শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৬২৬ পৌষ, ১৪৩২
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

যেসব গুনাহকে সবচেয়ে বড় বলেছেন নবিজী (সা.)

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২২, ১৬:১৮

শেয়ার করুনঃ
যেসব গুনাহকে সবচেয়ে বড় বলেছেন নবিজী (সা.)

আল্লাহ ও নবিজীর বিধি-বিধান এবং নির্দেশের বিপরীতে যেসব কাজ; ইসলামি শরিয়তে সেগুলোই গুনাহ। কোরআন-সুন্নাহর নির্দেশ অমান্য করা এবং নিষেধাজ্ঞামূলক কাজ থেকে নিজেদের বিরত না থাকাই গুনাহ। এসব গুনাহের মধ্যে নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনটি কাজকে সবচেয়ে বড় গুনাহ বলে আখ্যায়িত করেছেন। সে গুনাহের কাজগুলো কী?

নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে পাকে তিনটি গুনাহকে সবচেয়ে বড় বলে ঘোষণা করেছেন। তাহলো- শিরক করা, খাবারের ভয়ে হত্যা করা এবং প্রতিবেশির স্ত্রীর সঙ্গে ব্যভিচার করা। হাদিসে পাকে এসেছে-

আরও

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ ৩ আমল, কোরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা

জুমার দিনের শ্রেষ্ঠ ৩ আমল, কোরআন-হাদিসের ব্যাখ্যা

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, এক লোক বললো, হে আল্লাহর রাসুল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম; আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বড় গুনাহ কোনটি? তিনি বললেন, ‘তুমি আল্লাহর সঙ্গে কাউকে সমকক্ষ গণ্য করো অথচ তিনিই তোমাকে সৃষ্টি করেছেন।

লোকটি বললো, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, ‘তারপর হলো, তুমি তোমার সন্তানকে এ ভয়ে হত্যা করো যে, সে তোমার সঙ্গে খাদ্য খাবে।লোকটি বললো, এরপর কোনটি? তিনি বললেন, ‘তারপর হলো, তুমি তোমার প্রতিবেশির স্ত্রীর সঙ্গে জিনা-ব্যভিচার করো।

আরও

পবিত্র রজব মাসের ফজিলত ও ইবাদত

পবিত্র রজব মাসের ফজিলত ও ইবাদত

কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

https://enews71.com/storage/ads/01JR36BQSKCPE69WB8Z3TARXE3.jpg

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01JR3CX28Y9BM01PRE4TXCNDWF.jpg

এরপর তিনি (হজরত ইবনে মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু) বলেছেন, ‘আল্লাহ তাআলা এ কথার সত্যতায় (কোরআনে) অবতীর্ণ করলেন-

https://enews71.com/storage/ads/01KE26RV3X2DEVSK9FXGRJNSKS.png

وَ الَّذِیۡنَ لَا یَدۡعُوۡنَ مَعَ اللّٰهِ اِلٰـهًا اٰخَرَ وَ لَا یَقۡتُلُوۡنَ النَّفۡسَ الَّتِیۡ حَرَّمَ اللّٰهُ اِلَّا بِالۡحَقِّ وَ لَا یَزۡنُوۡنَ ۚ وَ مَنۡ یَّفۡعَلۡ ذٰلِکَ یَلۡقَ اَثَامًا

‘আর তারা আল্লাহর সঙ্গে কোনো ইলাহকে আহবান করে না, আল্লাহ যার হত্যা নিষেধ করেছেন উপযুক্ত কারণ ছাড়া তাকে হত্যা করে না এবং ব্যভিচার করে না। যে এগুলো করে সে শাস্তি ভোগ করবে (সুরা ফুরকান : আয়াত ৬৮)।’ (বুখারি, মুসলিম, নাসাঈ, আবু দাউদ, তিরমিজি, মিশকাত)

কোরআনুল কারিমের এ গুনাহের কথাই রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে পাকে সবচেয়ে বড় গুনাহ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যে গুনাহের কোনো ক্ষমা নেই। তাই কোনো অবস্থাতেই আল্লাহর সঙ্গে শিরক করা যাবে না।পাশাপাশি হাদিসে সবচেয়ে বড় আরো যে দুইটি গুনাহের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যেমন- অন্যায়ভাবে অভাবের ভয়ে নিজের সন্তানকে হত্যা করা এবং প্রতিবেশীর স্ত্রীদের সঙ্গে ব্যভিচার করা। এ দুইটি গুনাহও বড় গুনাহসমূহের মধ্যে অন্যতম।

সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, শিরকের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। অন্যান্য সব গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা। কোরআন-সুন্নাহর দিকনির্দেশনা অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা। গুনাহমুক্ত জীবন পরিচালনাই মুক্তির একমাত্র উপায়।আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসে উল্লেখিত গুনাহগুলো থেকে হেফাজত থাকার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহ মোতাবেক জীবন পরিচালনা করে পরকালের সফলতা পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রীমঙ্গলে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি, ২ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড

শ্রীমঙ্গলে অতিরিক্ত দামে এলপিজি গ্যাস বিক্রি, ২ প্রতিষ্ঠানকে অর্থদন্ড

কোন ব্যক্তির কাছে বিএনপি হারতে পারেনা: ইঞ্জি:শ্যামল

কোন ব্যক্তির কাছে বিএনপি হারতে পারেনা: ইঞ্জি:শ্যামল

তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন জাতীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ

তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন জাতীয় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ

শরীফ হাদির হত্যাকারী ফয়সাল মেঘালয়ে অবস্থান করছে: ডিবি প্রধান

শরীফ হাদির হত্যাকারী ফয়সাল মেঘালয়ে অবস্থান করছে: ডিবি প্রধান

খালেদা জিয়াকে ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়: এবিএম মোশাররফ হোসেন

খালেদা জিয়াকে ছাড়া বাংলাদেশের ইতিহাস লেখা সম্ভব নয়: এবিএম মোশাররফ হোসেন

সর্বশেষ সংবাদ

তামিম ইস্যুতে বিসিবি পরিচালক বললেন ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না

তামিম ইস্যুতে বিসিবি পরিচালক বললেন ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই আসে না

কুমিল্লা-৪: মনোনয়ন বাতিলে বিএনপি-এনসিপি প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি আবেদন

কুমিল্লা-৪: মনোনয়ন বাতিলে বিএনপি-এনসিপি প্রার্থীর পাল্টাপাল্টি আবেদন

আগামী নির্বাচন হবে দলীয় প্রভাবমুক্ত ও নিরেপক্ষ: উপদেষ্টা ফাওজুল কবির

আগামী নির্বাচন হবে দলীয় প্রভাবমুক্ত ও নিরেপক্ষ: উপদেষ্টা ফাওজুল কবির

ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষক পরীক্ষায় তিন প্রার্থী ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ আটক

ঠাকুরগাঁওয়ে শিক্ষক পরীক্ষায় তিন প্রার্থী ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ আটক

বরিশালের ১১ বিএনপির নেতা বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার

বরিশালের ১১ বিএনপির নেতা বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৬ আমল

জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ ৬ আমল

মুসলিমদের কাছে জুমার দিন পবিত্র ও গুরুত্বপূর্ণ। হাদিসে এই দিনটিকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে। এ বিষয়ে রাসুল (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় আল্লাহ এ দিনটিকে মুসলমানদের জন্য ঈদের দিনরূপে নির্ধারণ করেছেন। তাই যে ব্যক্তি জুমার নামাজ আদায় করতে আসবে সে যেন গোসল করে এবং সুগন্ধি থাকলে তা শরীরে লাগায়। মিসওয়াক করাও তোমাদের কর্তব্য। (সুনানে ইবনে মাজা) জুমার নামাজ হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে

মেরাজের রজনীতে হাবিব ও মাহবুবের একান্ত সাক্ষাৎ: দুধরচকী

মেরাজের রজনীতে হাবিব ও মাহবুবের একান্ত সাক্ষাৎ: দুধরচকী

মেরাজ অর্থ ঊর্ধ্বগমন। পরিভাষায় মেরাজ হলো, মহানবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সশরীরে সজ্ঞানে জাগ্রত অবস্থায় হযরত জিবরাইল (আ.) ও হযরত মিকাইল (আ.)এর সঙ্গে বিশেষ বাহন বোরাকের মাধ্যমে মসজিদুল হারাম থেকে মসজিদুল আকসা হয়ে প্রথম আসমান থেকে একে একে সপ্তম আসমান এবং সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত এবং সেখান থেকে একাকী রফরফ বাহনে আরশে আজিম পর্যন্ত ভ্রমণ; মহান আল্লাহ তায়ালার

দোয়া আর নফল ইবাদতে হোক নববর্ষের সূচনা

দোয়া আর নফল ইবাদতে হোক নববর্ষের সূচনা

নতুন বছর উপলক্ষে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে আমাদের প্রার্থনা থাকবে তিনি যেন আমাদের জন্য অফুরন্ত কল্যাণ বয়ে আনেন। সাধারণত দেখা যায় নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে লোকেরা হৈ-হুল্লোড় ও ক্রীড়া-কৌতুক আর জাগতিক আনন্দ-উল্লাসের মাঝে সারা রাত কাটিয়ে দেয় আর এতে এমন কোন অপকর্ম নেই যা পাশ্চাত্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে না করা হয়। আমাদের নিজেদের কর্ম নিয়ে একটু তো চিন্তা করা উচিত যে,

কোরআন ও হাদীসের আলোকে শবে মেরাজ এবং মেরাজের ঘটনা

কোরআন ও হাদীসের আলোকে শবে মেরাজ এবং মেরাজের ঘটনা

সাতাশে রজবের রাতঃ প্রসিদ্ধ আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মেরাজ এই রাতে হয়েছিল। প্রসিদ্ধ কথাটা এজন্য বলা হল যে, কোন মাসে এবং কোন তারিখে মেরাজ হয়েছিল এ ব্যাপারে প্রচুর মতভেদ আছে। প্রসিদ্ধ হল রজব মাসের ২৭ তারিখেই এটা হয়েছিল। মেরাজ হয়েছিল একথা কোরআনে এবং হাদীসে আছে, ইতিহাসেও রয়েছে। এটা সত্য ঘটনা। কিন্তু কোন তারিখে হয়েছিল সেটা নিয়ে মতভেদ আছে।

পবিত্র রজব মাসের ফজিলত ও ইবাদত

পবিত্র রজব মাসের ফজিলত ও ইবাদত

‘রজব’ হলো আল্লাহ তায়ালার বিশেষ অনুগ্রহের মাস। রজব মাস বান্দার গুনাহ মাফের মাস। রজব মাসের সঙ্গে ইসলামের অতীত ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। হযরত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-রজব মাসে আকাশ পানে মেরাজে গমন করেছিলেন। হযরত নূহ (আ.) মহাপ্লাবনের আশঙ্কায় রজব মাসেই কিস্তিতে আরোহণ করেছিলেন। হযরত রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের- কাছে রজব মাসেই প্রথম ওহি আসে। এছাড়া রজব হলো জান্নাতের