নওগাঁর ধামইরহাটে পিকনিকের বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক নিহত হওয়ার ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বুধবার সকালে উপজেলার বিহারিনগর মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। নিহত ব্যক্তি কামাল হোসেন (৪৫) ধামইরহাট উপজেলার উত্তর চকযদু গ্রামের বাসিন্দা এবং পেশায় ফটোস্ট্যাট ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা ইয়াদ আলীর ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ থেকে হানিফ পরিবহনের একটি পিকনিকের বাস জয়পুরহাটের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় বিহারিনগর মোড় এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সাথে বাসের ধাক্কা লাগে। ধাক্কার ফলে মোটরসাইকেল চালক রাস্তায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাইসুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে এবং দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এ ঘটনায় এলাকাবাসী মর্মাহত। নিহত কামাল হোসেনের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা শোকের ছায়ায় নিমজ্জিত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, কামাল হোসেন একজন সৎ ও পরিশ্রমী মানুষ ছিলেন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
দুর্ঘটনাটি আবারও সড়ক নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়রা দাবি করেন, সড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণ ও ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা প্রয়োজন। এ ধরনের দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নের দিকে নজর দেওয়া উচিত বলে মনে করেন তারা।
নিহত কামাল হোসেনের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য এলাকাবাসী ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির আত্মার শান্তি কামনা করে তার পরিবারের সদস্যদের জন্য সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন অনেকে।
আপনার মতামত লিখুন :
বি: দ্র: প্রিয় পাঠক সমালোচনা আপনার অধিকার । তবে ভাষাটাও মার্জিত হতে হবে। সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ ।