
প্রকাশ: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০:৮

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার কড়িয়া সীমান্ত এলাকায় বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণকে কেন্দ্র করে পূর্ব শক্রতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় সাংবাদিকের বোন-ভগ্নিপতি ও পরিবারের অন্য সদস্যরা গুরুত্বর আহত। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করান।যমুনা টেলিভিশনের জয়পুরহাট প্রতিনিধি আব্দুল আলিমের ভগ্নিপতি শহিদ হোসেন বাদী হয়ে ৭ জনের নামে থানায় মামলা করে।
পাঁচবিবি থানায় মামলা সূত্রে জানা যায়,উপজেলার পশ্চিম কড়িয়ার আনোয়ার হোসেনের ছেলে শহিদ হোসেন গত ৮ সেপ্টেম্বর বুধবার বাড়ির সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেন। নির্মাণের একটু পরেই প্রতিপক্ষ উপজেলার রাধাবাড়ির গোলজারের ছেলে আতিকুল (২৮),রতনপুরের সেকেন্দারের ছেলে শাকিব (৩৫),শরিফ উদ্দিনের ছেলে করিম (৫০),ও মীরশহিদ (৪৫),করিমের স্ত্রী বিলকিছ (৪৫),আতিকুলের স্ত্রী সুমাইয়া (২৫) ও মাতাইশ মঞ্জিলের মফিজ উদ্দিনের ছেলে মশিউর রহমান মিন্নুর (৩৫),সহ আরো অনেকেই মিলে প্রাচীরটি ভাঁঙ্গতে শুরু করে।
এসময় প্রাচীর ভাঁঙ্গতে বাঁধা দিলে তাদের হাতে থাকা লাঠি, ছোরা,দা,হাসুয়া,লোহার রড ও বাটাম দিয়ে আমাদেরকে এলোপাতারি মারপিট করে।এতে আমার স্ত্রী,বৃদ্ধ মাসহ অনেকের শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখম হয়ে রক্তপাত হয়েছে। এছাড়া তারা মহিলা মানুষের পড়নের কাপড় ধরে টানাটানি করে ও কানে থাকা সোনার দুল ছিড়ে নেয়।আমাদের আত্বচিৎকারে গুরত্বর আহত অবস্থায় প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করান।

পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত ওসি) গোলাম সারওয়ার জানান,৬/৭ অজ্ঞাতসহ ৭ জনের নামে থানায় একটা মামলা হয়েছে। এই মামলার ২ জনকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।