সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬৩ কার্তিক, ১৪৩৩
logo
ENকনভার্টার
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
    • বিশ্বকাপ
    • ক্রিকেট
    • ফুটবল
    • অন্যান্য খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
    • আইন-আদালত
    • সাহিত্য
    • প্রবাস জীবন
    • কৃষি
    • বাংলাদেশে করোনা
    • গনমাধ্যম
    • আবহাওয়া
    • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
    • ভাইরাল টপিক
    • অর্থনীতি
    • ব্যবসা ও বাণিজ্য
    • বিজ্ঞান-প্রযুক্তি
    • অপরাধ
    • স্বাস্থ্য
    • ধর্ম
    • বন্যা পরিস্থিতি
    • জনদুর্ভোগ
    • প্রতিবেশী
    • পর্যটন
    • মজার খবর
    • শিক্ষা
    • শেয়ার বাজার
    • চাকুরী
    • লাইফস্টাইল
অনুসন্ধান
logo
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
logo
  • হোম
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • আন্তর্জাতিক
  • বিনোদন
  • সম্পাদকীয়
  • খেলাধুলা
  • বাংলাদেশ
  • বিবিধ খবর
  • বিশেষ প্রতিবেদন
  • অন্যান্য
  • অনুসন্ধান করুন
  • সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা
Logo

সম্পাদক : মোঃ শওকত হায়দার (জিকো)

প্রকাশক : ইনিউজ৭১ মিডিয়া লিমিটেড

হাউজ: নাম্বার ৫৫ , দ্বিতীয় তলা, রোড নাম্বার ৬/এ , সেক্টর - ১২ উত্তরা, ঢাকা - ১২৩০ ।

ফোন: +880 258 053 897, ইমেইল: [email protected] , [email protected]

গোপনীয়তার নীতি

ব্যবহারের শর্তাবলি

যোগাযোগ

আমাদের সম্পর্কে

আমরা

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

স্বত্ব © ইনিউজ৭১.কম

ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

ধর্ম

জবাব দিয়ে সওয়াবের অংশীদার হওয়ার উপায়

Ziaul Hoque
জিয়াউল হক, নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৪:৫৫

শেয়ার করুনঃ
জবাব দিয়ে সওয়াবের অংশীদার হওয়ার উপায়

জবাবদান ইসলামের অন্যতম সংস্কৃতি। জবাবদানের মাধ্যমে একে অন্যের পুণ্যের অংশীদার হওয়া যায়, যদিও প্রথম ব্যক্তির পুণ্যের মধ্যে কোনো ঘাটতি হয় না। এর পরস্পরের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভালোবাসা তৈরি হয়। ইসলামের কয়েকটি জবাবদান পদ্ধতি নিয়ে আলোকপাত করা হলো—  

সালামের জবাব : সালাম মুসলমানদের পরস্পরের মধ্যে অভিবাদন জানানো এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি, নিরাপত্তা ও ভালোবাসা প্রকাশের অতুলনীয় মাধ্যম। সেই সঙ্গে ইসলামী সমাজের অন্যতম প্রতীক এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। সালামের জবাব দেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব এবং নেকি অর্জনের মাধ্যম। কাজেই শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সালাম আদান-প্রদান করতে হয়।

আরও

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

ক্ষমাশীল হতে বলেছে কোরআন ও হাদিস

সালাম দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ’ বললে জবাবে ‘ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’ বলতে হয়। সালাম দেওয়ার ক্ষেত্রে ‘আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’ বললে জবাবেও অনুরূপ ‘ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু’ বলতে হয়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমাদের যখন অভিবাদন করা হয় তখন তোমরাও তার চেয়ে উত্তম প্রত্যভিবাদন করবে অথবা তার অনুরূপ করবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব বিষয়ে হিসাব গ্রহণকারী।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৮৬)

আজানের জবাব : আজান ইসলামের অন্যতম নিদর্শন। ইসলামে মুয়াজ্জিনের মর্যাদা ও ফজিলত ঈর্ষণীয়। সবার মুয়াজ্জিন হওয়ার সুযোগ না থাকলেও মুয়াজ্জিনের মর্যাদা লাভের সুযোগ আছে। আজানের জবাব দিয়ে সেই মর্যাদা লাভ করা যায়। 

আরও

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি

মহানবী (সা.)-এর সার্বজনীন আদর্শ ও চারিত্রিক গুণাবলি
জবাবসওয়াব
https://enews71.com/storage/ads/01M1TJ1Y03SG5Y5HBJA4PJG3XC.PNG

সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা

https://enews71.com/storage/ads/01KQAGP3MQSHQ8RXANFF54S1W4.jpg

আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি বলল, হে আল্লাহর রাসুল, মুয়াজ্জিনদের মর্যাদা আমাদের চেয়ে বেশি হয়ে যাবে। রাসুল (সা.) বলেন, ‘তুমিও তা বলো, মুয়াজ্জিন যা বলে। তারপর আজান শেষ হলে আল্লাহর কাছে চাও, যা চাইবে দেওয়া হবে।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৫২৪)

হাঁচির জবাব : কোনো ব্যক্তির হাঁচি এলে সে মহান আল্লাহর শুকরিয়া করে শব্দ করে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলবে। জবাবে অন্যরা বলবে, ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’। তার জবাবে হাঁচিদাতা বলবে, ‘ইয়াহদিকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বালাকুম।’ এভাবে হাঁচির জবাব দিলে হাঁচিদাতার বিব্রতকর অবস্থা দূর হয় এবং সবার স্বস্তি ফিরে আসে। 

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘তোমাদের কেউ যখন হাঁচি দেয় তখন সে যেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলে। তার সঙ্গী যেন জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলে। যখন তার সঙ্গী ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ বলবে, তখন হাঁচিদাতা যেন জবাবে ‘ইয়াহদিকুমুল্লাহু ওয়া ইউসলিহু বালাকুম’ বলে। (বুখারি, হাদিস : ৬২২৪)

কৃতজ্ঞতাপূর্ণ আচরণের জবাব : একে অন্যের সহযোগিতা নিয়ে সমাজে বসবাস করতে হয়। অন্যের সহযোগিতায় উপকৃত হওয়ার পর সহযোগীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ, উপহার প্রদান এবং দোয়া করা উচিত। এর মাধ্যমে নেকির পাল্লা ভারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরস্পরের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব গড়ে উঠবে। যা ইসলামী সমাজব্যবস্থার অন্যতম আবেদন। 

https://enews71.com/storage/ads/01KQAFXVCPZYMHSTP1NK7D37C5.jpg

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেন, ‘কেউ যদি তোমাদের সঙ্গে কৃতজ্ঞতার আচরণ করে তাহলে তোমরাও তার সঙ্গে কৃতজ্ঞতার আচরণ করো। (তাকে কিছু হাদিয়া দাও) যদি কিছু দিতে না পারো অন্তত তার জন্য দোয়া  করো, যাতে সে বুঝতে পারে যে তুমি তার প্রতি কৃতজ্ঞ। (বুখারি, হাদিস : ২১৬) এ ক্ষেত্রে কমপক্ষে ‘জাজাকাল্লাহু খাইরান’ বলার কথা হাদিসে বর্ণিত হয়েছে।

প্রশ্নের জবাব : জানার জন্য কেউ প্রশ্ন করলে জবাব দিয়ে জ্ঞান অর্জনে সহযোগিতার নেকি অর্জন করা যায়। না জেনে জবাব দেওয়া এবং জেনে-শুনে গোপন করা দুটোই অপরাধ। যারা ইলম (জ্ঞান) গোপন করে বা বিকৃত করে, তাদের জন্য আছে কঠিন হুঁশিয়ারি ও ফেরেশতাদের অভিশাপ।

মহান আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই যারা আমার নাজিলকৃত উজ্জ্বল নিদর্শনাবলি ও হিদায়াত গোপন করে—যদিও আমি কিতাবে তা মানুষের জন্য সুস্পষ্টরূপে বর্ণনা করেছি, তাদের প্রতি আল্লাহ লানত বর্ষণ করেন এবং অন্য লানতকারীরাও (ফেরেশতারা) লানত করে।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৫৯)

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি এমন ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হয় যা সে জানে, অতঃপর সে তা গোপন করে, তাকে কিয়ামতের দিন আগুনের লাগাম পরানো হবে।’ (তিরমিজি, হাদিস : ২৬৪৯; আবু দাউদ, হাদিস : ৩৬৬০)

দোয়ার জবাব : একজনের দোয়ায় অন্যজন আমিন বলে দোয়ায় অংশগ্রহণ করা যায়। একাধিক মানুষ একসঙ্গে এভাবে দোয়া করলে মহান আল্লাহ তা কবুল করেন। হাবিব ইবনে মাসলামা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, ‘কিছুসংখ্যক লোক একত্র হয়ে এমনভাবে দোয়া করে যে একজন দোয়া করে অন্যরা আমিন আমিন বলতে থাকে, আল্লাহ তাদের দোয়া কবুল করেন।’ (মুসতাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৫৪৭৮)

এভাবে আরও অনেক ইবাদতের জবাবদান পদ্ধতি আছে। সেগুলো পালনের মাধ্যমে দ্বীনই কাজে একে-অন্যের সম্পূরক ও সহযোগী হওয়া যায়। এর মাধ্যমে ইসলামী সংস্কৃতির পরিধির সম্প্রসারণে এগিয়ে আসা সম্ভব। 

লেখক : ড. আবু সালেহ মুহাম্মদ তোহা। সহযোগী অধ্যাপক, আরবি বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

সর্বশেষ সংবাদ

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, ব্যাখ্যা জানতে রাষ্ট্রদূতকে তলব

সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর, ব্যাখ্যা জানতে রাষ্ট্রদূতকে তলব

রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

রাখি সাওয়ান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

দেশের প্রায় অর্ধেক পরিবার ঋণগ্রস্ত, গ্রামে সংকট সবচেয়ে বেশি

দেশের প্রায় অর্ধেক পরিবার ঋণগ্রস্ত, গ্রামে সংকট সবচেয়ে বেশি

বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে: শফিকুর রহমান

বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের পথেই হাঁটছে: শফিকুর রহমান

দুর্নীতির মামলায় কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমানপ্রধান

দুর্নীতির মামলায় কাতারে গ্রেপ্তার সাবেক বিমানপ্রধান

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবাসীদের স্বার্থরক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

প্রবাসীদের স্বার্থরক্ষায় বিশেষ আদালত গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

আজ ঐতিহাসিক আবাইপুর দিবস, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ১৮ জনের আত্মত্যাগ স্মরণ

আজ ঐতিহাসিক আবাইপুর দিবস, মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ১৮ জনের আত্মত্যাগ স্মরণ

উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর

উত্তরায় জি এম কাদেরের বাসায় হামলা-ভাঙচুর

হিলিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত

হিলিতে র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু

অফিসার্স ক্লাবের নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে সাবেক অতিরিক্ত সচিবের মৃত্যু

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

পবিত্র জুমার দিনের ফজিলত: যে আমলগুলোতে মিলতে পারে অশেষ সওয়াব

মুসলিম উম্মাহর কাছে শুক্রবার একটি বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ দিন। ইসলামে এ দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়। জুমার দিন মুসলমানরা মসজিদে সমবেত হয়ে জুমার নামাজ আদায় করেন, আল্লাহর ইবাদতে মশগুল হন এবং নিজেদের ভুল-ত্রুটির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, শুক্রবার এমন একটি দিন, যেদিন আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভের বিশেষ সুযোগ রয়েছে। তাই এ দিনটি শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিনে যেসব আমল বদলে দিতে পারে জীবন

জুমার দিন মুসলমানদের জন্য সপ্তাহের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ দিন। হাদিসে এ দিনের বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনের মর্যাদা উল্লেখ করে এটিকে গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে তুলে ধরেছেন। এ দিনে জুমার নামাজ আদায় করা হয়, যা ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। কোরআনে জুমার নামাজের আজান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ মুমিনের সাপ্তাহিক ঈমান নবায়নের গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ

জুমার নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক ইবাদত। প্রতি শুক্রবার মুসলমানরা মসজিদে একত্র হয়ে খুতবা শোনেন এবং জামাতে জুমার নামাজ আদায় করেন। কোরআনের সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে জুমার নামাজের আহ্বান হলে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যেতে এবং বেচাকেনা ছেড়ে দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বোঝা যায়, জুমার সময় পার্থিব ব্যস্ততার চেয়ে ইবাদতকে অগ্রাধিকার দেওয়ার গুরুত্ব রয়েছে। জুমার দিনের বিশেষ মর্যাদার কথাও

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

জুমার দিনের আমলেই মিলতে পারে অশেষ রহমত ও বরকত

ইসলামে সপ্তাহের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দিনগুলোর একটি হলো জুমার দিন। এ দিনে মুসলমানদের জন্য রয়েছে বিশেষ কিছু আমল ও ইবাদতের সুযোগ। কোরআনে জুমার নামাজের আহ্বান হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে আল্লাহর স্মরণের দিকে এগিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূরা জুমার ৯ নম্বর আয়াতে এ নির্দেশনা এসেছে। জুমার দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো গোসল করে পরিচ্ছন্ন হওয়া। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জুমার দিনে গোসলের

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

অন্যের উপকারে এগিয়ে আসার শিক্ষা ইসলামে

ইসলাম শুধু ইবাদতের শিক্ষা দেয় না, মানুষের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়ারও নির্দেশ দেয়। একজন মুসলমানের উত্তম চরিত্রের অন্যতম প্রকাশ হলো অন্যের উপকারে এগিয়ে আসা। বিপদে থাকা মানুষকে সহযোগিতা করা, অসহায়কে সাহায্য করা এবং মানুষের কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করাকে ইসলাম অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচনা করে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বলেন, ‘সৎকর্ম ও তাকওয়ায় একে অন্যকে সহযোগিতা করো।’ এই নির্দেশনা থেকে বোঝা যায়, সমাজে