প্রকাশ: ৯ এপ্রিল ২০২০, ৮:১
সৌদি রাজ পরিবারের অন্তত দেড়শ সদস্য নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
বিস্তারিত আসছে...
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষণার পর ওয়াশিংটন সময় মঙ্গলবার বিকেল ৪টা থেকে ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় পুনরায় নৌ অবরোধ কার্যকর করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনী এ নৌ অবরোধ কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। রয়টার্সের বরাতে জানা যায়, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে মার্কিন নৌবাহিনীর ২০টির বেশি যুদ্ধজাহাজ এবং শতাধিক সামরিক উড়োজাহাজ
ইরানের মূল ভূখণ্ড ও উপকূলীয় অঞ্চলে টানা সাত ঘণ্টা ধরে ব্যাপক বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। সংস্থাটি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীর সন্নিকটবর্তী এবং ইরানের উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত কয়েক ডজন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কার্যক্রম তদারককারী সংস্থা সেন্টকম এক জরুরি আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানায়, দীর্ঘ সাত ঘণ্টার অভিযানে ইরানের
লিবিয়ার পূর্ব উপকূলের কাছে ভূমধ্যসাগরে একটি কাঠের নৌকা ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত ৫০ জন অভিবাসী নিখোঁজ হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবারের এ দুর্ঘটনার তথ্য রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছে লিবিয়ার দুটি নিরাপত্তা সূত্র। নিরাপত্তা সূত্র জানায়, মিসরের সীমান্তসংলগ্ন তবরুক শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার পশ্চিমে এল-বারদা দ্বীপের কাছে উদ্ধার
ইরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা না হলে আগামী সপ্তাহ থেকে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ সেতুগুলোতে হামলার পরিধি আরও বাড়ানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ সতর্কবার্তা দেন। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আগামী সপ্তাহ ইরানের জন্য অত্যন্ত কঠিন হতে যাচ্ছে। কারণ ওই সময় থেকে দেশটির বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলোর ওপর হামলা শুরু হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের ‘অপকর্ম’ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি অবরুদ্ধ রাখা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে ইরানের এলিট সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এক বিবৃতিতে বাহিনীটি জানায়, আন্তর্জাতিক এই জলপথের ওপর তাদের কঠোর নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে। আইআরজিসি অভিযোগ করে, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের ব্যর্থতা ও অক্ষমতা আড়াল করতে একটি অজুহাত তৈরি করেছে।