২০২৫ সালে এনবিআর সংস্কার নিয়ে কর্মকর্তাদের ওই আন্দোলন একপর্যায়ে দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করেছিল। পরে ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যস্থতায় আন্দোলন প্রত্যাহার করা হয়। আন্দোলনে সরাসরি সম্পৃক্ত ৩৯ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়েছিল আইআরডি। তাদের মধ্যে এনবিআরের তিন সদস্য ও একজন কমিশনারকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।
এর আগে আন্দোলনে জড়িত ২৪ কর্মকর্তার শাস্তি মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তাদের মধ্যে আয়কর ক্যাডারের ১৪ জন এবং কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট ক্যাডারের ১০ কর্মকর্তা শাস্তি মওকুফ চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই ২০ কর্মকর্তার দণ্ড মওকুফ করা হলো।
দণ্ড মওকুফ হওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন—ইমাম তৌহিদ হাসান শাকিল, উপকর কমিশনার, কর অঞ্চল-২১, ঢাকা; মির্জা আশিক রানা, অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-দিনাজপুর; মোনালিসা শাহরীন সুমিতা, যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ময়মনসিংহ; মো. মামুন মিয়া, যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর; চাঁদ সুলতানা চৌধুরানী, অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-গাজীপুর; সুলতানা হাবীব, অতিরিক্ত কর কমিশনার (চলতি দায়িত্ব), কর অঞ্চল-১২, ঢাকা; মুরাদ আহমেদ, অতিরিক্ত কর কমিশনার, কর অঞ্চল-যশোর; মামুনা খাতুন, যুগ্ম কর কমিশনার, ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট ইউনিট, ঢাকা; মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান, যুগ্ম কর কমিশনার, কর অঞ্চল-ফরিদপুর এবং মো. জিল্লুর রহমান।