বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬১৯ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

কৃষি

বাড়ছে প্রশিক্ষিত নারী কৃষকের সংখ্যা

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৫ অক্টোবর ২০২১, ১৯:০

শেয়ার করুনঃ
বাড়ছে প্রশিক্ষিত নারী কৃষকের সংখ্যা

সাহিদা বেগম একজন প্রশিক্ষিত নারী কৃষক। বাংলাদেশ এগ্রিকালচার ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন- বিএডিসিএর চুক্তিবদ্ধ চাষি তিনি। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এসএমই কৃষক। বাড়ি থেকে বীজ বিক্রি করে ২০২০ সালে ৩ কোটি টাকা লাভ করেন তিনি। ফরিদপুরের কৃষক হলেও আজ জাতীয় পর্যায়ে সফল নারী কৃষক হিসেবে সাহিদা সবার গর্ব। শুধু সাহিদা বেগম নন, সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাদুল্লাপুরের সাহানারা বেগম আজ ফুল ও সবজি চাষ করে অনেককে অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছেন। স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারাও তার সাফল্যের প্রশংসা করেছেন। সিলেটের দক্ষিণ সুরমার রুমী আক্তার হাঁস-মুরগির ডিম বিক্রি করে সচ্ছলতার মুখ দেখেছেন। এমন অনেক নারী আজ প্রশিক্ষণ নিয়ে কৃষিক্ষেত্রে সফলতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তবে এ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ মহল বলছে, কৃষিক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে ঠিকই। তারা প্রশিক্ষিত, দক্ষও বটে। তবে ভূমিতে নারীর অধিকার, মজুরিবৈষম্য, উত্পাদিত পণ্য বাজারজাতকরণ তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকায় নারীর সঠিক ক্ষমতায়ন হচ্ছে না। তাই আইন করে নতুন মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

সম্প্রতি সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নের সাদুল্লাপুরে কথা হয় সাহানারা বেগমের সঙ্গে। তিনি জানান, ২০০০ সালে ঐ এলাকায় আসেন স্বামীর সঙ্গে। এলাকায় সবজি আর ফুল চাষের প্রচলন বেশি। তার নিজের কোনো জমি নেই। তাই অন্যের জমি ভাড়া নিয়ে ৬ শতক জায়গায় ফুল আর ৬ শতক জায়গায় গম চাষ শুরু করেন। আর বর্তমানে তিনি সারা বছরই শাক-সবজি, গম আর গোলাপের চাষ করেন। সাহানারা জানান, শুরুতে তিনি একাই নিজের বর্গাজমিতে কাজ করেছেন। স্বামী আমীর হামজা অন্যের জমিতে কাজ করতেন। সংসার চালাতে তাদের অনেক কষ্ট হতো। আজ নিজেরা তো বটেই, এলাকার অনেক নারী-পুরুষ তার জমিতে কাজ করছেন। নিজে বেশ কিছু বিষয়ে প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। কখন বীজ বুনতে হয়, কী করে পোকার হাত থেকে ফসল রক্ষার জন্য জৈব সার দিতে হয় এবং কীভাবে ‘সেক্স ফেরোমন ফাঁদ’ পেতে খেতের ক্ষতিকর পোকা নিধন করতে হয়—এ সবই জানা। তিনি নিজে মাঠে কাজ করেন আর উত্পাদিত পণ্য বাজারে বিক্রি করেন তার স্বামী। বাড়ি থেকে তিনিও কিছু বিক্রি করেন। স্থানীয় কৃষি কর্মকতা মো. মোজ্জামেল হক জানান, তাদের প্রশিক্ষিত কৃষকের মধ্যে এখন নারীর সংখ্যা বাড়ছে। সাদুল্লাপুরে ৪০ জন পুরুষ কৃষক প্রশিক্ষণ নিলে ২০ জন নারী কৃষকও প্রশিক্ষণ নেন। তাঁরা বেশ ভালো করছেন। ‘কমন ইন্টারেস্ট গ্রুপে’ (সিআইজি) ৬০ জন প্রশিক্ষিত নারী কৃষক আছেন।

আরও

আধুনিক প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র

আধুনিক প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র

নারীকৃষি
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

মোবাইল ফোনে কথা হয় ফরিদপুর পৌরসভার গোবিন্দপুর গ্রামের সাহিদা বেগমের সঙ্গে। বাড়ি থেকেই পেঁয়াজের বীজ বিক্রি করেন তিনি। ফরিদপুরের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ব্যবসায়ীরা সাহিদার বীজ কিনতে আসেন। সাহিদা জানান, শাশুড়ি তাকে খুব একটা পছন্দ করতেন না। তাকে দিয়ে ফসল তোলাসহ অনেক কাজ করাতেন। একসময় তাদের আলাদা করে দেওয়া হয়। জীবিকার তাগিদে তখনই নিজেরা কৃষিকাজ করতে শুরু করেন। স্বামী কলেজে পড়াশোনা করে তার কাজে সহযোগিতা করতেন। একসময় স্বামীর ব্যাংকে চাকরি হয়। তখন তিনিই কৃষিকাজটা ধরে রেখেছেন। ২০০৪ সালে পাশের এক চাষিকে দেখে পেঁয়াজের বীজ চাষ শুরু করেন সাহিদা। প্রথম ৪০ শতাংশ জমিতে দুই মণ বীজ পান। ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। দেখেন এর চাহিদা অনেক, লাভও ভালো। এভাবেই এগিয়ে চলা। সাহিদা জানান, গত বছর তিনি ৩০ একর জমিতে পেঁয়াজ বীজ চাষ করে ২০০ মণ বীজ পান, যা বিক্রি করেন ৪ কোটি টাকায়। লাভ হয় ৩ কোটি টাকা। জমির মধ্যে বেশির ভাগই বর্গা জমি। জানালেন, অনেকেই তাকে দেখে পেঁয়াজবীজ চাষে উদ্বুদ্ধ হন। তিনি নানা রকম প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। আগে বস্তা ভর্তি করে বীজ রাখতেন। কেউ চাইলে বস্তা খুলে মেপে দিতেন। এতে বীজের ক্ষতি হতো। প্রশিক্ষণই তাকে শেখায় প্যাকেট করে বীজ রাখলে বীজের ক্ষতি কম হয়।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ বলেন, সরকারের বেশ কিছু পদক্ষেপ নারী কৃষককে এগিয়ে যেতে সহায়তা করছে। আমাদের প্রতিটি প্রশিক্ষণে ৩০ শতাংশ নারী কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করার নিয়ম করা হয়েছে। তার পরও কৃষি শ্রমিকদের মজুরিবৈষম্য আছে বলে জানান সাদুল্লাপুরের কৃষিশ্রমিক সর্দার মনি নারী। ষাটোর্ধ্ব মনি জানান, বংশপরম্পরায় তারা কৃষিকাজের সঙ্গে জড়িত। নিজের জমি নেই। সংসার চালাতে স্বামী-স্ত্রী দুজনেই শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। অনেক সময় স্বামীই বেশি আয় করেন। মনি ২০ জন নারী শ্রমিককে নেতৃত্ব দেন। কারো নারী শ্রমিক লাগলে জোগান দেন।

আরও

বাম্পার ফলনেও শঙ্কায় মৌলভীবাজারের বোরো চাষিরা, জ্বালানি ও মজুত সংকট

বাম্পার ফলনেও শঙ্কায় মৌলভীবাজারের বোরো চাষিরা, জ্বালানি ও মজুত সংকট

কেন এখনো মজুরিবৈষম্য—এমন প্রশ্নের জবাবে সাভার কৃষি কমকর্তা নাজিয়াত আহমেদ ইত্তেফাককে বলেন, অনেকেই মনে করেন, পুরুষের শক্তি বেশি বলে কাজ বেশি করে। তাই মজুরি বেশি। কিছু কুসংস্কার ও ধর্মীয় বিষয় এখনো নারীদের এগিয়ে চলার পথে বৈষম্য সৃষ্টি করে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম বলেন, মুজিব জন্মশত বার্ষিকীতে ১০০ পুষ্টি বাজার করছে সরকার। এ উপলক্ষ্যে ৫ লাখ বাজার করা হবে। সেখানে ৫ লাখ নারীকে যুক্ত করা হবে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক এম এম আকাশ ইত্তেফাককে বলেন, ঘর ছেড়ে কাজে যোগ দেওয়া প্রথম ধাপ। এটি পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে বাজার অর্থনীতিতে দুই দিকের তাগিদ থেকে সৃষ্টি হয়, যা নারী শ্রমবাজারে যুক্ত করে শ্রমবাজার অর্থনীতি। কিছু ব্যতিক্রমী নারী দক্ষতা অর্জন করে কাজে পারদর্শিতা দেখিয়ে এগিয়ে যায়, এটা অর্থনৈতিক অগ্রগতি। কিন্তু সাংস্কৃৃতিক ও আইনগত স্বীকৃত অগ্রগতি সহজে অর্জিত হয় না। এটি অর্জিত হতে হলে রাষ্ট্রকে আইন করতে হয়। পাঠ্যসূচিকে নতুন ভ্যালু দিয়ে পুরুষতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে মানসিকতা তৈরি করতে হয়। নানা রকম সাংস্কৃৃতিক আয়োজন করে মূল মানসিকতার পরিবর্তন করতে হয়। বাংলাদেশে প্রথম ধাপ অর্জিত হলেও দ্বিতীয় ও তৃতীয় ধাপে আটকে আছে। নারীর নিজেকে ও রাষ্ট্রকে এর বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

আলোচনা ও চর্চা ছাড়া রাজনীতি শেখা যায় না: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আলোচনা ও চর্চা ছাড়া রাজনীতি শেখা যায় না: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

গোপালপুরে বাংলা কিউআর ব্যবহার বন্ধে মরিয়া বিকাশ

গোপালপুরে বাংলা কিউআর ব্যবহার বন্ধে মরিয়া বিকাশ

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত বিচারপতি হাবিবুল গনির শপথ

মায়ের শাসনই সাফল্যের পথ দেখিয়েছে, বললেন হাসনাত

মায়ের শাসনই সাফল্যের পথ দেখিয়েছে, বললেন হাসনাত

এখনও ফেরেনি তারা, থামেনি পরিবারের কান্না

এখনও ফেরেনি তারা, থামেনি পরিবারের কান্না

সর্বশেষ সংবাদ

দুই লাখ বাংলাদেশি নিয়োগের খবর নাকচ মালয়েশিয়ার

দুই লাখ বাংলাদেশি নিয়োগের খবর নাকচ মালয়েশিয়ার

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে যুক্ত

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে যুক্ত

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশে তিন এলএনজি টার্মিনালের উদ্যোগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দেশে তিন এলএনজি টার্মিনালের উদ্যোগ: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

উলিপুরে সার মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

উলিপুরে সার মজুদের দায়ে ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পাঁচবিবিতে অতিবৃষ্টিতে কমেছে পাটের ফলন, ভালো দামে খুশি চাষিরা

পাঁচবিবিতে অতিবৃষ্টিতে কমেছে পাটের ফলন, ভালো দামে খুশি চাষিরা

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে চলতি মৌসুমে লাভের আশায় ১ হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করেছেন কৃষকেরা। তবে মৌসুমের শুরু থেকেই টানা বৃষ্টিপাত ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাটগাছের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়েছে। এতে গত বছরের তুলনায় এবার আঁশের ফলন কিছুটা কম হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকেরা। অবশ্য বাজারে পাটের দাম ভালো থাকায় ফলন কম হলেও কিছুটা স্বস্তিতে রয়েছেন

দেশ ছাড়িয়ে বিশ্ববাজারে পরিচিত শ্রীমঙ্গলের আনারস

দেশ ছাড়িয়ে বিশ্ববাজারে পরিচিত শ্রীমঙ্গলের আনারস

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল দীর্ঘদিন ধরেই দেশের আনারস উৎপাদনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। পাহাড়ি টিলা, অনুকূল আবহাওয়া, উর্বর মাটি এবং কৃষকদের দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে এখানকার আনারস স্বাদ, গন্ধ ও গুণগত মানে দেশের অন্য সব অঞ্চলের চেয়ে আলাদা পরিচিতি পেয়েছে। এবার সেই ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ফিলিপাইন থেকে আমদানিকৃত উচ্চফলনশীল এমডি-২ জাতের আনারস, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। ইতিহাস ঘেঁটে

আধুনিক প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র

আধুনিক প্রযুক্তিতে বদলে যাচ্ছে কৃষির চিত্র

দেশের কৃষি খাতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার কারণে উৎপাদন বৃদ্ধি, সময় সাশ্রয় এবং খরচ কমানো সম্ভব হচ্ছে। ফলে কৃষকদের আয়ও বাড়ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়ার টিলার, কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার মেশিন, সেচ প্রযুক্তি এবং উন্নত বীজ ব্যবহারের ফলে কৃষিকাজ আরও সহজ ও কার্যকর হয়েছে। আগে যেখানে ফসল কাটতে

শ্রীমঙ্গলে ফলের বাগানে ঝুলছে জামরুল-চেরির সম্ভার

শ্রীমঙ্গলে ফলের বাগানে ঝুলছে জামরুল-চেরির সম্ভার

গ্রীষ্ম এলেই বাজারে মৌসুমি ফলের সমারোহ দেখা যায়। এর মধ্যে প্রথম সারির জনপ্রিয় ফল জামরুল এখন দৃষ্টি কাড়ছে সর্বত্র। দুধসাদা কিংবা লাল রঙের ঘণ্টাকৃতির এই ফলটি আমাদের দেশে জামরুল, আমরুজ, গোলাপজাম কিংবা সাদা জাম নামেও পরিচিত। রসালো ও জলসমৃদ্ধ হওয়ায় গরমের দিনে শরীরকে সতেজ রাখতে জামরুলের জুড়ি নেই। সরেজমিনে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখান ইউনিয়নের লাখাইছড়া চা বাগান এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,

দেড় মন ধানের মূল্যে মিলছে এক শ্রমিক, উলিপুরে বিপাকে কৃষক

দেড় মন ধানের মূল্যে মিলছে এক শ্রমিক, উলিপুরে বিপাকে কৃষক

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলায় চলতি ইরি বোরো মৌসুমে ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। তবে বৈরী আবহাওয়া, শ্রমিক সংকট এবং ধানের কম বাজারদরের কারণে চরম উদ্বেগে রয়েছেন তারা। মাঝে মাঝে বৃষ্টিপাতের পর রোদের দেখা মিললেও নিয়মিত বৃষ্টি ধান কাটায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, আগাম জাতের বিআর–২৮ ধান পাকতে শুরু করেছে। কৃষকেরা দ্রুত