
প্রকাশ: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:২৮

বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশের ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য বড় অঙ্কের ঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া ১৪ লাখ ৩৪ হাজার ৪৮২ জন কৃষকের ঋণ সুদসহ মওকুফ করেছে সরকার।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে চুয়াডাঙ্গা-২ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মো. রুহুল আমিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতা এসব কৃষকের ঋণ সুদসহ অব্যাহতি দেওয়ার ফলে ব্যাংকগুলোর পাওনা অর্থ সরকার পরিশোধ করেছে। এ কর্মসূচির আওতায় সরকারের পক্ষ থেকে মোট ১ হাজার ৩৫২ কোটি ৭৪ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।
সরকারের এই উদ্যোগের আওতায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের কৃষকরাও সুবিধা পেয়েছেন। অর্থমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের সব উপজেলার কৃষকদের জন্যই ঋণ মওকুফের সুবিধা কার্যকর করা হয়েছে।
কৃষকদের ক্ষুদ্র ঋণের বোঝা কমাতে নেওয়া এই উদ্যোগকে গ্রামীণ অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়া কৃষকদের সুদসহ ঋণ মওকুফ হওয়ায় তাদের আর্থিক চাপ কিছুটা কমার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

এদিকে সংসদে চুয়াডাঙ্গা জেলার করদাতার সংখ্যা নিয়েও তথ্য তুলে ধরেছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে জেলায় ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নম্বর বা টিআইএনধারী করদাতার সংখ্যা ৭২ হাজার ৪৬৩ জন।
এর মধ্যে ২০২৫-২৬ করবর্ষে রিটার্ন দাখিল করেছেন ২১ হাজার ৫৬৭ জন। অর্থাৎ টিআইএনধারী করদাতাদের একটি অংশ ওই করবর্ষে নিয়ম অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন জমা দিয়েছেন।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

সংসদে দেওয়া এসব তথ্যের মাধ্যমে একদিকে কৃষকদের ক্ষুদ্র ঋণ মওকুফে সরকারের ব্যয়ের চিত্র, অন্যদিকে চুয়াডাঙ্গায় করদাতার সংখ্যা ও রিটার্ন দাখিলের পরিসংখ্যান উঠে এসেছে। কৃষকদের ঋণমুক্ত করার পাশাপাশি কর ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়টিও সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।