
প্রকাশ: ১২ আগস্ট ২০২৪, ১৭:৩৮

সাবেক প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ বৈধ প্রেসিডেন্ট ছিলেন না বলে দাবি করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সাবেক ছাত্রনেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট ফজলুর রহমান। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেয়ার সময় আবদুল হামিদ তথ্য গোপন করেছেন। তখন আবদুল হামিদ ২৫ কোটি টাকার ঋণখেলাপি ছিলেন। এছাড়া তিনি স্ত্রী এবং সন্তানদের বিষয়ে মিথ্যা ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি দ্বিতীয় স্ত্রী ও তার সন্তানের তথ্য গোপন করেছেন।
তাই আইনগতভাবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে আবদুল হামিদ বৈধ ছিলেন না। ফজলুর রহমান বলেন, আবদুল হামিদের খেলাপি ঋণ ও পারিবারিক জীবনের তথ্য গোপন করার প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে। দ্বিতীয় বিজয় উদযাপন উপলক্ষে রোববার বিকালে সাবেক প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের নিজ উপজেলা মিঠামইনে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ফজলুর রহমান এসব কথা বলেন। মিঠামইন উপজেলা সদরের নতুন কাঠবাজার সংলগ্ন মাঠে উপজেলা বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে। ফজলুর রহমান বলেন, ২৮ বছর পরে মিঠামইনে কথা বলতে এসেছি।

গত ১৩ বছর ভাটি এলাকায় মাইকে কোনো কথা বলতে পারিনি। আমাকে কোথাও কোনো মিটিং করতে দেয়া হয়নি। এমনকি আমি আমার বাবার কবর, মায়ের কবর, ভাইয়ের কবর জিয়ারত করতে যেতে পারিনি। গত বছর অষ্টগ্রামে তিন মাইল লম্বা আমাদের মিছিলে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী বাহিনী ও পুলিশ মিলে হামলা চালিয়েছিল। তখন হামিদ সাহেব সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্দেশ দেন আমার মিটিং ভেঙে দেয়ার। ফজলুর রহমান বলেন,
২০১৪ সালে ইটনায় উপজেলা নির্বাচনের সময় একটা ভাষণ দিয়েছিলাম। সেই ভাষণে আমি বলেছিলাম, হামিদ সাহেব বঙ্গবন্ধুর হত্যার পরে খন্দকার মোশতাকের সাথী ছিলো। খন্দকার মোশতাক এগিয়ে চলোচ বলে হামিদ সাহেব মিছিল মিটিং করেছিলো কিশোরগঞ্জে। এই কথা বলার অপরাধে প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদের নির্দেশে আমার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দেয়া হয়। ফজলুর রহমান বলেন, পরপর তিনটি সংসদ নির্বাচনে ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে তাকে পরাজিত করে আবদুল হামিদ সংসদ সদস্য, স্পিকার ও প্রেসিডেন্ট হয়েছেন।