বুধবার, ১০ জুন, ২০২৬২৭ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

পবিত্র সফর মাসের ফজিলত ও আমল

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২২, ১৫:৫৩

শেয়ার করুনঃ
পবিত্র সফর মাসের ফজিলত ও আমল

ইসলামি হিজরি চান্দ্রবর্ষের দ্বিতীয় মাস সফর।

আরবি ‘সিফর’ মূল ধাতু থেকে উদ্ভূত হলে ‘সফর’ মানে হলো শূন্য, রিক্ত। আর ‘সাফর’ ক্রিয়া মূল

আরও

জুমার দিনে সবচেয়ে উত্তম আমল দরুদ পাঠ ও নামাজ

জুমার দিনে সবচেয়ে উত্তম আমল দরুদ পাঠ ও নামাজ

থেকে উৎপন্ন হলে অর্থ হবে হলুদ, হলদেটে, তামাটে, বিবর্ণ, ফ্যাকাশে, ঔজ্জ্বল্যশূন্য, দীপ্তিহীন, রক্তশূন্য ইত্যাদি। তখন আরবরা সৌরবর্ষ হিসাব করত; চান্দ্র মাস গণনা করলেও ঋতু ঠিক রাখার জন্য প্রতি তিন বছর অন্তর বর্ধিত এক মাস যোগ করে ১৩ মাসে বছর ধরে সৌরবর্ষের সঙ্গে সমন্বয় করত। সুতরাং মাসগুলো মোটামুটিভাবে রাশি ও ঋতুতে স্থিত থাকত। ঋতু ও ফল-ফসলের সঙ্গে আমাদের সব কর্মকাণ্ড প্রভাবিত হয়।

মানুষ সাধারণত অবস্থার সঙ্গে সময়কে মূল্যায়ন করে। আরব দেশে সে সময় সফর মাসে খরা হতো এবং খাদ্যাভাব, আকাল ও মঙ্গা দেখা দিত। মাঠঘাট শুকিয়ে বিবর্ণ তামাটে হয়ে যেত। ক্ষুধার্ত মানুষের চেহারাগুলো রক্তশূন্য ও ফ্যাকাশে হয়ে যেত। তাই তারা অবস্থার সঙ্গে মিল রেখে এই মাসের সঙ্গে একটি বিশেষণ যুক্ত করে বলত, ‘আস সাফারুল মুসাফফার’, অর্থাৎ ‘বিবর্ণ সফর মাস’। (লিসানুল আরব, ইবনু মানযুর র.)।

আরও

আত্মশুদ্ধির অনন্য ইবাদত পবিত্র হজ পালন

আত্মশুদ্ধির অনন্য ইবাদত পবিত্র হজ পালন

জাহেল আরবরা এই মাসকে দুঃখের মাস মনে করত, এমনকি তারা এ মাসের চাঁদ দেখা থেকে পর্যন্ত বিরত থাকত এবং দ্রুত মাস শেষ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করত। ইসলামি বিশ্বাসমতে, সময়ের সঙ্গে কোনো অকল্যাণ নেই; কল্যাণ-অকল্যাণ নির্ভর করে মানুষের বিশ্বাস ও কর্মের ওপর। তাই এই মাসের নামের সেই নেতিবাচক বিশেষণ পরিহার করে একটি সুন্দর ইতিবাচক বিশেষণ যুক্ত করে এর নামকরণ করল ‘আস সাফারুল মুজাফফার’, অর্থাৎ ‘সাফল্যের সফর মাস’।

আমল
https://enews71.com/storage/ads/01KTB48CFAEJRYTN4T9G053ER9.png

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

এতে শুধু একটি বর্ণই পরিবর্তন করা হয়েছে। আর সেটিও আরবি একই বর্গের বর্ণ, যাতে তার স্বরধ্বনি ও বর্ণ মাত্রায় তেমন পার্থক্য না হয়েও শব্দটি নেতিবাচক থেকে ইতিবাচক রূপ লাভ করল; যা ইসলামি সাহিত্যের মাহাত্ম্য ও তাৎপর্যের স্বাক্ষর বহন করে। ইতিবাচক চিন্তা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ড দ্বারা এই বিবর্ণ সফরকে বর্ণময় করে তোলাই ছিল এর অন্তর্নিহিত দর্শন।

প্রতিটি দিন ও মাসই ফজিলতপূর্ণ। মানুষের জীবন হলো সময়েরই সমষ্টি। সফর মাসও জীবনেরই অংশবিশেষ, সুতরাং সফর মাসও ফজিলতময় ও বরকতপূর্ণ। অতএব আল্লাহ তাআলার রহমত ও বরকত পেতে হলে এ মাসেও বেশি বেশি আমল করতে হবে। ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নত যথাযথভাবে আদায় করার পাশাপাশি নফল ইবাদতে মশগুল হতে হবে।

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন পবিত্র কোরআন মাজিদে বলেছেন, ‘মহাকালের শপথ, মানুষ অবশ্যই ক্ষতিগ্রস্ত; কিন্তু তারা নয়, যারা ইমান আনে ও সৎকর্ম করে এবং পরস্পরকে সত্যের উপদেশ দেয় ও ধৈর্যের উপদেশ দেয়।’ (সুরা-১০৩ আসর, আয়াত: ১-৩)। এই সুরার শুরুতে আল্লাহ তাআলা সময়ের শপথ করেছেন; এতে বোঝা যাচ্ছে সময় আল্লাহ তাআলার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

অতঃপর বিশ্বাস, সৎকর্ম, সদুপদেশ ও ধৈর্যকে সাফল্যের নিয়ামক রূপে বর্ণনা করেছেন। এই হলো ইসলামি সফলতা-ব্যর্থতার মূল কারণ। যাতে কোনো সময়কে অমঙ্গল রূপে চিত্রিত করা হয়নি; বরং সময়কে সফলতার সিঁড়ি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হাদিসে আছে: আম্মাজান উম্মে সালমা (রা.) বলেন, একদা রাতে নবীজি (সা.) জাগ্রত হয়ে বললেন, সুবহানাল্লাহ! এ চমৎকার সুন্দর রাত! এতে কত-না বিপদ আপতিত হয়; আর এতে কত-না রহমতের ধনভান্ডার খুলে দেওয়া হয়। (বুখারি, প্রথম খণ্ড, হাদিস নম্বর ১১৬)।

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

রাত আল্লাহরই সৃষ্টি, এতে মঙ্গল-অমঙ্গল উভয় নিহিত; অর্জিত ফলাফল নির্ধারিত হবে মানুষের কর্মের ওপর ভিত্তি করে। এ রাতের সুবাদে মানুষের জীবনে ভালো বা মন্দ দুটোই ঘটতে পারে। মানুষ ইচ্ছা করলে মঙ্গল কর্ম সম্পাদন করতে পারে অথবা অমঙ্গল। হাদিসে আছে, ‘কোনো অশুভ-অযাত্রা নেই, কোনো ভূতপ্রেত বা অতৃপ্ত আত্মার অশুভ ক্ষমতা নেই এবং সফর মাসের অশুভ কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই।’ (বুখারি, পঞ্চম খণ্ড, হাদিস নম্বর ২১৫১,২১৬১, ২১৭১ ও ২১৭৭)।

চান্দ্রমাসের আমল হলো: ১ তারিখ, ১০ তারিখ, ২০ তারিখ ও ২৯-৩০ তারিখ নফল রোজা। ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ আইয়ামে বিদের সুন্নত রোজা এবং সপ্তাহে প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার সুন্নত রোজা। চন্দ্র দর্শন, দোয়া পাঠ ও নফল নামাজ বিশেষ ফজিলতপূর্ণ আমল।

তাই সবার উচিত আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রেখে নেক আমল করা। আর প্রতি চন্দ্রমাসে নির্দিষ্ট কিছু আমল থাকে। সে আমলগুলো সফর মাসে করা যেতে পারে। যেমন ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখে আইয়ামে বিজের তিনটি রোজার প্রতি যত্নশীল হওয়া।

প্রতি মাসে ৩টি রোজা পালনের কথা হাদিসে এসেছে। আব্দুল্লাহ ইবনে আ’মর ইবনে আ’স রা. থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘প্রতি মাসে তিনটি করে সিয়াম পালন, সারা বছর ধরে সিয়াম পালনের সমান” (বুখারীঃ ১১৫৯, ১৯৭৫)

এছাড়া প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার অভ্যাস করা। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ দুই দিন বিশেষ রোজা রাখতেন। এ বিষয়ে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন-  বৃহস্পতি ও সোমবার আল্লাহ তায়ালার সামনে বান্দার আমল উপস্থাপন করা হয়, তাই আমি চাই- আমার আমল পেশ করার সময় আমি যেন রোজা অবস্থায় থাকি। -(সুনানে নাসায়ী, ২৩৫৮)

সর্বোপরি ফরজ, ওয়াজিব ও সুন্নতে মুয়াক্কাদা যথাযথ পালন করার সাথে সাথে নফল দান সদকার প্রতি মনোযোগী হওয়া। নতুন মাসে বরকতের চাঁদ দেখে দোয়া পাঠ করা। মহান আল্লাহ পাক যেন উপরোক্ত আলোচনার উপর আমল করার তাওফিক দান করুন আমিন। 

লেখকঃ- হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, সাবেক ইমাম ও খতীব কদমতলী মাজার জামে মসজিদ সিলেট।

সর্বশেষ সংবাদ

টেকনাফে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: অপহৃত ৫ শিশু-কিশোর উদ্ধার

টেকনাফে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: অপহৃত ৫ শিশু-কিশোর উদ্ধার

ত্রিমাত্রিক নেশায় ধ্বংস হচ্ছে সরাইলের তরুণরা

ত্রিমাত্রিক নেশায় ধ্বংস হচ্ছে সরাইলের তরুণরা

বরিশালের কেডিসি বস্তিতে মজুদকৃত ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

বরিশালের কেডিসি বস্তিতে মজুদকৃত ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

বিজিবি’র অভিযান: উখিয়া সীমান্তে সাড়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

বিজিবি’র অভিযান: উখিয়া সীমান্তে সাড়ে ৫ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

জনপ্রিয় সংবাদ

ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন দখলচেষ্টা ব্যর্থ, স্বস্তিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন দখলচেষ্টা ব্যর্থ, স্বস্তিতে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা

তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ

তুরস্ককে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দেওয়ার প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ

ভূরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ আগুনে শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই

ভূরুঙ্গামারী বাজারে ভয়াবহ আগুনে শতাধিক দোকান পুড়ে ছাই

সাপাহার সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি

সাপাহার সীমান্তে ১৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ করল বিজিবি

গোপালপুরে সংঘর্ষে নিহত ১, দুই গ্রামে ১৪৪ ধারা জারি

গোপালপুরে সংঘর্ষে নিহত ১, দুই গ্রামে ১৪৪ ধারা জারি

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পারস্পরিক সম্মানেই টিকে থাকে সুখী দাম্পত্য জীবন

পারস্পরিক সম্মানেই টিকে থাকে সুখী দাম্পত্য জীবন

পরিবার সমাজের মূল ভিত্তি, আর সেই পরিবারের কেন্দ্রবিন্দু হলো স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক। ইসলাম স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পারস্পরিক ভালোবাসা, সম্মান, সহযোগিতা এবং দায়িত্বশীলতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে উভয়ের অধিকার ও কর্তব্য স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। ইসলাম অনুযায়ী, স্বামীর অন্যতম দায়িত্ব হলো স্ত্রীর ভরণপোষণ, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা নিশ্চিত করা। স্ত্রীকে সম্মানজনক আচরণ করা এবং তার ন্যায্য অধিকার আদায় করা

নারী শিশুর মর্যাদা রক্ষায় ইসলামের সুস্পষ্ট নির্দেশনা

নারী শিশুর মর্যাদা রক্ষায় ইসলামের সুস্পষ্ট নির্দেশনা

নারী ও শিশুর অধিকার রক্ষায় ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ ও মানবিক জীবনব্যবস্থা উপস্থাপন করেছে। ইসলাম নারী ও শিশুকে সমাজের দুর্বল অংশ হিসেবে নয়, বরং সম্মানিত ও অধিকারসম্পন্ন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে নারী ও শিশুর নিরাপত্তা, শিক্ষা, ভরণপোষণ, মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসলাম-পূর্ব আরব সমাজে কন্যাশিশুকে অবহেলা করা হতো, এমনকি জীবন্ত কবর দেওয়ার

হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনা

হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনা

। হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী। নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ” প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আজ আমি আপনাদের হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী, আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই হঠাৎ তিনদিন হযরত মুহাম্মদ (সা.) মদিনাতে না থাকার অশ্রুশিক্ত ঘটনাটি নিয়ে সেই সম্পর্কে নিম্নে সংকিপ্ত আকারে আলোচনা তুলে ধরছি, ওয়ামা তাওফিকি ইল্লা বিল্লাহ একটি ঘটনা পরলে চোখের পানি চলে আসবে পড়তে পড়তে কখন কেঁদে ফেলেছি

জুমার দিনে সবচেয়ে উত্তম আমল দরুদ পাঠ ও নামাজ

জুমার দিনে সবচেয়ে উত্তম আমল দরুদ পাঠ ও নামাজ

ইসলামে জুমার দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। পবিত্র এই দিনে আল্লাহ তাআলা বিশেষ রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের দরজা খুলে দেন। তাই মুসলমানরা এ দিনে বিভিন্ন ইবাদত ও নেক আমলের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করেন। ইসলামি গবেষক ও আলেমদের মতে, জুমার দিনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমল হলো সময়মতো জুমার নামাজ আদায় করা, বেশি বেশি দরুদ শরিফ পাঠ করা এবং

এতিমদের অধিকার রক্ষায় ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

এতিমদের অধিকার রক্ষায় ইসলামের কঠোর নির্দেশনা

ইসলাম এতিমদের প্রতি সহানুভূতি, দয়া ও দায়িত্বশীল আচরণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এতিমদের অধিকার রক্ষা, তাদের ভরণ-পোষণ নিশ্চিত করা এবং সম্পদের নিরাপত্তা বিধানের ব্যাপারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিতে এতিম হলো সেই শিশু, যে বালেগ হওয়ার আগে পিতাকে হারায়। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতে এতিমদের প্রতি সদাচরণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তাদের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ