
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২২, ২:১৬

বরগুনার আমতলীতে বিএনপি কর্মীদের হামলায় পুলিশের পাঁচ সদস্য আহত হয়েছে। সোমবার বিকেল ৪ টার সময় একেস্কুল চৌরাস্তা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ১৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমতলী উপজেলা বিএনপি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ডাকা সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বাধা দিলে পুলিশের উপর এ হামলা চালানো হয় বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার সময় আমতলী উপজেলা বিএনপি ও অংগসংগঠন একে স্কুল চৌরাস্তা মোড়ে অবস্থিত বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করে।
সভা শেষে বিএনপির নেতাকর্মীরা সড়কে বিক্ষোভ করতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এসময় পুলিশের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে ইটের আঘাতে এসআই দাদন মিয়া (৪৩), এসআই শহীদুল আলম হাওলাদার (৪৮), এএসআই কামালা উদ্দিন মিয়া (৩৮) এএসআই সোহরাব (৩৪) ও কনস্টেবল কবির খান ((৪০) আহত হন।

আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় দাদন মিয়া ও শহীদুল আলম হাওলাদারকে আমতলী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ বিএনপি অফিসসহ এর আশপাশ এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি জালাল উদ্দিন ফকির, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামানি হিরু, যুবদলের সদস্য কাউন্সিলর সামসুল হক চৌকিদার, মৎস্যজীবি দলের উপজেলা সভাপতি কবির তালুকদারসহ ১৩ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে।
আমতলী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মামুন বলেন, পুলিশ বিনা কারণে আমাদের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে লাঠিচার্জ করে নেতাকর্মীদের আটক করেছে।
আমতলী থানার ওসি একেএম মিজানুর রহমান বলেন, বিনা উস্কানিতে বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের উপর হামল করেছে। হামলায় পুলিশের ৫ সদস্য আহত হয়েছে। আহদের মধ্যে ২ জনকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, সরকারি কাজে বাধাদানসহ পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় মামলার প্রস্ততি চলছে।