
প্রকাশ: ১১ মে ২০২১, ২১:২

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ৫ নং ফেরিঘাটে মঙ্গলবার (১১ মে) ডুবে যাওয়া সাদা নোয়া মাইক্রোবাসের মালিক ও চালকের পরিচয় পাওয়া গেছে।
চালকের নাম মারুফ হোসেন (৪০)।তার বাড়ি সিলেট হলেও তিনি ঢাকার রামপুরায় থেকে প্রাইভেটকার চালকের কাজ করেন।
মাইক্রোবাসের মালিকের নাম মাকসুদুর রহমান রিতু।তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা।কাজ করেন ঢাকার একটি প্রাইভেট ফার্মে। উদ্ধার হওয়া মাইক্রোবাস হতে মালিকের নাম ও মোবাইল নাম্বার উদ্ধার করে পুলিশ ।
মাইক্রোবাসটির মালিক মাকসুদুর রহমানের সাথে কথা বলেন দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ মুন্নাফ আলী শেখ।

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি
দৌলতদিয়া নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ মুন্নাফ আলী শেখ জানান,মাইক্রোবাসের মালিকের শ্যালক সোমবার বিদেশ থেকে ফেরেন।তাকে গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গায় পৌছে দিতে তিনি চালক মারুফকে রাতে মাইক্রোবাসসহ পাঠান। চালক মালিকের শ্যালককে চুয়াডাঙ্গায় পৌছে দিয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১ টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট দিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন। গাড়িতে অন্য কারো থাকার কথা নয়।তারপরও অন্য কোন ব্যাক্তি ছিল কিনা সেটাও নিশ্চিত নন তিনি।চালক মারুফ হোসেনকে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এদিকে উদ্ধার মাইক্রোবাসেও তার লাশ পাওয়া যায় নি।ফলে তার বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।
তিনি আরো যুক্ত করেন,বেলা সারে ১১ টায় মাইক্রোবাসটি দৌলতদিয়ার ৫ নং ঘাটের পন্টুন হতে পানিতে পড়ে যায়। প্রচন্ড ঝড়ো বাতাসে পন্টুনের তার ছিড়ে গেলে ঝাঁকুনিতে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রনহীন হয়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে। টানা ২ ঘন্টা উদ্ধার তৎপরতা শেষে বেলা দেড়টার দিকে সাদা মাইক্রোটিকে উপরে তুলতে সক্ষম হন ফায়ারসার্ভিসের উদ্ধারকারী ডুবুরি দল।
সাদা রংয়ের নোয়া মাইক্রোবাসটি (ঢাকা মেট্রো-চ-২৬০৮)পাটুরিয়া ঘাটের উদ্দেশ্যে নদী পার হতে পন্টুনের উপর ফেরির অপেক্ষায় ছিল।