শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬৫ বৈশাখ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

বিশেষ প্রতিবেদনকৃষি

মৌলভীবাজারে হাইব্রিড আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা, হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ধান

এহসান বিন মুজাহির
এহসান বিন মুজাহির মৌলভীবাজার, জেলা প্রতিনিধি

প্রকাশ: ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৬

শেয়ার করুনঃ
মৌলভীবাজারে হাইব্রিড আবাদে ঝুঁকছেন কৃষকরা, হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় ধান

হাইব্রিড ও উচ্চফলনশীল ধানের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকতে না পেরে মৌলভীবাজার জেলায় ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে দেশীয় অসংখ্য জাতের বহুমাত্রিক ধান। এক সময় জেলার গ্রামাঞ্চলে দেশি ও স্থানীয় বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ধানের ব্যাপক চাষাবাদ হলেও বর্তমানে আমন, বোরো ও আউশ মৌসুমে এসব ধানের চাষ প্রায় বিলুপ্তির পথে।

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, তিন দশক আগেও জেলায় প্রায় সত্তর প্রজাতির স্থানীয় ধানের চাষ হতো। বর্তমানে তা কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ২০ থেকে ২৫ প্রজাতিতে। খাদ্যের বাড়তি চাহিদা, কৃষিজমি কমে যাওয়া, জমির উর্বরতা হ্রাস এবং অর্থনৈতিক লাভের হিসাব কৃষকদের উচ্চফলনশীল ও হাইব্রিড ধান চাষে ঝুঁকতে বাধ্য করেছে।

এক সময় আউশ, রোপা আমন ও বোনা আমন মৌসুমে কাসালাথ, আড়াই, চেংড়ি, বাউরস, নাজিমুদ্দিন, লাঠিশাইল, বালাম, ভুতুবালাম, মুরালী, কাতিছিনি, নিহি, খৈসা, পশুআইল, ছিরমইন, পাখবিরনী ও দুধকাতারীসহ বহু ঐতিহ্যবাহী ধানের চাষ হতো। বাউরস ও চেংড়ি ধান দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে অত্যন্ত মানানসই ছিল। দুই ফুট পানিতে নিমজ্জিত জমিতেও এসব ধানের ভালো ফলন মিলত।

আরও

চা শ্রমিকদের শতকোটি টাকার পিএফ বকেয়া, অনিশ্চয়তায় হাজারো শ্রমিক

চা শ্রমিকদের শতকোটি টাকার পিএফ বকেয়া, অনিশ্চয়তায় হাজারো শ্রমিক
চেংড়ি ধানের ভাত ও চিড়া ছিল অত্যন্ত সুস্বাদু। নাজিমুদ্দিন ধান ছিল আভিজাত্যের প্রতীক, যা ঈদ, পূজা, বিয়ে ও নানা সামাজিক অনুষ্ঠানে অপরিহার্য ছিল। কালো রঙের নিহি ধান পাকার সময় চারপাশে সুগন্ধ ছড়িয়ে পড়ত। বালাম ও ভুতুবালাম ছিল লালচে, আর কাতিছিনি ছিল খয়েরি রঙের ধান। ছিরমইন ধান প্রায় পনেরো ফুট পানিতেও উৎপাদনে সক্ষম ছিল।

বর্তমানে ধানবীজের বাজার ঘুরেও এসব জাতের বীজ পাওয়া যায় না। প্রবীণ কৃষকদের কাছে এসব ধান এখন শুধুই স্মৃতি। রাজনগরের প্রবীণ কৃষক মো. সুরুজ আলী জানান, আগে দেশীয় ধানে প্রতি একরে ৪০ থেকে ৪৫ মন ফলন হতো, আর এখন উচ্চফলনশীল ধানে ৯০ থেকে ১০০ মন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। একই জমিতে দ্বিগুণ উৎপাদন হওয়ায় কৃষকরা দেশীয় ধান ছেড়ে দিয়েছেন।

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png
মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কৃষক জোনাব আলী বলেন, আগে হাওরে বিন্নি ও কালিজিরা ধানের চাষ বেশি হতো। এখন পারিবারিক প্রয়োজনে অল্প জমিতে এসব ধান হয়, বাকি জমিতে উচ্চফলনশীল ধান চাষ করতে হয়, নইলে খরচ ওঠে না।

কৃষি_ঐতিহ্যকৃষিসংকটদেশীয়ধান
https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, বর্তমান বোরো মৌসুমে জেলায় ৬২ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আমন মৌসুমে ৯৮ হাজার ২০ হেক্টর এবং আউশ মৌসুমে প্রায় ২১ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে, যার অধিকাংশই উচ্চফলনশীল ধান।

আরও

নৌকা-ই ভরসা, সেতুর অপেক্ষায় শালজোড়বাসীর জীবনযুদ্ধ

নৌকা-ই ভরসা, সেতুর অপেক্ষায় শালজোড়বাসীর জীবনযুদ্ধ
কৃষি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফজলুর রহমান বলেন, দেশীয় ধান আমাদের ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশ। সংরক্ষণ ও গবেষণার অভাবে এসব জাত বিলুপ্ত হচ্ছে। দ্রুত সংরক্ষণ উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এসব ধানের নামও জানবে না।

সর্বশেষ সংবাদ

ইউরেনিয়াম বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যৌথভাবে কাজ করবে: ট্রাম্প

ইউরেনিয়াম বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যৌথভাবে কাজ করবে: ট্রাম্প

আইএমএফ ঋণ স্থগিতের খবর পুরোপুরি নাকচ সরকারের

আইএমএফ ঋণ স্থগিতের খবর পুরোপুরি নাকচ সরকারের

ফুয়েল পাস অ্যাপ চালু, জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা

ফুয়েল পাস অ্যাপ চালু, জ্বালানি বিতরণে স্বচ্ছতা

সুবর্ণচরে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে হাজারো মানুষের মানববন্ধন

সুবর্ণচরে প্রধান শিক্ষকের পক্ষে হাজারো মানুষের মানববন্ধন

দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

দেশের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবৃষ্টি ও কালবৈশাখীর সতর্কতা

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

চা শ্রমিকদের শতকোটি টাকার পিএফ বকেয়া, অনিশ্চয়তায় হাজারো শ্রমিক

চা শ্রমিকদের শতকোটি টাকার পিএফ বকেয়া, অনিশ্চয়তায় হাজারো শ্রমিক

চা শ্রমিকদের ভবিষ্যৎ আর্থিক নিরাপত্তার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত প্রভিডেন্ট ফান্ড (পিএফ) তহবিলে দীর্ঘদিন ধরে বিপুল অঙ্কের বকেয়া জমে থাকায় চা শিল্পাঞ্চলে তৈরি হয়েছে গভীর উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের অন্তত ৫৮টি চা বাগান শ্রমিকদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা নিয়মিত জমা দেয়নি। ফলে অবসরকালীন সঞ্চয় কিংবা জরুরি প্রয়োজনে নিজেদের অর্থ পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন হাজারো শ্রমিক। নিয়ম অনুযায়ী শ্রমিকদের

শ্রীমঙ্গলে ফুলে-ফলে সুশোভিত বিরল নাগলিঙ্গম গাছ, মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

শ্রীমঙ্গলে ফুলে-ফলে সুশোভিত বিরল নাগলিঙ্গম গাছ, মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলাে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) সংলগ্ন পুকুরপাড়ে দাঁড়িয়ে থাকা বিরল প্রজাতির নাগলিঙ্গম গাছটি বর্তমানে ফুল ও ফলে ভরে উঠেছে। দৃষ্টিনন্দন এই বৃক্ষ প্রকৃতিপ্রেমী ও পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বিশালাকৃতির নাগলিঙ্গম গাছটির গুঁড়ি ফুঁড়ে লম্বা লতার মতো ছড়ায় অসংখ্য কুঁড়ি। এসব কুঁড়ি থেকেই একসঙ্গে ফুটেছে ফুল এবং ধরেছে গোলাকার ফল—যা এই গাছের অন্যতম বিশেষ

বিশ্ববাজারে নতুন পরিচিতি পেল কমলগঞ্জের বাঁশ-বেত শিল্প

বিশ্ববাজারে নতুন পরিচিতি পেল কমলগঞ্জের বাঁশ-বেত শিল্প

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার বড়চেগ গ্রামের উদ্যোক্তা মো. আমির হোসেন সিরাজ পরিবেশবান্ধব বাঁশ-বেতের হস্তশিল্পকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। প্রায় দুই দশকের নিরলস প্রচেষ্টায় তাঁর প্রতিষ্ঠিত ‘সিরাজ কুটির শিল্প’ এখন দেশীয় বাজার ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক বাজারেও পরিচিতি পেয়েছে। ১৯৯৮ সালে পরিবারের ব্যবহারের জন্য নিজের হাতে বাঁশ-বেত দিয়ে কিছু আসবাব তৈরি করেন আমির হোসেন। স্থানীয়ভাবে সেগুলো প্রশংসা পেলে মানুষ তাঁর কাছে আসবাব বানানোর অনুরোধ করতে

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে রেললাইনে সেলফি-কনটেন্ট তৈরি, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে রেললাইনে সেলফি-কনটেন্ট তৈরি, বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার চিরসবুজ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের মাঝ দিয়ে চলে যাওয়া নান্দনিক রেললাইন এখন পর্যটকদের জন্য ভয়ংকর মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। প্রকৃতির সৌন্দর্যে ঘেরা এই রেললাইনকে কেন্দ্র করে ছবি তোলা ও অনলাইন কনটেন্ট তৈরির প্রবণতা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে গেছে। ফলে প্রতিদিনই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইনের ওপর দাঁড়িয়ে, বসে কিংবা হাঁটতে হাঁটতে ছবি ও ভিডিও ধারণ করছেন দর্শনার্থীরা। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের পরবর্তী

নৌকা-ই ভরসা, সেতুর অপেক্ষায় শালজোড়বাসীর জীবনযুদ্ধ

নৌকা-ই ভরসা, সেতুর অপেক্ষায় শালজোড়বাসীর জীবনযুদ্ধ

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের শালজোড় এলাকার কয়েক হাজার মানুষ কালজানী নদীর ওপর সেতুর অভাবে যুগের পর যুগ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে নদী দ্বারা বিচ্ছিন্ন এ অঞ্চলের মানুষকে প্রতিনিয়ত জানমালের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় পারাপার হতে হয়। এতে নষ্ট হয় সময়, বাড়ে আর্থিক ক্ষতি, ব্যাহত হয় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও উন্নয়ন কার্যক্রম। স্থানীয়দের মতে, যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এখনো ডিজেল ইঞ্জিনচালিত

জনপ্রিয় সংবাদ

খনন প্রকল্পেও কাটেনি মৌলভীবাজারের শাখা বরাক নদীর নাব্যতা সংকট

খনন প্রকল্পেও কাটেনি মৌলভীবাজারের শাখা বরাক নদীর নাব্যতা সংকট

১৫ বছর পর অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন সেই কোহিনূর মিয়া !

১৫ বছর পর অতিরিক্ত ডিআইজি হলেন সেই কোহিনূর মিয়া !

দৌলতদিয়ায় অপচিকিৎসায় ভুগছে সুজন, চিকিৎসা সহায়তার আবেদন

দৌলতদিয়ায় অপচিকিৎসায় ভুগছে সুজন, চিকিৎসা সহায়তার আবেদন

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন, টোল দিতে হবে রিয়ালে

হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণভাবে ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন, টোল দিতে হবে রিয়ালে

আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ

আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ