শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২৮ ভাদ্র, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বিশেষ প্রতিবেদনকৃষি

মৌলভীবাজারে হাইব্রিড আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা, হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ধান

এহসান বিন মুজাহির
এহসান বিন মুজাহির মৌলভীবাজার, জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৬

শেয়ার করুনঃ
মৌলভীবাজারে হাইব্রিড আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা, হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ধান

হাইব্রিড ও উচ্চফলনশীল ধানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে মৌলভীবাজার জেলায় ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় অসংখ্য জাতের বহুমাত্রিক ধান। এক সময় জেলার গ্রামাঞ্চলে দেশি ও স্থানীয় বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ধানের ব্যাপক চাষাবাদ হলেও বর্তমানে আমন, বোরো ও আউশ মৌসুমে এসব ধানের চাষ প্রায় বিলুপ্তির পথে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তিন দশক আগেও জেলায় প্রায় সত্তর প্রজাতির স্থানীয় ধানের চাষ হতো। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০ থেকে ২৫ প্রজাতিতে। খাদ্যের বাড়তি চাহিদা, কৃষিজমি কমে যাওয়া, জমির উর্বরতা হ্রাস এবং অর্থনৈতিক লাভের হিসাব কৃষকদের উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড ধান চাষে ঝুঁকতে বাধ্য করেছে।

এক সময় আউশ, রোপা আমন ও বোনা আমন মৌসুমে কাসালাথ, আড়াই, চেংড়ি, বাউরস, নাজিমুদ্দিন, লাঠিশাইল, বালাম, ভুতুবালাম, মুরালী, কাতিছিনি, নিহি, খৈসা, পশুআইল, ছিরমইন, পাখবিরনী ও দুধকাতারীসহ বহু ঐতিহ্যবাহী ধানের চাষ হতো। বাউরস ও চেংড়ি ধান দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে অত্যন্ত মানানসই ছিল। দুই ফুট পানিতে নিমজ্জিত জমিতেও এসব ধানের ভালো ফলন মিলত।

আরও

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য
চেংড়ি ধানের ভাত ও চিড়া ছিল অত্যন্ত সুস্বাদু। নাজিমুদ্দিন ধান ছিল আভিজাত্যের প্রতীক, যা ঈদ, পূজা, বিয়ে ও নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে অপরিহার্য ছিল। কালো রঙের নিহি ধান পাকার সময় চারপাশে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ত। বালাম ও ভুতুবালাম ছিল লালচে, আর কাতিছিনি ছিল খয়েরি রঙের ধান। ছিরমইন ধান প্রায় পনেরো ফুট পানিতেও উৎপাদনে সক্ষম ছিল।

বর্তমানে ধানবীজের বাজার ঘুরেও এসব জাতের বীজ পাওয়া যায় না। প্রবীণ কৃষকদের কাছে এসব ধান এখন শুধুই স্মৃতি। রাজনগরের প্রবীণ কৃষক মো. সুরুজ আলী জানান, আগে দেশীয় ধানে প্রতি একরে ৪০ থেকে ৪৫ মন ফলন হতো, আর এখন উচ্চফলনশীল ধানে ৯০ থেকে ১০০ মন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। একই জমিতে দ্বিগুণ উৎপাদন হওয়ায় কৃষকরা দেশীয় ধান ছেড়ে দিয়েছেন।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কৃষক জোনাব আলী বলেন, আগে হাওরে বিন্নি ও কালিজিরা ধানের চাষ বেশি হতো। এখন পারিবারিক প্রয়োজনে অল্প জমিতে এসব ধান হয়, বাকি জমিতে উচ্চফলনশীল ধান চাষ করতে হয়, নইলে খরচ ওঠে না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, বর্তমান বোরো মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমন মৌসুমে ৯৮ হাজার ২০ হেক্টর এবং আউশ মৌসুমে প্রায় ২১ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে, যার অধিকাংশই উচ্চফলনশীল ধান।

আরও

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা
কৃষি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফজলুর রহমান বলেন, দেশীয় ধান আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশ। সংরক্ষণ ও গবেষণার অভাবে এসব জাত বিলুপ্ত হচ্ছে। দ্রুত সংরক্ষণ উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এসব ধানের নামও জানবে না।

কৃষি_ঐতিহ্যকৃষিসংকটদেশীয়ধান
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

সর্বশেষ সংবাদ

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭৯০

২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ২ মৃত্যু, হাসপাতালে ৭৯০

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১১১

হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১,১১১

লালবাগে মাটির নিচে মিলল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ, আটক একজন

লালবাগে মাটির নিচে মিলল নিখোঁজ ব্যবসায়ীর মরদেহ, আটক একজন

চোর লুটেরা পালায়, সৎ মানুষ দেশেই থাকে: শফিকুর রহমান

চোর লুটেরা পালায়, সৎ মানুষ দেশেই থাকে: শফিকুর রহমান

২৪ সেপ্টেম্বরের পর বাড়বে না হজ নিবন্ধনের সময়

২৪ সেপ্টেম্বরের পর বাড়বে না হজ নিবন্ধনের সময়

জনপ্রিয় সংবাদ

জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বাসে উঠেই জীবন দিয়ে গেলেন ইসমাইল

জমি বিক্রির টাকা নিয়ে বাসে উঠেই জীবন দিয়ে গেলেন ইসমাইল

হাকিমপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

হাকিমপুরে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

হরমুজ বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি কমেছে ৩৯ শতাংশ

হরমুজ বন্ধে মধ্যপ্রাচ্যের তেল রপ্তানি কমেছে ৩৯ শতাংশ

বঙ্গোপসাগরে চাঁদার দাবিতে জেলে ট্রলারে হামলা, আহত ৪

বঙ্গোপসাগরে চাঁদার দাবিতে জেলে ট্রলারে হামলা, আহত ৪

র‍্যাব বিলুপ্ত করে সংসদে পাস হলো এসআরবি বিল

র‍্যাব বিলুপ্ত করে সংসদে পাস হলো এসআরবি বিল

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

ছয় মাসেই রেকর্ড চা উৎপাদন, সুদিন ফিরছে দেশের বাগানে

নানা প্রতিকূলতা ও উৎপাদন ব্যয়ের চাপ কাটিয়ে দেশের চা শিল্পে আবারও সুদিনের আভাস দেখা দিয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া, পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং চায়ের নিলামে ভালো দাম পাওয়ায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হয়েছে। গত তিন বছরের প্রথমার্ধের তুলনায় এ উৎপাদন সর্বোচ্চ। চলতি বছরে দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুন

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

গোল্ডেন পেয়ারায় বদলাচ্ছে জুড়ীর পতিত জমির অর্থনীতি

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলায় পতিত ও পরিত্যক্ত জমিতে উন্নত জাতের পেয়ারা চাষ কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। জায়ফরনগর ইউনিয়নের চম্পকলতা গ্রামের কৃষক ইমামুল হোসেন মাত্র দুই বিঘা জমিতে পেয়ারা বাগান করে সাফল্য পাওয়ার পর স্থানীয় অন্য কৃষকেরাও এ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। ইমামুল হোসেন উন্নত জাতের ‘গোল্ডেন এইট’ ও ‘গোল্ডেন টেন’-এর ৬৭টি চারা রোপণ করে বাগান শুরু করেন। আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগ

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

যমুনার তীরে বেহুলা ভাসান, বেঁচে আছে বাংলার লোকঐতিহ্য

বেহুলা ভাসান বা শ্রাবণের ডালা ভাসান কেবল একটি লোকাচার নয়, এটি বাংলার লোকবিশ্বাস, মনসামঙ্গল কাব্যের কাহিনি, নদীমাতৃক জীবন ও গ্রামীণ সংস্কৃতির জীবন্ত প্রতিফলন। সময়ের পরিবর্তনে বাংলার অনেক প্রাচীন লোকাচার হারিয়ে গেলেও মানুষের বিশ্বাস, আবেগ ও সাংস্কৃতিক চর্চার ধারাবাহিকতায় এখনো টিকে আছে এই ঐতিহ্য। টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া এলাকায় প্রতিবছর শ্রাবণ মাসের শেষ দিকে যমুনা নদীর তীরে বেহুলা ভাসানকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

শ্রীমঙ্গলে কাঁটায় ভরা ক্যাকটাসে রাতজাগা ফুলের মুগ্ধতা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিদ্যাবিল টি এস্টেটে দেখা মিলেছে বিরল একাধিক ফুলের কুঁড়ি বহনকারী কলামার ক্যাকটাসের। দৃষ্টিনন্দন এই ক্যাকটাসের সবুজ কাণ্ডের বিভিন্ন অংশে ফুটেছে সবুজ-হলুদ ফুল। কাঁটায় ভরা উদ্ভিদটির এমন ব্যতিক্রমী ফুল স্থানীয়দের পাশাপাশি উদ্ভিদপ্রেমীদেরও কৌতূহলী করে তুলেছে। ক্যাকটাস নানা বর্ণ ও বৈচিত্র্যের হয়ে থাকে। কোনো প্রজাতিতে কাঁটা কম, কোনোটি কাঁটায় ভরা। মরু অঞ্চলের উদ্ভিদ হলেও ঘরের গাছ হিসেবেও ক্যাকটাসের জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

বিলুপ্তির শঙ্কা কাটিয়ে মৌলভীবাজারে ফিরছে পাহাড়ি ফল চাম কাঁঠাল

গ্রীষ্ম এলেই মৌলভীবাজারের পাহাড়, টিলা, চা-বাগান ও বনাঞ্চলে চোখে পড়ে এক বিশেষ ফল—চাম কাঁঠাল। সবুজ চা-বাগান আর টিলাবেষ্টিত প্রকৃতির মাঝে গাছের কাণ্ডজুড়ে ঝুলে থাকা এই ছোট আকারের ফল যেন প্রকৃতির অনন্য সৌন্দর্যের অংশ হয়ে ওঠে। স্থানীয়ভাবে এটি ‘চাপালিশ’ নামেও পরিচিত। দেখতে অনেকটা কাঁঠালের মতো হলেও আকারে ছোট এবং স্বাদে টক-মিষ্টি হওয়ায় সাধারণ কাঁঠাল থেকে এটি আলাদা। সম্প্রতি সরেজমিনে কমলগঞ্জ উপজেলার লাউয়াছড়া