প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৪, ২২:৫
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ দাবি করেছেন দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক আব্দুল হালিম। তিনি শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এলডিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও জাতীয় কাউন্সিল উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এই দাবি করেন।
অধ্যাপক আব্দুল হালিম বলেন, "আমরা আশা করি, অন্তর্বর্তী সরকার দ্রুত মৌলিক সংস্কার সম্পন্ন করে নির্বাচন দেবেন।" তিনি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সমগ্র রাজনৈতিক দলগুলিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, "পতিত আওয়ামী লীগ একেক দিন একেক রূপে ষড়যন্ত্র করছে। তাদের সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে।"
জামায়াত নেতা তাদের সংগঠনের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব তুলে ধরেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, বিগত ১৫ বছরে জামায়াতের ১১ জন শীর্ষ নেতাকে হত্যা করা হয়েছে এবং ৩০ জন ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। এছাড়া, প্রায় ১ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
আব্দুল হালিম জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় নির্বাচনকে জরুরি বলে মনে করেন। তিনি মন্তব্য করেন, "জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।"
আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ আরও অনেক নেতা।
আলোচনা চলাকালে বক্তারা রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করার জন্য একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের দাবি জানান। জামায়াতের নেতা অধ্যাপক আব্দুল হালিমের বক্তব্যে সবার মধ্যে উত্তেজনা ও প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়, যা আগামী নির্বাচনে রাজনৈতিক পরিবেশের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে, উপস্থিত নেতারা জনগণের দাবি ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন, যা দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দৃশ্যপটকে অতিক্রম করবে।