প্রকাশ: ২৭ মার্চ ২০২৫, ১২:১৯
আগামী পবিত্র ঈদুল ফিতরে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন, ৭ জুলাই, সকাল ৭টা থেকে ১০টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত এই জামাতগুলো অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৭টায় শুরু হবে এবং শেষ জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে।
ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মহররমের ১০ তারিখ, পবিত্র আশুরা মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনটি শুধু ঐতিহাসিক নানা ঘটনার স্মৃতিবাহী নয়, বরং সত্য, ন্যায় ও আল্লাহর প্রতি আনুগত্যের এক অনন্য শিক্ষা বহন করে। জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী এক বক্তব্যে বলেন, আশুরার রোজা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ নফল ইবাদতের অন্যতম। রমজানের রোজা ফরজ
নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই এই ফেতনার যুগে ঈমান রক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ উপায় নিয়ে, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ঈমান শব্দের আভিধানিক অর্থ স্বীকার করা, স্বীকৃতি দেওয়া, অনুগত হওয়া মতান্তরে দৃঢ় বিশ্বাস করা। এটি কুফর বা
ইসলামে ইয়াতিমদের অধিকার সংরক্ষণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে ইয়াতিমদের প্রতি সদাচরণ, তাদের সম্পদের সুরক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। ইসলামি চিন্তাবিদরা বলছেন, একটি মানবিক ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ইয়াতিমদের হক আদায় অপরিহার্য। ধর্মীয় সূত্র মতে, ইয়াতিম হলো সেই শিশু, যার পিতা মৃত্যুবরণ করেছেন এবং সে এখনো প্রাপ্তবয়স্ক হয়নি। ইসলাম ইয়াতিমদের
নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই কারবালার রক্তঝরা হৃদয় বিদারক এর সংকিপ্ত ইতিহাস, সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, “ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ” ‘ইসলাম জিন্দা হোতে হে হার কারবালাকে বাদ’ অর্থাৎ ইসলামের পুনর্জাগরণ হয় প্রতিটি কারবালার পরই। কোনো এক উর্দু কবির এ প্রবাদটিই তুলে
আধুনিক সমাজব্যবস্থায় ন্যায়বিচার, সাম্য, মানবিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা হিসেবে এমন সব নীতি উপস্থাপন করেছে, যা আধুনিক সমাজের বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। ইসলামি চিন্তাবিদরা জানান, ইসলামের মৌলিক ভিত্তি হলো মানবমর্যাদার সুরক্ষা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সামাজিক ভারসাম্য বজায় রাখা। সমাজের ধনী-গরিব, নারী-পুরুষ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার নিশ্চিত করার ওপর ইসলাম