চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান বলেছেন, সরকার দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে অন্যায়-অন্যায্য ও সব আইনি অধিকার লঙ্ঘন করে কারারুদ্ধ করে রেখেছে। এই কারারুদ্ধ করার মধ্যদিয়ে সরকার তাদের অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য এ পথ অবলম্বন করছে। এই সরকারের আমলে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার পাওয়া সুদূর পরাহত। বিরোধীদলের অধিকার, গণতন্ত্রে পরম সহিঞ্চুতা ও ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতাকে রুদ্ধ করে গোটা জাতিকে দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে।শনিবার বিকাল ৩টায় চট্টগ্রাম নগরীর দোস্ত বিল্ডিংয়ের দলীয় কার্যালয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কেন্দ্র ঘোষিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবু সুফিয়ান বলেন, বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে করা মামলা জনগণ বিশ্বাস করে না। জনগণ বিশ্বাস করে শেখ হাসিনা তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীকে নিশ্চিহ্ন করতে কারাগারে অন্তরীণ করেছে। তাই খালেদা জিয়ার অসুস্থতাকে সরকার প্রধান হিংসা চরিতার্থ করতে টার্গেট করেছে। বিনা চিকিৎসায় দেশনেত্রীকে শোচনীয় দুর্দশায় উপনীত করার কৌশলী চক্রান্ত চালাচ্ছে। সেজন্য আদালতের কাঁধে বন্দুক রেখে তাদের সেই টার্গেট বাস্তবায়ন করছে। এখন নতুন করে গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে মানুষকে মরার উপর খাঁড়ার ঘা করেছে।
তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও পানির মূল্যবৃদ্ধি না করে বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করতে হবে সরকারকে। ভর্তুকি কমাতেই বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু দেশের হতদরিদ্র মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই সরকার ভর্তুকি দেয়। বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে উৎপাদন, পরিবহন ও বাজারজাতকরণের খরচ বৃদ্ধি পায়। এতে পণ্য মূল্য বেড়ে যাবে অনেক। এমনিতেই দেশের মানুষ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে দিশেহারা, তাই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো থেকে সরকারকে সরে আসার আহ্বান জানান আবু সুফিয়ান।দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এম মনজুর উদ্দীন চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তব্য দেন- দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস, সদস্য অধ্যাপক শেখ মো. মহিউদ্দীন, এনামুল হক এনাম, ইদ্রিস মিয়া, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।