বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬৬ কার্তিক, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

মুসলিম-অমুসলিম সবাই কি ভালো কাজের প্রতিদান পাবে?

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২২, ১৬:৩০

শেয়ার করুনঃ
মুসলিম-অমুসলিম সবাই কি ভালো কাজের প্রতিদান পাবে?

প্রতিটি ভালো কাজেরই রয়েছে উত্তম প্রতিদান। চাই সে মুসলিম হোক কিংবা অমুসলিম। মহান আল্লাহ উভয়কেই ভালো কাজের প্রতিদান দিয়ে থাকেন। তবে সবার প্রতিদান এক রকম নয়। এর রয়েছে ভিন্নতা। কারণ আল্লাহ তাআলা মানুষকে ভালো কাজের সর্বোত্তম প্রতিদান দিতে ঈমানকে শর্ত করে দিয়েছেন। মানুষের সব ভালো আমল বা কাজ তখনই উত্তম প্রতিদান পাবে, যখন আমলকারী হবে পরিপূর্ণ ঈমানদার। আর কেউ ঈমানদার না হয়; তবে সেও পাবে ভালো কাজের প্রতিদান। কী প্রতিদান পাবেন তারা?

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব মানুষকে ভালো কাজের প্রতি উৎসাহিত করেছেন। হাদিসের যে উৎসাহ সবার জন্য অনুপ্রেরণা। তাহলো-

আরও

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

হজরত আবু যর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন যে, ‘আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘যে ব্যক্তি একটি কল্যাণমূলক কাজ করবে তার জন্য রয়েছে অনুরূপ ১০টি কল্যাণমূলক পুরস্কার; এমনকি আমি তা বাড়িয়ে দেবো। আর যে ব্যক্তি একটি মন্দ কাজ করবে তার জন্য রয়েছে অনুরূপ একটি মন্দ প্রতিদান অথবা আমি তাকে ক্ষমা করে দেবো (যদি সে অনুতপ্ত হয়ে আমার কাছে ক্ষমা চায় ও ভবিষ্যতে অন্যায় কাজ না করার প্রতিশ্রুতি দেয়)

আর যে ব্যক্তি আমার (আনুগত্যের) দিকে এক বিঘত (আধা হাত) এগিয়ে আসবে আমি তার (কল্যাণে) প্রতি এক হাত এগিয়ে আসবো। আর যে ব্যক্তি আমার (আনুগত্যের) দিকে এক হাত এগিয়ে আসবে আমি তার (কল্যাণে) প্রতি এক বাহু (দুই বাহু সমান) এগিয়ে আসবো। আর যে ব্যক্তি আমার (আনুগত্যের) দিকে হেঁটে আসবে; আমি তার (কল্যাণের) দিকে দৌড়ে যাবো।

আরও

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

আর যদি কেউ আমর সঙ্গে শিরক না করে (আমার সঙ্গে শরিক বা অংশীদার সাব্যস্ত না করে) পৃথিবীসম গুনাহ (পাপ) নিয়ে আমার সামনে হাজির হয় (আমার কাছে ক্ষমা চায় ও তাওবাহ করে) তবে আমিও তার সামনে অনুরূপ (পৃথিবীসম) বিশাল ক্ষমা নিয়ে হাজির হবো।’ (মুসলিম, মুসনাদে আহমাদ, ইবনে মাজাহ)

ভালো কাজের প্রতিদান

আল্লাহ তাআলা মুসলিমদের পাশাপাশি অমুসলিমদেরও ভালো কাজের প্রতিদান দেবেন। তবে এ প্রতিদানের ধরন কেমন হবে; তাও হাদিসের বর্ণনায় সুস্পষ্ট। এ সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সুস্পষ্ট তথ্য তুলে ধরেছেন এভাবে-

১. হজরত আবু বাকর ইবনু আবু শাইবাহ ও যুহায়র ইবনু হারব রাহমাতুল্লাহি আলাইহি হজরত আনাস ইবনু মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘একটি নেকির ক্ষেত্রেও আল্লাহ তাআলা কোনো মুমিন বান্দার প্রতি জুলুম করবেন না। বরং তিনি এর ফলাফল দুনিয়াতে দান করবেন এবং আখিরাতেও দান করবেন। আর কাফের (অবিশ্বাসী/অমুসলিম) ব্যক্তি দুনিয়াতে আল্লাহর উদ্দেশে (মানুষের কল্যাণে) যে সৎ আমল (ভালো কাজ) করে এর প্রতিদানস্বরূপ আল্লাহ তাআলা তাকে (দুনিয়াতে) জীবিকা নির্বাহ করাবেন। পরিশেষে পরকালে প্রতিফল দেওয়ার মতো তার কাছে কোনো সৎ আমলই থাকবে না।’ (মুসলিম)

২. হজরত আসিম ইবনু নাযর আত-তামিমি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি হজরত আনাস ইবনু মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, কাফির (অবিশ্বাসী/অমুসলিম) যদি দুনিয়াতে কোন সৎ আমল (ভালো কাজ) করে তবে এর প্রতিদানস্বরূপ দুনিয়াতেই তাকে জীবনোপকরণ প্রদান করা হয়ে থাকে। আর মুমিনদের নেকি (ভালো কাজ) আল্লাহ তাআলা পরকালের জন্য জমা করে রেখে দেন। আর (ইসলামের) আনুগত্যের প্রতিফলস্বরূপ আল্লাহ তাআলা তাদেরকে পৃথিবীতেও জীবিকা নির্বাহ করে থাকেন।’ (মুসলিম)

তাই ভালা কাজ যেই করুক না কেন, আল্লাহ তাআলা প্রতিটি ভালো কাজেরই প্রতিদান দিয়ে থাকেন। আল্লাহ তাআলা মানুষের কল্যাণে সব ভালো কাজের বিনিময় দেন অনেকগুণ। চাই সে মুসলিম হোক কিংবা অমুসলিম। উল্লেখিত হাদিসের বর্ণনা থেকে তা প্রমাণিত।

মুসলিম-অমুসলিমের ভালো কাজের দোয়া

মুসলিম কিংবা অমুসলিম হোক; উভয়ের কাউকে ভালো কাজ করতে দেখলেও তাদের জন্য দোয়া করতে হবে। কী দোয়া করতে হবে, তাও এসেছে হাদিসের বর্ণনায়। মুসলিম হোক কিংবা অমুসলিম হোক, কেউ কারো উপকার করলে কিংবা কেউ ভালো কাজে এগিয়ে আসলে তার জন্য হাদিসে দোয়া করার নির্দেশনা এসেছে এভাবে-

> অমুসলিম ব্যক্তির জন্য দোয়া

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

ভালো কাজ করা ব্যক্তি যদি অমুসলিম হয় তবে তার জন্যও রয়েছে ছোট্ট একটি দোয়া। তাহলো-

جَمَّلَكَ اللهُ

উচ্চারণ : ঝাম্মালাকাল্লাহ

অর্থ : আল্লাহ আপনাকে সৌন্দর্যমণ্ডিত করুন।

> মুসলিম হলে

এছাড়াও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম মুসলিম উম্মাহর যে কোনো ভালো কাজের বিনিময়ে এ দোয়া বলার নসিহত পেশ করেছেন-

جَزَاكَ اللهُ خَيْرًا

উচ্চারণ : ঝাযাকাল্লাহু খাইরান। (তিরমিজি)

অর্থ : আল্লাহ তাআলা আপনাকে (কাজের) উত্তম বদলা প্রতিদান করুন।

সুতরাং মানব জাতির সব ধর্ম-বর্ণ-গোত্রের মানুষের উচিত, সত্যের পথে এগিয়ে আসা। সুন্দর কল্যাণময় জীবন ব্যবস্থা গ্রহণ করে দুনিয়া ও পরকালের অসংখ্য নেয়ামত ও কল্যাণ লাভে নিজেকে তৈরি করা। ঈমানের নেয়ামত অর্জন করে নিজেদের ধন্য করা।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহসহ গোটা মানব জাতিকে ইসলামের পতাকাতলে অবস্থান করে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কোরআন-সুন্নাহর আমল যথাযথভাবে আদায় করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের সব নেয়ামত ও কল্যাণের অধিকারী হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

সর্বশেষ সংবাদ

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস, বিএআরসির সহকারী পরিচালক গ্রেপ্তার

দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে বিএনপি: গোলাম পরওয়ার

দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে বিএনপি: গোলাম পরওয়ার

লাকসামে কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ বন্ধ

লাকসামে কর্ণফুলি এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত, ঢাকা-চট্টগ্রাম রেল যোগাযোগ বন্ধ

বিয়ের ছয় দিনেই নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি আটক

বিয়ের ছয় দিনেই নববধূর মৃত্যু, স্বামী-শাশুড়ি আটক

হিলি সীমান্তের শূন্য রেখা দুই দেশের দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত

হিলি সীমান্তের শূন্য রেখা দুই দেশের দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত

জনপ্রিয় সংবাদ

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু

নবাবগঞ্জে গাছ কেটে ডাকাতি, আন্তঃজেলা চক্রের আট সদস্য গ্রেপ্তার

নবাবগঞ্জে গাছ কেটে ডাকাতি, আন্তঃজেলা চক্রের আট সদস্য গ্রেপ্তার

কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৭, নিখোঁজ ৫

কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৭, নিখোঁজ ৫

বিশ্বযোগ প্রকল্প নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

বিশ্বযোগ প্রকল্প নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলবে: হাসনাত আব্দুল্লাহ

পাঁচবিবিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, কারাগারে অভিযুক্ত

পাঁচবিবিতে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, কারাগারে অভিযুক্ত

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

মুসলিম উম্মাহর কাছে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। ইসলামে এ দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়। জুমার দিন মুসলমানরা মসজিদে সমবেত হয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন, আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হন এবং নিজেদের ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, শুক্রবার এমন একটি দিন, যেদিন আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। তাই এ দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনের মর্যাদা উল্লেখ করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ দিনে জুমার নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে জুমার নামাজের আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিনগুলোর একটি হলো জুমার দিন। এ দিনে মুসলমানদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু আমল ও ইবাদতের সুযোগ। কোরআনে জুমার নামাজের আহ্বান হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে এ নির্দেশনা এসেছে। জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গোসল করে পরিচ্ছন্ন হওয়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে গোসলের

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে