
প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২০, ৩:৫৮

বাংলাদেশের ৯৭ শতাংশ পণ্য বিনা শুল্কে রফতানির সুযোগ দিয়েছে চীন। তবে সম্প্রতি চীনের দেয়া এমন সুবিধাকে ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম খয়রাতি উল্লেখ করে খবর প্রকাশ করে সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অথচ এই ভারতই বিভিন্ন দেশ থেকে ঋণ নিয়েছে, দেশটির গণমাধ্যমের ভাষায় যা খয়রাতি। ২০০৫ সালে ভারতে চীনা দূতাবাস থেকে এমনই একটি অনুদান দেয়া হয় দেশটির কংগ্রেস পরিচালিত রাজীব গান্ধি ফাউন্ডেশনকে।
গেল বৃহস্পতিবার বিজেপি অভিযোগ করেছে, ভারতে অবস্থিত চীনা দূতাবাস থেকে অর্থ অনুদান পেয়েছে কংগ্রেস পরিচালিত রাজীব গান্ধি ফাউন্ডেশন। প্রথম ইউপিএ আমলে অর্থাৎ ২০০৫-০৬ সালে এই লেনদেন হয়েছে।

এমনকী, সরকারি কোনো নথিতে এই অনুদানের প্রসঙ্গ নেই। এমনটাও অভিযোগ তুলেছেন ওই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। কংগ্রেসের প্রতি তার প্রশ্ন, কোন খাতে সেই অনুদান ব্যবহার করা হয়েছিল? জবাবদিহি করুক কংগ্রেস।

এত ঋণ বা খয়রাতির বিপরীতে ভারতের রিজার্ভ আছে ১২ জুন, ২০২০ পর্যন্ত ৫০৭ দশমিক ৬৪৪ বিলিয়ন ডলার, যেখানে বিদেশ থেকে নেয়া তাদের ঋণের পরিমাণ ৫৬৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন। এখানে উল্লেখ্য ভারতের এই রিজার্ভ তাদের স্বর্ণ রিজার্ভসহ। আরও নির্দিষ্ট করে বললে তাদের ৫০৭ দশমিক ৬৪৪ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভের ভেতর ফরেন এক্সচেঞ্জ অ্যাসেটসের (এফসিএ) পরিমাণ ৪৬৮ দশমিক ৭৩৭ বিলিয়ন, স্বর্ণের রিজার্ভের বাজার মূল্য ৩৩ দশমিক ১৭৩ বিলিয়ন, এসডিএআরএস ১ দশমিক ৪৫৪ বিলিয়ন এবং বাকি ৪ দশমিক ২৮০ বিলিয়ন রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার কাছে।
সুত্রঃ সময় টিভি