ে না যাওয়া পর্যন্ত, অন্য কোন ফেরি পন্টুনে এসে ভিড়তে পারছে না। যার কারণে ঘাটে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।