
প্রকাশ: ৯ জুলাই ২০১৯, ২১:১৫

একের পর এক সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে আবারও আলোচনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ছাত্রলীগ। এবার সংবাদের শিরোনাম ‘গায়ে ধাক্কা’ লাগার জেরে ছাত্রলীগের দুই হলের নেতাকর্মীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের কারণে। গত ৩ জুলাই আহত হয়ে হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭০ জনের বেশি নেতাকর্মী। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে গত নয় মাসে কমপক্ষে সাতটি রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে ‘সিনিয়রকে সম্মান না করা’, ‘খেলার মাঠে স্লেজিং’, ‘ইভটিজিং’, ‘কথা-কাটাকাটি থেকে মারধর’ যেমন ছিলো, তেমনি নিয়োগ ‘বাণিজ্যের টাকা ভাগাভাগি’, ‘অন্তঃকোন্দল’ ও ‘আধিপত্য বিস্তার’কে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। ঘটনাগুলো ঘটেছে ছাত্রলীগের নিজেদের মধ্যে।
এর মধ্যে তিনটি বড় সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে- যেখানে শিক্ষক, সাংবাদিক, পুলিশসহ ছাত্রলীগের প্রায় দেড়শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এতে প্রতিপক্ষকে লক্ষ্য করে কমপক্ষে ২০ রাউন্ড গুলি ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে দুই পক্ষের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে গুলি করা, রামদা, রড, জিআই পাইপ ও চাপাতির মতো দেশি অস্ত্র ব্যবহার করতে দেখা গেছে। বারবার গোলাগুলি ও অস্ত্রের ঝনঝনাটিতে আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। হুমকির মুখে পড়ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক শিক্ষার পরিবেশ। আবাসিক হলগুলোতে দেশি অস্ত্রের মজুদ ও আগ্নেয়াস্ত্র থাকার অভিযোগের পরও প্রশাসন কেনো তা উদ্ধারে তৎপর হচ্ছে না তা রহস্যজনক, মন্তব্য করছেন অনেকে। কিন্তু, কেনো বারবার এমন সংঘর্ষ? যেখানে প্রতিপক্ষ ছাত্রদলের কর্মকাণ্ড নেই, সেখানে কেনো পিস্তল-দা-চাপাতি নিয়ে সংঘর্ষ?


ইনিউজ ৭১/টি.টি. রাকিব