গত ২৪ সেপ্টেম্বর অধ্যক্ষ বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে এ তথ্য জানায় দুদক। সংস্থাটির সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামান চিঠিতে স্বাক্ষর করেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকজন শিক্ষক ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরি করছেন। অভিযোগের পর বিভিন্ন নথি পাওয়ার ভিত্তিতে সম্প্রতি অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করেছে দুদক।
চিঠিতে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া ও জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতার চাকরি করার অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে ২৩ শিক্ষকের বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ কারণে নামের তালিকাসহ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
দুদকের তলব পাওয়া শিক্ষকরা হলেন রুবিনা সুলতানা, মো. সোলায়মান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নূরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমিন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন ও এন এম মঞ্জুরুল হক।