
প্রকাশ: ৮ নভেম্বর ২০২১, ২:৫৫

ধর্মঘট ইস্যুতে ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও পণ্য পরিবহন যানবাহনের মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সোমবার (৮ নভেম্বর) রাত সোয়া ৮টায় সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।
এতে সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বৈঠক উপস্থিত আছেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব আনিছুর রহমান, জননিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান, ট্যাংক লরি ও প্রাইম মুভার মালিক-শ্রমিক ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক রুস্তম আলী খানসহ অন্য নেতারা।
এর আগে ৪ নভেম্বর থেকে জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ায় সরকার। প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিনের দাম ৬৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই দিন রাতেই ধর্মঘটের ডাক দেন পণ্যবাহী যানবাহনের মালিকরা। অন্যদিকে ভাড়া বাড়ানোর দাবিতে যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।

এরপর ভাড়া বাড়ানো হলে রোববার (৭ নভেম্বর) থেকে চলাচল শুরু হয় বাস। তবে পণ্যবাহী যানবাহন মালিকরা ধর্মঘট অব্যাহত রাখেন।
কোনো ট্যাগ পাওয়া যায়নি

প্রসঙ্গত, গত ৩ নভেম্বর রাতে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় সরকার। লিটারপ্রতি ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়ানো হয় ১৫ টাকা করে। ফলে ৬৫ টাকা থেকে এক লাফে ডিজেলের লিটারপ্রতি দাম হয় ৮০ টাকা। বাড়তি দামে ডিজেল কিনতে হলে বর্তমান ভাড়ায় গাড়ি চালানো সম্ভব নয়- এমন যুক্তি দেখিয়ে বৃহস্পতিবার থেকে প্রথমে পণ্যবাহী পরিবহন ধর্মঘটে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। পরে বাস মালিকরাও গাড়ি চালানো বন্ধ করে দেন।
সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে বিআরটিএর কাছে ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয় বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) বিকেলে। বিআরটিএ বৃহস্পতি, শুক্র, শনিবার তিনদিন কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে মালিক সমিতির সঙ্গে বৈঠক ডাকে রোববার (৭ নভেম্বর)। বাস মালিকরা ভাড়া না বাড়ানো পর্যন্ত রাস্তায় গাড়ি না নামানোর সিদ্ধান্তে অটল থাকেন।