
প্রকাশ: ২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৫:৫৫

ওহির মাধ্যমে আল্লাহ তাআলা হজরত মারইয়ামের অভিভাবকত্বের দায়িত্ব নেয়ার বিষয়টি কুরআনুল কারিমে তুলে ধরেছেন। আর এতে প্রকাশিত হয়েছিল বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুয়তের সত্যতা। কারণ এ ঘটনা ছিল অনেক আগের। সে বিষয়টি তুলে ধরে আল্লাহ তাআলা বলেন-
ذَلِكَ مِنْ أَنبَاء الْغَيْبِ نُوحِيهِ إِلَيكَ وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يُلْقُون أَقْلاَمَهُمْ أَيُّهُمْ يَكْفُلُ مَرْيَمَ وَمَا كُنتَ لَدَيْهِمْ إِذْ يَخْتَصِمُونَ

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দৃশ্যত লেখা-পড়া করেননি। আবার আহলে কিতাবদের বিশেষ সহচর্যও পাননি। যেখান থেকে তিনি অতিত ঘটনার বিশুদ্ধ জ্ঞান অর্জন করতে পারেন। আর আহলে কিতাবদের সহচর্য পেলেই বা কি হতো? কেননা তারা এমনিতেই তারা নিজেরাই ভিত্তিহীন কল্পকথা ও গালগল্পের অন্ধকারে ঘুরপাক খাচ্ছিল। হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম ও হজরত মারইয়ামের অদৃশ্য ঘটনা আল্লাহ তাআলা প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ওহির মাধ্যম এসব জানিয়েছেন। (তাফসিরে ওসমানি)
এ স্রোতের বিপরীতমুখী কলমের অধিকারীকেই কৃতকার্য ও সফল বলে ঘোষণা দেয়া হতো এবং এ ব্যবস্থাকে গায়েবি ইঙ্গিতের স্থলাভিষিক্ত মনে করা হতো। আর মনে করা হতো, স্রোতের বিপরীতমুখী প্রবাহিত কলমের মালিকের পক্ষেই গায়েব থেকে রায় প্রদান করা হয়েছে। (তাফসিরে জালালাইন)হজরত জাকারিয়া আলাইহিস সালাম এ কলম পরীক্ষা তথা ভাগ্য পরীক্ষায় হজরত মারইয়ামের অভিভাবকত্ব লাভ করেছিলেন। আর এ পুরো ঘটনাটি ছিল বিশ্বনবি মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নবুয়তের সত্যতা অন্যতম প্রমাণ।